বিয়ে নিয়ে অনলাইনে যত আলোচনা, যত মিম আর যত জল্পনা—সবই আলিয়ার কাছে কেবল শব্দ। রণবীরের সঙ্গে দাম্পত্যে ফাটল ধরেছে এমন দাবিকে গুরুত্বই দেন না তিনি। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে আলিয়া স্পষ্ট করে জানালেন, কয়েক সেকেন্ডের ভিডিও দেখে বানানো গল্প তাঁদের বাস্তবতায় পৌঁছায় না।
অনলাইন শব্দে প্রভাব নেই
আলিয়া বলছেন, মানুষ যা দেখছে তা তিন বা সাত সেকেন্ডের কিছু মুহূর্ত। অথচ তাঁদের সম্পর্ক সাত বছরেরও বেশি সময়ের। সেই তুলনায় অনলাইন মন্তব্যের কোনো ওজন নেই। এই কারণেই ওই শব্দ তাঁদের জীবনে ঢোকে না, বাস্তবতাও বদলায় না।

মিমে হাসি, কখনো উপেক্ষা
কখনো মিম দেখে হাসেন, কখনো একেবারেই পাত্তা দেন না—এই হলো তাঁদের প্রতিক্রিয়া। আলিয়ার কথায়, বিরক্তির বর্ণমালার প্রথম অক্ষরটুকুও তাঁদের জীবনে ঢোকে না। চারপাশে পঞ্চাশ জন থাকলেও প্রকৃত অর্থে কজনই বা আপনজন, বাকিরা কী ভাবছে তা শোনার প্রয়োজন নেই। পরিবার কি বদলাচ্ছে, জীবন কি অন্যদিকে যাচ্ছে—এর উত্তর তাঁর কাছে স্পষ্ট না। বরং প্রতিদিন কৃতজ্ঞ মন নিয়ে ঘুমাতে যান তিনি।

সম্পর্কের পথচলা ও কাজের ব্যস্ততা
একসঙ্গে কাজ করতে গিয়েই আলিয়া ও রণবীরের সম্পর্কের শুরু। পরে বিয়ে, তারপর কন্যাসন্তান—সব মিলিয়ে ব্যক্তিগত জীবনে স্থিরতা। কাজের দিক থেকেও সামনে রয়েছে একাধিক বড় প্রকল্প। পর্দায় আবারও একসঙ্গে দেখা যাবে তাঁদের, পাশাপাশি আলিয়ার রয়েছে নতুন স্পাই থ্রিলার, আর রণবীরের ঝুলিতে পৌরাণিক কাহিনিনির্ভর বড় ছবি।

মূল ভাবনা
অনলাইন শব্দ ক্ষণস্থায়ী, বাস্তব সম্পর্ক দীর্ঘ। আলিয়ার বক্তব্যে সেই বাস্তবতারই প্রতিফলন—গুঞ্জন নয়, জীবনের সত্যই তাঁর কাছে মুখ্য।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















