দিল্লিতে বৈঠকে ভারত ও স্পেন সন্ত্রাসবাদকে “যে কোনো রূপে” মোকাবিলার বিষয়ে কড়া অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে। দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের আলোচনায় সীমান্তপারের সন্ত্রাস, অর্থায়ন ও অনলাইন উসকানি—সবকিছুর বিরুদ্ধে সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। বার্তাটি স্পষ্ট—কূটনীতি, গোয়েন্দা সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে সমর্থন—তিন দিক থেকেই চাপ বাড়াতে চায় দুই দেশ।
![]()
কেন এখন এই বার্তা গুরুত্বপূর্ণ
ইউরোপে নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় জঙ্গিবাদের ছায়া—এই দুই বাস্তবতা মিলিয়ে দিল্লি–মাদ্রিদের কথাবার্তায় “জিরো টলারেন্স” শব্দবন্ধটি আবার সামনে এসেছে। দুই দেশই মনে করছে, সন্ত্রাসবাদকে শুধু নিরাপত্তা সমস্যা নয়, আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবেও দেখতে হবে।
কী ধরনের সহযোগিতা সামনে আসতে পারে
আলোচনার ইঙ্গিত অনুযায়ী—তথ্য বিনিময়, সন্ত্রাস অর্থায়ন ট্র্যাকিং, ভুয়া পরিচয়/ভ্রমণ নেটওয়ার্ক শনাক্তকরণ, এবং বহুপাক্ষিক মঞ্চে একে অন্যকে সমর্থনের মতো কাজগুলো জোরদার হতে পারে। বিশেষ করে ইউরোপ–দক্ষিণ এশিয়া নিরাপত্তা সংযোগের জায়গায় এটি একটি কৌশলগত বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















