চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টদের সঙ্গে পরপর ফোনালাপ তিন পরাশক্তির অবস্থান ও কৌশল সম্পর্কে নতুন আলোকপাত করেছে। বুধবার পৃথকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার এই আলোচনা এমন সময়ে হয়েছে, যখন দেশগুলো সামনাসামনি বৈঠকের প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং অভ্যন্তরীণ নানা চাপ মোকাবিলা করছে। একই সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখার চেষ্টাও এতে প্রতিফলিত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের ভিন্নমত

বিশ্লেষকদের মধ্যে এ বিষয়ে মতপার্থক্য দেখা গেছে—বিশ্ব রাজনীতিতে তীব্র পরাশক্তির প্রতিযোগিতার এই সময়ে চীন কতটা বড় ভারসাম্য রক্ষাকারী ভূমিকা নিতে পারবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। অতীতে চীনা নেতারা স্বল্প সময়ের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার নেতাদের সঙ্গে কথা বললেও একই দিনে এমন আলোচনা এই প্রথম।
জ্বালানি অর্থনীতি ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব
বেইজিংয়ের রেনমিন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক শি ইনহং এই দুই উচ্চপর্যায়ের কথোপকথনকে “বিরল হলেও বোধগম্য” বলে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, এর পেছনে প্রধান কারণ জ্বালানি অর্থনীতি এবং ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার প্রচেষ্টার ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব।
রাশিয়ার জ্বালানি অংশীদারিত্বের বার্তা
ভিডিও কলে পুতিন জোর দিয়ে বলেন, রাশিয়া চীনের জন্য “শীর্ষ জ্বালানি সরবরাহকারী”। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুই দেশের জ্বালানি অংশীদারিত্ব পারস্পরিকভাবে লাভজনক এবং প্রকৃত অর্থেই কৌশলগত।
এই ধারাবাহিক কূটনৈতিক যোগাযোগ বর্তমান বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যে চীনের অবস্থান ও ভবিষ্যৎ ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















