১২:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
ফেরারির বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুচে’ ঘিরে বিতর্ক, ভক্তদের ক্ষোভে চাপে কিংবদন্তি ব্র্যান্ড ইলন মাস্কের রাজনীতি নিয়ে বিতর্ক, প্রযুক্তির নায়ক নাকি বিভাজনের মুখ? ট্রাম্পের শরণার্থী নীতিতে অগ্রাধিকার আফ্রিকানারদের, বাদ পড়ছেন অন্যরা ম্যানাম্বেরি সেতু: মাদাগাস্কারের ভ্যানিলা অর্থনীতির নীরব জীবনরেখা কানাডার নতুন নাগরিকত্ব আইনে আগ্রহ বাড়ছে মার্কিনদের, আবেদন অনুমোদনে বড় উল্লম্ফন শাংরি-লা সংলাপে চীনের অনুপস্থিতি ঘিরে প্রশ্ন, এশিয়ার নিরাপত্তা আলোচনায় নতুন বিতর্ক চীনের ‘নতুন সামরিকীকরণ’ অভিযোগ উড়িয়ে দিল জাপান, পাল্টা দ্রুত অস্ত্র সম্প্রসারণের অভিযোগ বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ায় ট্যাটুশিল্পীদের দীর্ঘ লড়াইয়ের জয়, তিন দশকের নিষেধাজ্ঞার অবসান অকাস জোটের নতুন পদক্ষেপ: সমুদ্রতলের ড্রোন প্রযুক্তি আনছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া ডিজিটাল যুগে ভারতের জনশুমারি: ডাকটিকিট থেকে স্মার্টফোনে দীর্ঘ যাত্রা

নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়াবেন সিইসি, স্পিকার শূন্যতায় সাংবিধানিক পথেই নতুন সংসদের যাত্রা

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসিরউদ্দিন। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য থাকায় সংবিধানের নির্ধারিত বিধান অনুযায়ী এই দায়িত্ব তার ওপর বর্তেছে বলে সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ফলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই নতুন সংসদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

সংবিধানের বিধান ও বর্তমান বাস্তবতা

সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণভাবে বিদায়ী স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান। তবে স্পিকার বা তার মনোনীত ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথ পড়াতে না পারলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই দায়িত্ব পালন করতে হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর স্পিকারের পদত্যাগ এবং ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতির কারণে এবার সেই সাংবিধানিক বিধানই কার্যকর হচ্ছে।

১৪ দিনের সফরে কানাডায় গেলেন সিইসি

নির্ধারিত সময়সীমা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি

সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ সম্পন্ন না হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ পাঠ করাতে হবে। সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, ভোটগ্রহণের আগেই অধিবেশন কক্ষ ও শপথ কক্ষ সংস্কারের কাজ শেষ করে নবনির্বাচিত সদস্যদের বরণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ও সংসদ সচিবালয়ের মধ্যে এ বিষয়ে নিয়মিত সমন্বয় চলছে এবং একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

আইনি বৈধতা ও সম্ভাব্য জটিলতা

সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমে শপথ গ্রহণ পুরোপুরি বৈধ এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য এটি অপরিহার্য। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথ গ্রহণ সম্পন্ন না হলে সংসদের বৈধতা ও কার্যক্রম শুরু নিয়ে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

অর্ধশত বছর পূর্ণ করছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ | জাতীয় | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা  (বাসস)

নতুন সংসদ গঠনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা

আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হওয়াই সংসদ গঠনের পূর্বশর্ত। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংবিধানের নির্দেশনা মেনে সব ধরনের প্রশাসনিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যাতে কোনো সাংবিধানিক সংকট ছাড়াই নতুন সংসদ কার্যক্রম শুরু করতে পারে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেরারির বৈদ্যুতিক গাড়ি ‘লুচে’ ঘিরে বিতর্ক, ভক্তদের ক্ষোভে চাপে কিংবদন্তি ব্র্যান্ড

নবনির্বাচিত এমপিদের শপথ পড়াবেন সিইসি, স্পিকার শূন্যতায় সাংবিধানিক পথেই নতুন সংসদের যাত্রা

০৩:৪৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্ব পালন করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসিরউদ্দিন। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ শূন্য থাকায় সংবিধানের নির্ধারিত বিধান অনুযায়ী এই দায়িত্ব তার ওপর বর্তেছে বলে সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশন সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। ফলে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই নতুন সংসদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

সংবিধানের বিধান ও বর্তমান বাস্তবতা

সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণভাবে বিদায়ী স্পিকার নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান। তবে স্পিকার বা তার মনোনীত ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথ পড়াতে না পারলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এই দায়িত্ব পালন করতে হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর স্পিকারের পদত্যাগ এবং ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতির কারণে এবার সেই সাংবিধানিক বিধানই কার্যকর হচ্ছে।

১৪ দিনের সফরে কানাডায় গেলেন সিইসি

নির্ধারিত সময়সীমা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি

সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের তিন দিনের মধ্যে শপথ সম্পন্ন না হলে পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ পাঠ করাতে হবে। সংসদ সচিবালয় জানিয়েছে, ভোটগ্রহণের আগেই অধিবেশন কক্ষ ও শপথ কক্ষ সংস্কারের কাজ শেষ করে নবনির্বাচিত সদস্যদের বরণের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ও সংসদ সচিবালয়ের মধ্যে এ বিষয়ে নিয়মিত সমন্বয় চলছে এবং একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

আইনি বৈধতা ও সম্ভাব্য জটিলতা

সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মাধ্যমে শপথ গ্রহণ পুরোপুরি বৈধ এবং রাষ্ট্র পরিচালনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য এটি অপরিহার্য। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শপথ গ্রহণ সম্পন্ন না হলে সংসদের বৈধতা ও কার্যক্রম শুরু নিয়ে আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

অর্ধশত বছর পূর্ণ করছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ | জাতীয় | বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা  (বাসস)

নতুন সংসদ গঠনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা

আইন অনুযায়ী গেজেট প্রকাশের পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শপথ গ্রহণ সম্পন্ন হওয়াই সংসদ গঠনের পূর্বশর্ত। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সংবিধানের নির্দেশনা মেনে সব ধরনের প্রশাসনিক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, যাতে কোনো সাংবিধানিক সংকট ছাড়াই নতুন সংসদ কার্যক্রম শুরু করতে পারে।