গাজা প্রসঙ্গে প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অব পিস’ উদ্যোগকে ঘিরে আন্তর্জাতিক বিতর্ক আরও ঘনীভূত হচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে একটি নতুন কাঠামো হিসেবে এটি গাজার পুনর্গঠন ও শান্তি-প্রক্রিয়া তদারকির নামে সামনে এলেও—পরবর্তীতে এটিকে বৃহত্তর বৈশ্বিক সংঘাত ব্যবস্থাপনার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। একই সময়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এতে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা অঞ্চল ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে।

কেন উদ্যোগটি বিতর্কিত
সমালোচকদের বড় প্রশ্ন—এটি কি জাতিসংঘের সমান্তরাল/প্রতিদ্বন্দ্বী কাঠামো হয়ে উঠতে পারে? আর গাজার মতো সংবেদনশীল ইস্যুতে নতুন ‘বোর্ড’ আসলে কার কণ্ঠস্বরকে প্রতিনিধিত্ব করবে—স্থানীয় জনগোষ্ঠী নাকি কেবল শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর সিদ্ধান্ত? সংবাদে উল্লেখ রয়েছে, কাঠামোর সদস্যপদ/অংশগ্রহণ নিয়ে অর্থনৈতিক শর্ত ও প্রভাব-রাজনীতির অভিযোগও উঠছে।
মাঠের বাস্তবতা বনাম কূটনীতির ঘোষণা
কূটনৈতিক উদ্যোগের সমান্তরালে গাজায় সহিংসতা ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের ধারাবাহিকতা নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ আছে। ফলে ‘শান্তি বোর্ড’ ঘোষণার প্রভাব—বাস্তব যুদ্ধবিরতি, মানবিক প্রবেশাধিকার এবং নিরাপত্তা স্থিতিশীলতায় কতটা পড়বে—সেটিই এখন দেখার বিষয়।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















