১১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ‘বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি’ আরও দীর্ঘ করতে চান শি জ্বালানির দাম বেড়েছে, এবার  বাড়বে নিত্যপণ্যের দাম? ভারতের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির শেয়ারে উত্থান, টানা চার দিন কমল অপরিশোধিত তেলের দাম মেরি ক্যাসাট: ইমপ্রেশনিজমের পর যে অধ্যায়ে তৈরি হয় তাঁর সেরা শিল্পকর্ম বাণিজ্যের নতুন পথ, জলবায়ুর পুরোনো বিপদ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসায় নতুন বাস্তবতা: আর্থিক সক্ষমতার পরীক্ষায় অনিশ্চিত গ্রিন কার্ড পাকিস্তানে পেট্রোল ভর্তুকিতে ৩০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়, লক্ষ্যভিত্তিক সহায়তা নিয়ে প্রশ্ন পটিয়ায় কক্সবাজার এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রামের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব, দূরপাল্লায় ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা তৃতীয় দেশে নির্বাসন: পানামায় পাঠানো ইরানি খ্রিষ্টানের অনিশ্চিত জীবন

দিনাজপুরে নির্বাচনী উত্তাপ, বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে বিএনপির একটি নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পুতিমারী ইউনিয়নের ডলারডাঙ্গা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামী সমর্থকেরা ওই কার্যালয়ে হামলা চালান।

ঘটনাস্থল ও ক্ষয়ক্ষতি
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার সময় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার টেবিল ভেঙে ফেলা হয় এবং টাঙানো ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। এ সময় কার্যালয়ে উপস্থিত বিএনপির দুই কর্মীকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি দিনাজপুর ছয় আসনের আওতাভুক্ত এলাকায় ঘটে, যেখানে বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর উপজেলা অন্তর্ভুক্ত।

বিতর্কের সূত্রপাত যেভাবে
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, শনিবার দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সমর্থকেরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে একটি প্রচার মিছিল করেন। পরে মাগরিবের নামাজের পর জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের সমর্থকেরা বিএনপি কার্যালয়ের কাছেই সড়কসভা শুরু করেন।

তিনি আরও জানান, মাইক্রোফোন ব্যবহারের শব্দ ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সেই তর্ক হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং এরপরই বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

নিরাপত্তা জোরদার
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। নির্বাচনের মাঠে সহিংসতার অভিযোগ ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ‘বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি’ আরও দীর্ঘ করতে চান শি

দিনাজপুরে নির্বাচনী উত্তাপ, বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুরের অভিযোগ

০৩:২৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে বিএনপির একটি নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পুতিমারী ইউনিয়নের ডলারডাঙ্গা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামী সমর্থকেরা ওই কার্যালয়ে হামলা চালান।

ঘটনাস্থল ও ক্ষয়ক্ষতি
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলার সময় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার টেবিল ভেঙে ফেলা হয় এবং টাঙানো ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। এ সময় কার্যালয়ে উপস্থিত বিএনপির দুই কর্মীকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি দিনাজপুর ছয় আসনের আওতাভুক্ত এলাকায় ঘটে, যেখানে বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, ঘোড়াঘাট ও হাকিমপুর উপজেলা অন্তর্ভুক্ত।

বিতর্কের সূত্রপাত যেভাবে
নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, শনিবার দুপুরে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সমর্থকেরা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে একটি প্রচার মিছিল করেন। পরে মাগরিবের নামাজের পর জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলামের সমর্থকেরা বিএনপি কার্যালয়ের কাছেই সড়কসভা শুরু করেন।

তিনি আরও জানান, মাইক্রোফোন ব্যবহারের শব্দ ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তর্ক শুরু হয়। একপর্যায়ে সেই তর্ক হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং এরপরই বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

নিরাপত্তা জোরদার
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে উত্তেজনা আরও বেড়েছে। নির্বাচনের মাঠে সহিংসতার অভিযোগ ঘিরে প্রশাসনের ভূমিকা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।