০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
ইউটিউব থেকে হলিউড: নতুন প্রজন্মের পরিচালকরা কি বদলে দিচ্ছেন সিনেমার ভবিষ্যৎ? গুগলের নতুন এআই চিপে স্যামসাং? ‘আইসফিশ’ প্রকল্পে বড় চুক্তির আলোচনায় দুই প্রযুক্তি জায়ান্ট ইরান যুদ্ধের পর বদলে যাওয়া বাস্তবতা: চুক্তির দ্বারপ্রান্তে থেকেও কেন কঠিন অবস্থানে তেহরান পশ্চিমবঙ্গে তল্লাশি বিতর্ক: অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে পুলিশি অভিযানে মমতার অভিযোগ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রকে ঘিরে ইডির তল্লাশি প্রকাশ্যে নারীকে মারধরের অভিযোগে আলোচনায় যুবদল নেতা, নোয়াখালীতে ভাইরাল ভিডিও ঘুম আসছে না? ‘মনের তাস মেশানো’ কৌশলেই মিলতে পারে শান্তির ঘুম রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক সই হচ্ছে না, জানাল ইরান ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় আট মাস পর সংকুচিত যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি যারা সার্কের ঐক্য চায় না, শুধু দুই দেশের ঐক্যের কথা বললে সন্দেহ থাকবে: তথ্যমন্ত্রী

ম্যান্ডেলসন কেলেঙ্কারিতে পদত্যাগের চাপেও অনড় স্টারমার, টালমাটাল ব্রিটিশ রাজনীতি

ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ নিয়ে তীব্র বিতর্ক এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের পদত্যাগের পরও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, তিনি পদ ছাড়ছেন না। বরং রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেই দেশ পরিচালনার কাজ এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।

সহযোগীদের পদত্যাগে চাপ বাড়ছে
ডাউনিং স্ট্রিটের যোগাযোগ প্রধান টিম অ্যালান নতুন দল গঠনের সুযোগ করে দিতে পদত্যাগ করেছেন। এর একদিন আগেই স্টারমারের ঘনিষ্ঠ সহকারী মরগান ম্যাকসুইনি সরে দাঁড়ান। ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে প্রয়াত মার্কিন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের যোগাযোগ নিয়ে প্রকাশিত তথ্য এই সংকটকে আরও তীব্র করেছে। এতে স্টারমারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং সরকার পরিচালনা নিয়ে অস্বস্তি বাড়ছে লেবার শিবিরেই।

পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যান
স্টারমার কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, রাজনীতি মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে এবং সেই লক্ষ্যেই তিনি এগিয়ে যাবেন। নিজের সিদ্ধান্তের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করলেও তিনি সরে দাঁড়ানোর কোনো ইঙ্গিত দেননি। তার কার্যালয়ের মুখপাত্র ও জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালনে ই মনোযোগী এবং পদত্যাগের পরিকল্পনা নেই।

বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা
সংকটের সুযোগ নিয়ে বিরোধী কনজারভেটিভ নেতারা স্টারমারের নেতৃত্বের কঠোর সমালোচনা করছেন। তাদের অভিযোগ, তিনি সরকার পরিচালনায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন। একই সঙ্গে আর্থিক বাজারেও উদ্বেগ দেখা গেছে, কারণ নেতৃত্ব পরিবর্তনের সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

তদন্তের মুখে ম্যান্ডেলসন
মার্কিন বিচার বিভাগের নথিতে আর্থিক সংকটের সময় যুক্তরাজ্যের সম্পদ বিক্রি ও কর পরিবর্তন সংক্রান্ত আলোচনা এপস্টিনকে জানানো হয়েছিল—এমন ইঙ্গিত পাওয়ার পর ম্যান্ডেলসনকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। বর্তমানে দায়িত্বে অসদাচরণের অভিযোগে পুলিশ তদন্তের মুখে রয়েছেন তিনি। যদিও এসব অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি ম্যান্ডেলসন।

দলীয় ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা
স্টারমার লেবার দলের আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করবেন। একই সঙ্গে ম্যান্ডেলসন নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পর্কিত নথি প্রকাশের প্রতিশ্রুতি ও দিয়েছেন তিনি। তার ভাষায়, রাজনীতির প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হওয়াই সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউটিউব থেকে হলিউড: নতুন প্রজন্মের পরিচালকরা কি বদলে দিচ্ছেন সিনেমার ভবিষ্যৎ?

ম্যান্ডেলসন কেলেঙ্কারিতে পদত্যাগের চাপেও অনড় স্টারমার, টালমাটাল ব্রিটিশ রাজনীতি

১১:০০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ নিয়ে তীব্র বিতর্ক এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের পদত্যাগের পরও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, তিনি পদ ছাড়ছেন না। বরং রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেই দেশ পরিচালনার কাজ এগিয়ে নেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।

সহযোগীদের পদত্যাগে চাপ বাড়ছে
ডাউনিং স্ট্রিটের যোগাযোগ প্রধান টিম অ্যালান নতুন দল গঠনের সুযোগ করে দিতে পদত্যাগ করেছেন। এর একদিন আগেই স্টারমারের ঘনিষ্ঠ সহকারী মরগান ম্যাকসুইনি সরে দাঁড়ান। ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে প্রয়াত মার্কিন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের যোগাযোগ নিয়ে প্রকাশিত তথ্য এই সংকটকে আরও তীব্র করেছে। এতে স্টারমারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং সরকার পরিচালনা নিয়ে অস্বস্তি বাড়ছে লেবার শিবিরেই।

পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যান
স্টারমার কর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে বলেন, রাজনীতি মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে এবং সেই লক্ষ্যেই তিনি এগিয়ে যাবেন। নিজের সিদ্ধান্তের জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করলেও তিনি সরে দাঁড়ানোর কোনো ইঙ্গিত দেননি। তার কার্যালয়ের মুখপাত্র ও জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালনে ই মনোযোগী এবং পদত্যাগের পরিকল্পনা নেই।

বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা
সংকটের সুযোগ নিয়ে বিরোধী কনজারভেটিভ নেতারা স্টারমারের নেতৃত্বের কঠোর সমালোচনা করছেন। তাদের অভিযোগ, তিনি সরকার পরিচালনায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হচ্ছেন। একই সঙ্গে আর্থিক বাজারেও উদ্বেগ দেখা গেছে, কারণ নেতৃত্ব পরিবর্তনের সম্ভাবনা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।

তদন্তের মুখে ম্যান্ডেলসন
মার্কিন বিচার বিভাগের নথিতে আর্থিক সংকটের সময় যুক্তরাজ্যের সম্পদ বিক্রি ও কর পরিবর্তন সংক্রান্ত আলোচনা এপস্টিনকে জানানো হয়েছিল—এমন ইঙ্গিত পাওয়ার পর ম্যান্ডেলসনকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়। বর্তমানে দায়িত্বে অসদাচরণের অভিযোগে পুলিশ তদন্তের মুখে রয়েছেন তিনি। যদিও এসব অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি ম্যান্ডেলসন।

দলীয় ক্ষোভ প্রশমনের চেষ্টা
স্টারমার লেবার দলের আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করবেন। একই সঙ্গে ম্যান্ডেলসন নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পর্কিত নথি প্রকাশের প্রতিশ্রুতি ও দিয়েছেন তিনি। তার ভাষায়, রাজনীতির প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হওয়াই সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়।