০৪:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শরিয়াহ মোতাবেক নগরকান্দা-সালথা চলবে, ইসলাম বিক্রির অভিযোগে কড়া বার্তা শামা ওবায়েদের দিনাজপুরে নির্বাচনী উত্তাপ, বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ জন্মান্ধ মানুষের জীবনে হামলা, রাজবাড়ীতে লুটপাটে ভেঙে পড়ল শান্ত জীবনের ভরসা মায়ের টাকা না পেয়ে নৃশংস খুন, রাজশাহীতে মাদকাসক্ত ছেলের গ্রেপ্তার কুমিল্লা–চার আসনে বিএনপি প্রার্থিতা বাতিল বহাল, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির আপিল খারিজ সাত সেকেন্ডের গুঞ্জন, সাত বছরের বাস্তবতা—বিয়ে নিয়ে অনলাইন শব্দে বিচলিত নন আলিয়া অনূর্ধ্ব–১৯ বিশ্বকাপে ভারত–পাকিস্তান মহারণে ধস, সূর্যবংশীর বিদায়ে চাপে ভারত ইরান ইস্যুতে সামরিক পথ না কূটনীতি, কোন পথে ট্রাম্প আকাশ ছোঁয়া দামে সোনার গয়না মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে ন ক্রেতারা, সংযুক্ত আরব আমিরাতে চাহিদা কমলো পনেরো শতাংশ ইউএইতে রমজানকে ঘিরে দাইসো জাপানের সবচেয়ে বড় আয়োজন, হক আল লাইলার রঙিন সংগ্রহে উৎসবের আমেজ

দিনাজপুরে নির্বাচনী উত্তাপ, বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে বিএনপির একটি নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পুতিমারী ইউনিয়নের ডলারডাঙ্গা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামী সমর্থকেরা ওই কার্যালয়ে হামলা চালান।

ঘটনাস্থল ও ক্ষয়ক্ষতি
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার সময় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার টেবিল ভেঙে ফেলা হয় এবং টাঙানো ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। এ সময় কার্যালয়ে উপস্থিত বিএনপির দুই কর্মীকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি দিনাজপুর ছয় আসনের আওতাভুক্ত এলাকায় ঘটে, যেখানে বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর উপজেলা অন্তর্ভুক্ত।

বিতর্কের সূত্রপাত যেভাবে
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, শনিবার দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সমর্থকেরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে একটি প্রচার মিছিল করেন। পরে মাগরিবের নামাজের পর জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের সমর্থকেরা বিএনপি কার্যালয়ের কাছেই সড়কসভা শুরু করেন।

তিনি আরও জানান, মাইক্রোফোন ব্যবহারের শব্দ ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সেই তর্ক হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং এরপরই বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

নিরাপত্তা জোরদার
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। নির্বাচনের মাঠে সহিংসতার অভিযোগ ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শরিয়াহ মোতাবেক নগরকান্দা-সালথা চলবে, ইসলাম বিক্রির অভিযোগে কড়া বার্তা শামা ওবায়েদের

দিনাজপুরে নির্বাচনী উত্তাপ, বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ

০৩:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে বিএনপির একটি নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পুতিমারী ইউনিয়নের ডলারডাঙ্গা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামী সমর্থকেরা ওই কার্যালয়ে হামলা চালান।

ঘটনাস্থল ও ক্ষয়ক্ষতি
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার সময় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার টেবিল ভেঙে ফেলা হয় এবং টাঙানো ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। এ সময় কার্যালয়ে উপস্থিত বিএনপির দুই কর্মীকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি দিনাজপুর ছয় আসনের আওতাভুক্ত এলাকায় ঘটে, যেখানে বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর উপজেলা অন্তর্ভুক্ত।

বিতর্কের সূত্রপাত যেভাবে
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, শনিবার দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সমর্থকেরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে একটি প্রচার মিছিল করেন। পরে মাগরিবের নামাজের পর জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের সমর্থকেরা বিএনপি কার্যালয়ের কাছেই সড়কসভা শুরু করেন।

তিনি আরও জানান, মাইক্রোফোন ব্যবহারের শব্দ ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সেই তর্ক হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং এরপরই বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

নিরাপত্তা জোরদার
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। নির্বাচনের মাঠে সহিংসতার অভিযোগ ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।