০৯:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬
বিশ্বের সংকটের কেন্দ্রে কি এক ব্যক্তির রাজনীতি? স্বাস্থ্যকর খাদ্য কেন এখনও নাগালের বাইরে? যুক্তরাষ্ট্রে আফগান অভিবাসীদের তথ্য সংগ্রহ ঘিরে নতুন উদ্বেগ, জোরালো হচ্ছে বিতর্ক যুক্তরাষ্ট্রে কমছে সহিংস অপরাধ, স্বস্তি ফিরছে শহরগুলোতে সাবেক রাষ্ট্রপতি হামিদ ও সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রে সুপারমার্কেটের সামনে গাড়িচাপায় ৮২ বছরের নারী নিহত, বিচারের দাবিতে পরিবার ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু, দেশে প্রাণহানি বেড়ে ৪৩ সিলেটে গাছ থেকে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত মুম্বাইয়ের গল্পে গুলজারের ৭৬ বছর: যে শহর এক কিশোর অভিবাসীকে কবি বানিয়েছে পাঁচ বইয়ে পাঁচ ভুবনের যাত্রা, ইতিহাস থেকে ভবিষ্যৎ—পাঠকের জন্য নতুন পাঁচ ঠিকানা

চট্টগ্রামে কারাবন্দী আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্যানসারের চিকিৎসাধীন অবস্থায় কারাবন্দী এক প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। কারা ও হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মৃত নেতার পরিচয়
মৃত ব্যক্তির নাম আবদুর রহমান মিয়া। তার বয়স ছিল ৭০ বছর। তিনি চট্টগ্রামের ডাবলমুরিং থানাধীন উত্তর আগ্রাবাদ পূর্ব মুহুরি পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তিনি দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড ২৪ আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন, যদিও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক নথি পাওয়া যায়নি।

গ্রেপ্তার ও কারাবাসের পটভূমি
গত ১৭ নভেম্বর ২০২৫ সালে কোতোয়ালি থানার একটি মামলায় আবদুর রহমান মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগারে অসুস্থতা ও হাসপাতালে ভর্তি
কারাগারে থাকার সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। গত ২৪ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তাকে ভর্তি করেন।

চিকিৎসা, ছুটি ও পুনরায় সংকট
প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ সালে তাকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দিয়ে আবার কারাগারে পাঠানো হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি অব্যাহত থাকায় চিকিৎসকদের পরামর্শে ২৬ জানুয়ারি তাকে পুনরায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রোগের অবস্থা ও চিকিৎসা প্রতিবেদন
চিকিৎসা প্রতিবেদনে জানা যায়, আবদুর রহমান মিয়া ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন, যা পরবর্তীতে মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া তিনি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন।

মৃত্যুর সময় ও কারণ
শনিবার ৩১ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের মৃত্যু সনদে ফুসফুসের ক্যানসারজনিত জটিলতা, মস্তিষ্কে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়া, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্ট ও ডায়াবেটিসকে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

কারা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সুপারিনটেনডেন্ট সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, কারাবন্দী ওই নেতার মৃত্যুর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বের সংকটের কেন্দ্রে কি এক ব্যক্তির রাজনীতি?

চট্টগ্রামে কারাবন্দী আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু

০৮:৫২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্যানসারের চিকিৎসাধীন অবস্থায় কারাবন্দী এক প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। কারা ও হাসপাতাল সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মৃত নেতার পরিচয়
মৃত ব্যক্তির নাম আবদুর রহমান মিয়া। তার বয়স ছিল ৭০ বছর। তিনি চট্টগ্রামের ডাবলমুরিং থানাধীন উত্তর আগ্রাবাদ পূর্ব মুহুরি পাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, তিনি দক্ষিণ আগ্রাবাদ ওয়ার্ড ২৪ আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ছিলেন, যদিও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক নথি পাওয়া যায়নি।

গ্রেপ্তার ও কারাবাসের পটভূমি
গত ১৭ নভেম্বর ২০২৫ সালে কোতোয়ালি থানার একটি মামলায় আবদুর রহমান মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তাকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগারে অসুস্থতা ও হাসপাতালে ভর্তি
কারাগারে থাকার সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। গত ২৪ ডিসেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা তাকে ভর্তি করেন।

চিকিৎসা, ছুটি ও পুনরায় সংকট
প্রায় এক মাস চিকিৎসা শেষে গত ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ সালে তাকে হাসপাতাল থেকে ছুটি দিয়ে আবার কারাগারে পাঠানো হয়। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি অব্যাহত থাকায় চিকিৎসকদের পরামর্শে ২৬ জানুয়ারি তাকে পুনরায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

রোগের অবস্থা ও চিকিৎসা প্রতিবেদন
চিকিৎসা প্রতিবেদনে জানা যায়, আবদুর রহমান মিয়া ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন, যা পরবর্তীতে মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়া তিনি উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং দীর্ঘস্থায়ী শ্বাসকষ্টজনিত রোগে ভুগছিলেন।

মৃত্যুর সময় ও কারণ
শনিবার ৩১ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হাসপাতালের মৃত্যু সনদে ফুসফুসের ক্যানসারজনিত জটিলতা, মস্তিষ্কে ক্যানসার ছড়িয়ে পড়া, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্ট ও ডায়াবেটিসকে মৃত্যুর কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

কারা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সুপারিনটেনডেন্ট সৈয়দ শাহ শরীফ জানান, কারাবন্দী ওই নেতার মৃত্যুর বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।