ভিডিও গেম দুনিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় গল্প এবার পর্দায় নতুন রূপ পাচ্ছে। প্লেস্টেশনের সফল গড অব ওয়ার গেম সিরিজ অবলম্বনে তৈরি লাইভ অ্যাকশন টেলিভিশন সিরিজটি ধীরে ধীরে স্পষ্ট আকার নিচ্ছে। প্রাইম ভিডিওর এই বহুল আলোচিত প্রকল্পটি ইতিমধ্যে দুই মৌসুমের অনুমোদন পেয়েছে এবং চলতি বছরই কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে শুটিং শুরুর প্রস্তুতি চলছে।
গেমের গল্পেই শুরু সিরিজের যাত্রা
এই সিরিজে গল্প শুরু হবে দুই হাজার আঠারোর গড অব ওয়ার গেমের কাহিনি থেকে, যা পরবর্তীতে র্যাগনারক পর্বে এগিয়েছে। নর্স পুরাণের নিষ্ঠুর ও রহস্যময় প্রেক্ষাপটে বাবা ও ছেলের আবেগঘন যাত্রাই থাকবে কেন্দ্রবিন্দুতে। যুদ্ধবাজ স্পার্টান যোদ্ধা ক্রাটোস ও তার পুত্র অ্যাট্রেয়াসের সম্পর্ক, দায়িত্ব আর আত্মসংগ্রামের গল্প তুলে ধরাই এই সিরিজের মূল লক্ষ্য। অ্যাট্রেয়াস চরিত্রে কে অভিনয় করবেন, সে ঘোষণা এখনও আসেনি।

নির্মাতা ও পরিচালনায় অভিজ্ঞ মুখ
এই সিরিজের শোরানার হিসেবে দায়িত্বে আছেন রোনাল্ড ডি মুর। তিনি একই সঙ্গে প্রধান চিত্রনাট্যকার ও নির্বাহী প্রযোজক হিসেবেও যুক্ত। প্রথম দুটি পর্ব পরিচালনা করবেন এমি জয়ী পরিচালক ফ্রেডেরিক ই ও টয়। তাঁর আগের কাজ সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।
পরিচিত মুখে গড অব ওয়ারের চরিত্ররা
মূল চরিত্র ক্রাটোসের ভূমিকায় দেখা যাবে রায়ান হার্স্টকে। এর আগে তিনি র্যাগনারক গেমে থরের কণ্ঠ দিয়েছেন এবং এবার প্রথমবার লাইভ অ্যাকশনে এই যোদ্ধার চরিত্রে হাজির হচ্ছেন। নর্স দেবতা থরের চরিত্রে অভিনয় করছেন ওলাফুর ডারি ওলাফসন, যাঁর চরিত্রটি অতীতের ভারে জর্জরিত এক যুদ্ধক্লান্ত দেবতা হিসেবে উপস্থাপিত হবে। থরের স্ত্রী সিফ চরিত্রে থাকছেন তেরেসা পামার। সর্বদর্শী হেইমডাল চরিত্রে অভিনয় করছেন ম্যাক্স পার্কার।

সবচেয়ে আলোচিত চরিত্র অলফাদার ওডিনের ভূমিকায় দেখা যাবে ম্যান্ডি প্যাটিঙ্কিনকে। তিনি সিরিজের প্রধান প্রতিপক্ষ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। মিমির চরিত্রে আবারও ফিরছেন আলাস্টেয়ার ডানকান, যিনি গেম ও টিভি উভয় সংস্করণেই একই চরিত্রে অভিনয় করা প্রথম অভিনেতা হচ্ছেন। বামন ভাই সিন্ড্রি ও ব্রকের চরিত্রে অভিনয় করছেন জেফ গুলকা ও ড্যানি উডবার্ন।
প্রাইম ভিডিওর গেম সিরিজ সম্প্রসারণ
গড অব ওয়ার যুক্ত হচ্ছে প্রাইম ভিডিওর সফল ভিডিও গেমভিত্তিক সিরিজ তালিকায়। এর আগে ফলআউট সিরিজ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। পাশাপাশি টুম্ব রাইডার ও লাইফ ইজ স্ট্রেঞ্জ অবলম্বনে আরও সিরিজ নির্মাণের কাজও চলছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















