কুমিল্লা–চার আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথ চূড়ান্তভাবে বন্ধ হয়ে গেল। ঋণখেলাপির অভিযোগে তাঁর প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রেখে আপিল খারিজ করেছে আপিল বিভাগ।
আপিল বিভাগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
রোববার প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির করা লিভ টু আপিল আবেদন খারিজ করেন। এর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তই বহাল থাকল।
হাইকোর্টের রায়ের ধারাবাহিকতা
এর আগে হাইকোর্ট মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির প্রার্থিতা অবৈধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই রায়ের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করলেও শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগেও স্বস্তি পেলেন না।

ঋণখেলাপির অভিযোগ ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা
মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির তথ্য গোপনের অভিযোগ ওঠে। হলফনামায় প্রয়োজনীয় তথ্য না দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আপত্তি তোলা হয়। শুরুতে রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর মনোনয়ন বৈধ বলে গ্রহণ করলেও পরে এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর আপত্তির পর নির্বাচন কমিশন গত সতেরো জানুয়ারি তাঁর প্রার্থিতা বাতিল করে।
অন্যান্য আসনের মামলার অগ্রগতি
একই দিনে কুমিল্লা–দশ আসনের বিএনপি প্রার্থী মোবারশের আলম ভূঁইয়ার লিভ টু আপিল শুনানিতে নিতে সম্মত হন আপিল বিভাগ। আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়। তবে আলাদা আরেকটি মামলায় বিএনপি প্রার্থী আবদুল গফুর ভূঁইয়ার লিভ টু আপিল আবেদন খারিজ হওয়ায় তাঁর নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগও বন্ধ হয়ে যায়।
রাজনৈতিক প্রভাব ও বার্তা
এই রায়ের মধ্য দিয়ে ঋণখেলাপি সংক্রান্ত হলফনামার স্বচ্ছতা এবং নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের আইনি শক্তির বিষয়টি আবারও স্পষ্ট হলো। নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের তথ্য গোপনের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা হিসেবেও দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 

















