০১:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কারাগার যখন রাজনৈতিক অস্ত্র: রাশিয়ায় ভয় ও নীরবতার রাজনীতি জাতিসংঘ অধিবেশনে গাজা শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বান পাকিস্তানের থার্ড পার্টি অ্যাপ হ্যাক করে বিগকমার্সের ক্রেতাদের তথ্য ফাঁস ইসলামাবাদে পিটিআই নেতাদের বাড়িতে অভিযানের অভিযোগ, এসএসপিকে তলব হাইকোর্টের পোলিও টিকাদান দলের নিরাপত্তায় হামলা, বেলুচিস্তানে ২ পুলিশ সদস্য নিহত ইরান-যুক্তরাষ্ট্রে আবারও আলোচনার ইঙ্গিত, জাতিসংঘ অধিবেশনকে ‘সোনালি সুযোগ’ বলছে তেহরান সিঁড়ি ভাঙার এই সহজ অভ্যাসই বাড়াতে পারে আয়ু, বলছেন চিকিৎসকেরা বিগ ফার্মার প্রবৃদ্ধির সংকট, সমাধান হতে পারে ঝুঁকিপূর্ণ অধিগ্রহণ ইয়েমেনের হুথিদের চাপে সৌদি আরব: তেলের পথ থেকে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন ঝুঁকি শরীর নিয়ে অসন্তুষ্টি নয়, নিজেকে ভালোবাসার ১০ উপায়

আকাশ ছোঁয়া দামে সোনার গয়না মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে ন ক্রেতারা, সংযুক্ত আরব আমিরাতে চাহিদা কমলো পনেরো শতাংশ

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সোনার দামের ধারাবাহিক রেকর্ডের চাপে গয়নার বাজারে বড় ধস নেমেছে। গত বছরে দেশটিতে সোনার গয়নার চাহিদা কমেছে পনেরো শতাংশ। উচ্চমূল্যের কারণে ক্রেতারা ভারী গয়না ছেড়ে হালকা অলংকার, সোনার কয়েন ও বার কেনার দিকে ঝুঁকছেন বলে বাজার বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

গয়নার বাজারে ধাক্কা, বিনিয়োগে ঝোঁক

গত বছরে আমিরাতে সোনার গয়নার চাহিদা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ঊনত্রিশ দশমিক চার টনে, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। একই সময়ে সোনার কয়েন ও বারের চাহিদা বেড়েছে প্রায় চব্বিশ শতাংশ। দাম আরও বাড়তে পারে এমন প্রত্যাশায় অনেকেই গয়নার বদলে বিনিয়োগমুখী সোনা কিনছেন। এর ফলে কয়েন ও বারের মোট চাহিদা প্রায় চৌদ্দ দশমিক আট টনে পৌঁছেছে।

মোট চাহিদা কমলেও শেষ প্রান্তিকে ঘুরে দাঁড়ানো

গয়না, কয়েন ও বার মিলিয়ে আমিরাতে মোট সোনার চাহিদা বছরে চার শতাংশ কমে প্রায় চুয়াল্লিশ দশমিক দুই টনে নেমেছে। তবে বছরের শেষ প্রান্তিকে চাহিদা কিছুটা বেড়েছে, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় উন্নতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উৎসব ও বিনিয়োগ প্রত্যাশাই এই ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে কাজ করেছে।

বিশ্ববাজারে ভিন্ন চিত্র

বিশ্বজুড়ে সোনার গয়নার পরিমাণগত চাহিদা কমলেও মূল্যের দিক থেকে ব্যয় বেড়েছে। রেকর্ড দামের কারণে কম পরিমাণ কিনেও ক্রেতাদের খরচ বেড়েছে। অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ায় ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক সোনার মোট চাহিদা পাঁচ হাজার টন ছাড়িয়েছে।

রেকর্ড বিনিয়োগে সোনার উত্থান

বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগ চাহিদা পৌঁছেছে প্রায় দুই হাজার একশ পঁচাত্তর টনে। নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে বিনিয়োগকারীরা সোনার তহবিল, বার ও কয়েনের দিকে ঝুঁকেছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কেনাকাটা ও উচ্চমাত্রায় ছিল, যা বৈশ্বিক চাহিদা কে আর ও শক্তিশালী করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছরেও এই প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কারাগার যখন রাজনৈতিক অস্ত্র: রাশিয়ায় ভয় ও নীরবতার রাজনীতি

আকাশ ছোঁয়া দামে সোনার গয়না মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে ন ক্রেতারা, সংযুক্ত আরব আমিরাতে চাহিদা কমলো পনেরো শতাংশ

০২:৩৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সোনার দামের ধারাবাহিক রেকর্ডের চাপে গয়নার বাজারে বড় ধস নেমেছে। গত বছরে দেশটিতে সোনার গয়নার চাহিদা কমেছে পনেরো শতাংশ। উচ্চমূল্যের কারণে ক্রেতারা ভারী গয়না ছেড়ে হালকা অলংকার, সোনার কয়েন ও বার কেনার দিকে ঝুঁকছেন বলে বাজার বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

গয়নার বাজারে ধাক্কা, বিনিয়োগে ঝোঁক

গত বছরে আমিরাতে সোনার গয়নার চাহিদা কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ঊনত্রিশ দশমিক চার টনে, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম। একই সময়ে সোনার কয়েন ও বারের চাহিদা বেড়েছে প্রায় চব্বিশ শতাংশ। দাম আরও বাড়তে পারে এমন প্রত্যাশায় অনেকেই গয়নার বদলে বিনিয়োগমুখী সোনা কিনছেন। এর ফলে কয়েন ও বারের মোট চাহিদা প্রায় চৌদ্দ দশমিক আট টনে পৌঁছেছে।

মোট চাহিদা কমলেও শেষ প্রান্তিকে ঘুরে দাঁড়ানো

গয়না, কয়েন ও বার মিলিয়ে আমিরাতে মোট সোনার চাহিদা বছরে চার শতাংশ কমে প্রায় চুয়াল্লিশ দশমিক দুই টনে নেমেছে। তবে বছরের শেষ প্রান্তিকে চাহিদা কিছুটা বেড়েছে, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় উন্নতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উৎসব ও বিনিয়োগ প্রত্যাশাই এই ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে কাজ করেছে।

বিশ্ববাজারে ভিন্ন চিত্র

বিশ্বজুড়ে সোনার গয়নার পরিমাণগত চাহিদা কমলেও মূল্যের দিক থেকে ব্যয় বেড়েছে। রেকর্ড দামের কারণে কম পরিমাণ কিনেও ক্রেতাদের খরচ বেড়েছে। অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে সোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ায় ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক সোনার মোট চাহিদা পাঁচ হাজার টন ছাড়িয়েছে।

রেকর্ড বিনিয়োগে সোনার উত্থান

বিশ্বব্যাপী বিনিয়োগ চাহিদা পৌঁছেছে প্রায় দুই হাজার একশ পঁচাত্তর টনে। নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে বিনিয়োগকারীরা সোনার তহবিল, বার ও কয়েনের দিকে ঝুঁকেছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর কেনাকাটা ও উচ্চমাত্রায় ছিল, যা বৈশ্বিক চাহিদা কে আর ও শক্তিশালী করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, চলতি বছরেও এই প্রবণতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।