১২:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডলি পার্টন: ভালোবাসা, গান আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য জীবন নরওয়ের রাজা হারাল্ড পঞ্চমের মৃত্যু, শোকে ওসলো বিতর্ক পেরিয়ে নতুন উচ্চতায় র‍্যাচেল জেগলার, এবার ব্রডওয়েতে ইভা পেরন শিল্পের নতুন প্রভাবশালীদের খোঁজে টাইম, ৫০ বছর পর প্রচ্ছদে জীবিত চিত্রশিল্পী ৯/১১-এর ২৫ বছর: যে ক্ষত আজও বয়ে বেড়াচ্ছে এক প্রজন্ম নিজের ঘরেও পরবাসী: ‘কারা আমাদের মানুষ’—এই প্রশ্নের রাজনীতি ট্রাম্প-শির নৈশভোজে জাঁকজমক, আড়ালে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের গভীর টানাপোড়েন ব্রিকস সম্মেলনে না যাওয়ায় লাভবান তারেক রহমান, ক্ষতি বাংলাদেশের জানুয়ারিতে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, পরীক্ষার সময় এড়িয়ে ইসির প্রস্তুতি ইতালির ব্যাংকিং খাতে নতুন শক্তি, আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান থেকে জাতীয় জায়ান্ট বিএপিইআর

ঢাকা–১১ আসনে প্রার্থিতা নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জ, কায়ুমের যোগ্যতা প্রশ্নে রিট

ঢাকা–১১ সংসদীয় আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ের মধ্যেই প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে নতুন করে আইনি বিতর্ক সামনে এসেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিএনপি প্রার্থী এম এ কায়ুমের যোগ্যতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয় গোপন রাখা এবং সম্পদের তথ্য যথাযথভাবে প্রকাশ না করার প্রশ্ন রয়েছে।

রিট আবেদনের প্রেক্ষাপট
আবেদনটি সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে দাখিল করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে কায়ুমের প্রার্থিতার ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। নাহিদ ইসলামের পক্ষে আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা জানান, চলতি সপ্তাহেই এই রিটের শুনানি হতে পারে বলে তারা আশাবাদী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযোগগুলো যাচাই করে আদালতের সিদ্ধান্তই পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকনির্দেশনা দেবে।

নির্বাচন কমিশনের আগের সিদ্ধান্ত
এর আগে নির্বাচন কমিশন ঢাকা–১১ আসনে নাহিদ ইসলাম ও এম এ কায়ুম—উভয়ের প্রার্থিতাই বৈধ ঘোষণা করেছিল। সেই সিদ্ধান্তের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কায়ুমের নাগরিকত্ব ও সম্পদসংক্রান্ত নানা দাবি ঘুরতে থাকে, যা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পথ তৈরি করে।

 

ভানুয়াটুর নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ উঠেছে, কায়ুম নাকি ভানুয়াটু প্রজাতন্ত্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন এবং সেখানে সম্পত্তির মালিক। এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন ডক্টর কায়ুম। তার দাবি, তাকে ঘিরে প্রচারিত তথ্যের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।

রাজনৈতিক প্রভাব ও পরবর্তী অপেক্ষাঢাকা–১১ আসনের এই আইনি লড়াই নির্বাচনী মাঠে বাড়তি উত্তাপ ছড়িয়েছে। আদালতের শুনানি ও রায়ের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। সিদ্ধান্ত যা-ই হোক, এই রিট মামলাকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী আলোচনায় স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডলি পার্টন: ভালোবাসা, গান আর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক অনন্য জীবন

ঢাকা–১১ আসনে প্রার্থিতা নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জ, কায়ুমের যোগ্যতা প্রশ্নে রিট

০৪:৩১:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা–১১ সংসদীয় আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ের মধ্যেই প্রার্থিতার বৈধতা নিয়ে নতুন করে আইনি বিতর্ক সামনে এসেছে। জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বিএনপি প্রার্থী এম এ কায়ুমের যোগ্যতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয় গোপন রাখা এবং সম্পদের তথ্য যথাযথভাবে প্রকাশ না করার প্রশ্ন রয়েছে।

রিট আবেদনের প্রেক্ষাপট
আবেদনটি সংশ্লিষ্ট বেঞ্চে দাখিল করা হয়েছে এবং একই সঙ্গে কায়ুমের প্রার্থিতার ওপর স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। নাহিদ ইসলামের পক্ষে আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মুসা জানান, চলতি সপ্তাহেই এই রিটের শুনানি হতে পারে বলে তারা আশাবাদী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযোগগুলো যাচাই করে আদালতের সিদ্ধান্তই পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতির দিকনির্দেশনা দেবে।

নির্বাচন কমিশনের আগের সিদ্ধান্ত
এর আগে নির্বাচন কমিশন ঢাকা–১১ আসনে নাহিদ ইসলাম ও এম এ কায়ুম—উভয়ের প্রার্থিতাই বৈধ ঘোষণা করেছিল। সেই সিদ্ধান্তের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কায়ুমের নাগরিকত্ব ও সম্পদসংক্রান্ত নানা দাবি ঘুরতে থাকে, যা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পথ তৈরি করে।

 

ভানুয়াটুর নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ উঠেছে, কায়ুম নাকি ভানুয়াটু প্রজাতন্ত্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন এবং সেখানে সম্পত্তির মালিক। এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন ডক্টর কায়ুম। তার দাবি, তাকে ঘিরে প্রচারিত তথ্যের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই।

রাজনৈতিক প্রভাব ও পরবর্তী অপেক্ষাঢাকা–১১ আসনের এই আইনি লড়াই নির্বাচনী মাঠে বাড়তি উত্তাপ ছড়িয়েছে। আদালতের শুনানি ও রায়ের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের। সিদ্ধান্ত যা-ই হোক, এই রিট মামলাকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী আলোচনায় স্বচ্ছতা ও যোগ্যতার প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।