০১:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
গার্দিওলার বিদায় মঞ্চে মাইকেল জর্ডানের আবেগঘন বার্তা, কেঁদে ফেললেন ম্যানসিটি কোচ চীনের মহাকাশে ইতিহাস, প্রথমবারের মতো হংকংয়ের নারী নভোচারীর যাত্রা আফগানিস্তানে মেয়েদের স্বপ্ন এখন বিয়ের খাঁচায় বন্দি সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০: স্বপ্নের মেগা প্রকল্পে ধাক্কা, বাস্তবতার মুখে নতুন হিসাব ৪৫০ টাকার বিরোধে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে তরুণ নিহত, রাজশাহীতে চাঞ্চল্য আফগানিস্তানে মেয়েদের স্বপ্ন থামিয়ে দিচ্ছে বাল্যবিয়ে, বন্ধ স্কুলে বাড়ছে হতাশা খরার জমিতে কাস্টার্ড আপেলের জয়, কৃষকদের আয়ে খুলছে নতুন সম্ভাবনা আফগানিস্তানে মেয়েদের শিক্ষাবন্দি জীবন, বিয়েই এখন অনেকের একমাত্র ভবিষ্যৎ দিল্লির ঐতিহ্যবাহী জিমখানা ক্লাব বন্ধের শঙ্কা, উত্তাল বিতর্কে ক্ষমতা-ঐতিহ্য-অভিজাত সংস্কৃতি লাওসের গুহায় এক সপ্তাহ ধরে আটকা ৭ গ্রামবাসী, চলছে প্রাণপণ উদ্ধার অভিযান

দিনাজপুরে নির্বাচনী উত্তাপ, বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে বিএনপির একটি নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পুতিমারী ইউনিয়নের ডলারডাঙ্গা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামী সমর্থকেরা ওই কার্যালয়ে হামলা চালান।

ঘটনাস্থল ও ক্ষয়ক্ষতি
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার সময় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার টেবিল ভেঙে ফেলা হয় এবং টাঙানো ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। এ সময় কার্যালয়ে উপস্থিত বিএনপির দুই কর্মীকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি দিনাজপুর ছয় আসনের আওতাভুক্ত এলাকায় ঘটে, যেখানে বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর উপজেলা অন্তর্ভুক্ত।

বিতর্কের সূত্রপাত যেভাবে
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, শনিবার দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সমর্থকেরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে একটি প্রচার মিছিল করেন। পরে মাগরিবের নামাজের পর জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের সমর্থকেরা বিএনপি কার্যালয়ের কাছেই সড়কসভা শুরু করেন।

তিনি আরও জানান, মাইক্রোফোন ব্যবহারের শব্দ ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সেই তর্ক হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং এরপরই বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

নিরাপত্তা জোরদার
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। নির্বাচনের মাঠে সহিংসতার অভিযোগ ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গার্দিওলার বিদায় মঞ্চে মাইকেল জর্ডানের আবেগঘন বার্তা, কেঁদে ফেললেন ম্যানসিটি কোচ

দিনাজপুরে নির্বাচনী উত্তাপ, বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ

০৩:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে বিএনপির একটি নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পুতিমারী ইউনিয়নের ডলারডাঙ্গা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামী সমর্থকেরা ওই কার্যালয়ে হামলা চালান।

ঘটনাস্থল ও ক্ষয়ক্ষতি
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার সময় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার টেবিল ভেঙে ফেলা হয় এবং টাঙানো ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। এ সময় কার্যালয়ে উপস্থিত বিএনপির দুই কর্মীকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি দিনাজপুর ছয় আসনের আওতাভুক্ত এলাকায় ঘটে, যেখানে বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর উপজেলা অন্তর্ভুক্ত।

বিতর্কের সূত্রপাত যেভাবে
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, শনিবার দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সমর্থকেরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে একটি প্রচার মিছিল করেন। পরে মাগরিবের নামাজের পর জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের সমর্থকেরা বিএনপি কার্যালয়ের কাছেই সড়কসভা শুরু করেন।

তিনি আরও জানান, মাইক্রোফোন ব্যবহারের শব্দ ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সেই তর্ক হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং এরপরই বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

নিরাপত্তা জোরদার
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। নির্বাচনের মাঠে সহিংসতার অভিযোগ ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।