নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগ
মির্জা আব্বাস বলেন, সরকারের একটি মহল যে কিছু প্রার্থীকে জয়ী করতে সক্রিয়, তা তিনি প্রমাণ করতে পারবেন। তার ভাষায়, রাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায় থেকে যখন কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে ইঙ্গিত করে ‘জয়ী হয়ে আসবে’ বলা হয়, তখন স্পষ্ট হয় যে তাকে জেতানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
প্রচারণার মাঠে বক্তব্য
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, নির্বাচনি প্রচারণার প্রথম দিনে রাজধানীর শান্তিবাগ স্কুল ও পুরাতন রমনা থানা জামে মসজিদসংলগ্ন এলাকায় গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
প্রতিদ্বন্দ্বীর বক্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়া
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বক্তব্যের সমালোচনা করে মির্জা আব্বাস বলেন, শিষ্টাচারবহির্ভূত ভাষায় যেভাবে কথা বলা হচ্ছে, তার বয়স ও রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সে ধরনের জবাব দেওয়া তার পক্ষে শোভন নয়। তিনি বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে প্রতিক্রিয়া দেখাতে উসকানি দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু তিনি আর সেই পর্যায়ে নেই। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী তার ছেলের চেয়েও ছোট উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিষয়টিকে তিনি ঘরের ছোটদের দুষ্টুমির মতো করেই দেখছেন।

ভোটের ফল নিয়ে আশাবাদ
নিজের জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, কেউ নিরাশ হয়ে রাজনীতি করে না। তিনি অতীতের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে জানান, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তিনি বিজয়ী হবেন বলে আশাবাদী।
নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা
একই সঙ্গে নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগের কথাও জানান বিএনপি নেতা। তিনি বলেন, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে তার আশঙ্কা রয়েছে। সরকারের একটি মহল বিশেষ কিছু প্রার্থীকে পরাজিত করার চেষ্টা করতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ষড়যন্ত্র মোকাবিলার প্রত্যয়
সব ধরনের চক্রান্ত মোকাবিলার দৃঢ় অঙ্গীকার জানিয়ে মির্জা আব্বাস বলেন, দলের নেতাকর্মীদের মনোবল দেখে তিনি বিশ্বাস করেন, সব ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করেই বিজয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব হবে।
জনসমাগম
প্রচারণার প্রথম দিনেই মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















