বাংলাদেশের সামুদ্রিক পরিবহন সক্ষমতা বাড়াতে নতুন এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের জন্য চারটি নতুন জাহাজ কেনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে একটি কাঠামো চুক্তি সই হয়েছে, যা দেশের জ্বালানি পরিবহন ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
চুক্তির আর্থিক কাঠামো ও স্বাক্ষর
রবিবার স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মোট মূল্য ধরা হয়েছে ১ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন রেনমিনবি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ হাজার ৪৮৬ কোটি টাকার সমপরিমাণ। বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিক এবং চীনের পক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন চুক্তিতে সই করেন। শিগগিরই অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ ও চীনের রপ্তানি-আমদানি ব্যাংকের মধ্যে ঋণচুক্তি সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।
কোন কোন জাহাজ আসছে বহরে
এই প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন দুটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার, একটি মাদার ট্যাংকার এবং একটি মাদার বাঙ্কার ক্যারিয়ার সংগ্রহ করবে। নতুন জাহাজগুলো যুক্ত হলে অপরিশোধিত তেল ও জরুরি পণ্য পরিবহনে সংস্থাটির সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
জ্বালানি নিরাপত্তা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব
সরকারের মতে, এই উদ্যোগ দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী করার পাশাপাশি জাতীয় উন্নয়নের গতি বাড়াতে সহায়ক হবে। স্বল্পসুদে অর্থায়নের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হওয়ায় আর্থিক চাপ ও তুলনামূলক কম থাকবে। চীনা সরকারের দেওয়া ঋণের সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ২ শতাংশ, পরিশোধ কাল ২০ বছর এবং এর মধ্যে প্রথম পাঁচ বছর থাকবে অনুগ্রহকাল।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















