বিশ্বকাপের উত্তেজনাপূর্ণ দিনে ইংল্যান্ড বড় ধাক্কার মুখে পড়েও শেষ পর্যন্ত নেপালকে হারিয়ে স্বস্তির জয় তুলে নিয়েছে। একই দিনে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে রেকর্ড গড়ে জয় পেয়েছে নিউজিল্যান্ড, আর শেষ মুহূর্তের ঝড়ো ইনিংসে লড়াইয়ে ফিরেছে শ্রীলঙ্কা। তিন ম্যাচে ছিল নাটকীয়তা, চাপ আর শেষ পর্যন্ত ফল নির্ধারণের রোমাঞ্চ।
ইংল্যান্ডের কাঁপা জয়, নেপালের লড়াকু চ্যালেঞ্জ
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটারদের বিদায়ে দলটি বিপদে পড়লে ও অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক ও জ্যাকব বেথেলের জোড়া অর্ধশতকে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। দুজনের গুরুত্বপূর্ণ জুটিতে সম্মানজনক সংগ্রহ গড়ে ওঠে। শেষ দিকে দ্রুত রান তুলে দলকে বড় লক্ষ্য এনে দেন উইল জ্যাকস।
জবাবে নেপাল দারুণ লড়াই চালায়। ওপেনারদের সূচনার পর মধ্যভাগে দৃঢ় জুটি ম্যাচে ফিরিয়ে আনে দলটিকে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য দরকার ছিল কয়েক রান, কিন্তু শেষ বলে ছক্কা হাঁকাতে না পারায় অল্পের জন্য হার মানতে হয় নেপালকে। তবু তাদের সাহসী পারফরম্যান্স ম্যাচটিকে রোমাঞ্চকর করে তোলে।
নিউজিল্যান্ডের ইতিহাস গড়া রান তাড়া
আফগানিস্তানের বড় সংগ্রহের জবাবে শুরুতেই চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। দ্রুত দুই উইকেট হারালেও টিম সেইফার্ট ও গ্লেন ফিলিপস এর জুটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। সেইফার্টের ঝড়ো অর্ধ শতক দলকে জয়ের ভিত গড়ে দেয়। পরে ড্যারিল মিচেল ও মিচেল স্যান্টনার দায়িত্ব নিয়ে নির্ধারিত সময়ের আগেই জয় নিশ্চিত করেন। বিশ্বকাপে এটিই নিউজিল্যান্ডের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়।
এর আগে আফগানিস্তানের ইনিংসে গুলবদিন নাইবের দ্রুত অর্ধশতক দলকে শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়। মাঝের জুটিতে রান বাড়লেও শেষ পর্যন্ত সেই সংগ্রহ রক্ষা করতে পারেনি তারা।
শেষ ঝড়ে শ্রীলঙ্কার লড়াইয়ে ফেরা
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে শুরুতে ধাক্কা খেয়ে চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। নিয়মিত উইকেট পড়ায় বড় সংগ্রহ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। তবে কামিন্দু মেন্ডিসের ঝড়ো ব্যাটিং ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেয়। অল্প সময়ে দ্রুত রান তুলে দলকে লড়াই করার মতো সংগ্রহ এনে দেন তিনি। তার আক্রমণাত্মক ইনিংসেই শেষ পর্যন্ত সম্মানজনক স্কোর দাঁড় করাতে সক্ষম হয় শ্রীলঙ্কা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















