বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক কমলেও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে সূচক বেড়েছে। দিনের শুরুতে উভয় বাজারেই কিছুটা ইতিবাচক গতি থাকলেও শেষভাগে বিক্রির চাপ বাড়ায় ডিএসই নেতিবাচক ধারায় শেষ হয়।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চিত্র
লেনদেন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৬ পয়েন্ট কমে যায়। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ২ পয়েন্ট এবং শীর্ষ ৩০ কোম্পানির সূচক ডিএস৩০ এক পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।
ডিএসইতে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে। এদিন ১৮৯টি কোম্পানির শেয়ারের দাম কমে যায়, বিপরীতে ১৪৫টির দাম বাড়ে এবং ৫৬টির দাম অপরিবর্তিত থাকে।

লেনদেন পরিস্থিতি
ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় কমেছে। এদিন মোট ৫৩৬ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে, যেখানে আগের কার্যদিবসে লেনদেন ছিল ৬০৫ কোটি টাকা।
ব্লক মার্কেটে ২৭টি কোম্পানির প্রায় ১৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ডোমিনেজ স্টিল বিল্ডিং সিস্টেমস লিমিটেডের শেয়ার সবচেয়ে বেশি, প্রায় ২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।
দর বৃদ্ধি ও দর পতনের শীর্ষে
ডিএসইতে এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পিএলসি প্রায় ১০ শতাংশ দর বৃদ্ধির মাধ্যমে শীর্ষ লাভজনক কোম্পানি হয়েছে। অন্যদিকে মিডাস ফাইন্যান্সিং পিএলসি ৫ শতাংশের বেশি দর হারিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানি হিসেবে তালিকার নিচে অবস্থান করে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চিত্র
ঢাকার বিপরীতে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে ইতিবাচক ধারা বজায় ছিল। সিএসইর প্রধান সূচক ক্যাসপি ২৫ পয়েন্ট বেড়েছে।
এদিন সিএসইতে ৮৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম বেড়েছে, ৫৭টির দাম কমেছে এবং ২০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণও সামান্য বেড়েছে। মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ১৪ কোটি টাকা, যেখানে আগের দিন লেনদেন ছিল ১৩ কোটি টাকা।
সিএসইতে দর পরিবর্তনের চিত্র
চট্টগ্রাম বাজারে এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড ১০ শতাংশ দর বৃদ্ধি পেয়ে শীর্ষ লাভজনক কোম্পানি হয়েছে। অন্যদিকে দেশবন্ধু পলিমার লিমিটেড ৯ শতাংশের বেশি দর হারিয়ে সবচেয়ে বেশি দরপতনের শিকার হয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















