১১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
বিজ্ঞান বাজেটে কংগ্রেসের প্রতিরোধ, ট্রাম্পের কাটছাঁট পরিকল্পনায় ধাক্কা কলম্বিয়ার সাবেক সেনাদের বিদেশযুদ্ধে টান, ঝুঁকি বাড়াচ্ছে অস্থির ভবিষ্যৎ চীনের পুনর্ব্যবহারযোগ্য ‘শেনলং’ মহাকাশযানের চতুর্থ মিশন কক্ষপথে মাগুরায় ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশ সদস্য নিহত ঢাকা-১৪ ও ১৬ আসন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, জানিয়েছে সেনাবাহিনী তারেক রহমানকে ‘কাগুজে বাঘ’ বললেন নাসিরউদ্দিন, ছাত্রদল–যুবদলকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা কৃষিভিত্তিক শিল্পই বদলাতে পারে কৃষকের জীবন: তারেক রহমান পতনের মুখ থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে নেদারল্যান্ডসকে হারাল পাকিস্তান ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চাঁদাবাজি বন্ধের আহ্বান বিএনপি প্রার্থীর যাত্রাশিল্পের পথিকৃৎ মিলন কান্তি দে আর নেই

ঢাকায় আজও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু—PM2.5 দূষণে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

ঢাকার বায়ুর মান আজও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। সূক্ষ্ম ধূলিকণা PM2.5-এর মাত্রা বেশি থাকায় রাজধানীবাসীর জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত ঝুঁকি বেড়েছে। দিনের বিভিন্ন সময়ে বায়ুদূষণ সূচক এমন স্তরে পৌঁছেছে, যা দীর্ঘ সময় বাইরে অবস্থান করলে স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

শীত মৌসুমে ঢাকার বাতাসে দূষণ জমে থাকার প্রবণতা বেশি থাকে। কম বাতাস, শুষ্ক আবহাওয়া এবং ধুলাবালি মিলিয়ে দূষিত কণিকা সহজে ছড়িয়ে পড়ছে না। ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকায় আজও একই ধরনের অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি বজায় রয়েছে।

ঢাকার বাতাস আজও 'খুব অস্বাস্থ্যকর'

আজকের বায়ু পরিস্থিতি কী বলছে

আজকের বায়ুমান অনুযায়ী, PM2.5 কণিকার ঘনত্ব স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি। এই মাত্রাকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়, যেখানে শুধু সংবেদনশীল গোষ্ঠী নয়, সাধারণ মানুষও শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালা বা মাথাব্যথার মতো উপসর্গ অনুভব করতে পারেন।

কারা বেশি ঝুঁকিতে

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু, প্রবীণ, হাঁপানি বা হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা আজ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাদের ক্ষেত্রে অল্প সময়ের জন্যও দূষিত বাতাসে থাকা সমস্যা বাড়াতে পারে। এই অবস্থায় অপ্রয়োজনীয় বাইরে বের হওয়া সীমিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকায় আজও অস্বাস্থ্যকর বাতাস, স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

দূষণ বাড়ার পেছনের কারণ

ঢাকার বায়ুদূষণের পেছনে প্রধান ভূমিকা রাখছে যানবাহনের ধোঁয়া, চলমান নির্মাণকাজের ধুলা, ইটভাটার নির্গমন এবং শীতকালের স্থির আবহাওয়া। এসব উপাদান একসঙ্গে কাজ করে বাতাসে ক্ষতিকর কণিকার ঘনত্ব বাড়িয়ে দিচ্ছে।

নাগরিকদের জন্য সতর্কতা

বর্তমান পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় বাইরে অবস্থান এড়ানো, শিশুদের খোলা জায়গায় খেলাধুলা সীমিত রাখা এবং প্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আগামী কয়েকদিনে আবহাওয়ার পরিবর্তনের ওপরই বায়ুর মানের উন্নতি বা অবনতি নির্ভর করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

বিজ্ঞান বাজেটে কংগ্রেসের প্রতিরোধ, ট্রাম্পের কাটছাঁট পরিকল্পনায় ধাক্কা

ঢাকায় আজও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু—PM2.5 দূষণে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

০৪:৩৭:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকার বায়ুর মান আজও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। সূক্ষ্ম ধূলিকণা PM2.5-এর মাত্রা বেশি থাকায় রাজধানীবাসীর জন্য শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত ঝুঁকি বেড়েছে। দিনের বিভিন্ন সময়ে বায়ুদূষণ সূচক এমন স্তরে পৌঁছেছে, যা দীর্ঘ সময় বাইরে অবস্থান করলে স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

শীত মৌসুমে ঢাকার বাতাসে দূষণ জমে থাকার প্রবণতা বেশি থাকে। কম বাতাস, শুষ্ক আবহাওয়া এবং ধুলাবালি মিলিয়ে দূষিত কণিকা সহজে ছড়িয়ে পড়ছে না। ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকায় আজও একই ধরনের অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি বজায় রয়েছে।

ঢাকার বাতাস আজও 'খুব অস্বাস্থ্যকর'

আজকের বায়ু পরিস্থিতি কী বলছে

আজকের বায়ুমান অনুযায়ী, PM2.5 কণিকার ঘনত্ব স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি। এই মাত্রাকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়, যেখানে শুধু সংবেদনশীল গোষ্ঠী নয়, সাধারণ মানুষও শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালা বা মাথাব্যথার মতো উপসর্গ অনুভব করতে পারেন।

কারা বেশি ঝুঁকিতে

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু, প্রবীণ, হাঁপানি বা হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা আজ সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। তাদের ক্ষেত্রে অল্প সময়ের জন্যও দূষিত বাতাসে থাকা সমস্যা বাড়াতে পারে। এই অবস্থায় অপ্রয়োজনীয় বাইরে বের হওয়া সীমিত রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকায় আজও অস্বাস্থ্যকর বাতাস, স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে

দূষণ বাড়ার পেছনের কারণ

ঢাকার বায়ুদূষণের পেছনে প্রধান ভূমিকা রাখছে যানবাহনের ধোঁয়া, চলমান নির্মাণকাজের ধুলা, ইটভাটার নির্গমন এবং শীতকালের স্থির আবহাওয়া। এসব উপাদান একসঙ্গে কাজ করে বাতাসে ক্ষতিকর কণিকার ঘনত্ব বাড়িয়ে দিচ্ছে।

নাগরিকদের জন্য সতর্কতা

বর্তমান পরিস্থিতিতে দীর্ঘ সময় বাইরে অবস্থান এড়ানো, শিশুদের খোলা জায়গায় খেলাধুলা সীমিত রাখা এবং প্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আগামী কয়েকদিনে আবহাওয়ার পরিবর্তনের ওপরই বায়ুর মানের উন্নতি বা অবনতি নির্ভর করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।