০১:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
ভবিষ্যতের ঠিকানা কি এখন চীনে? ভূরাজনীতির ঝুঁকি: কোম্পানি কি প্রস্তুত? জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি নিউইয়র্কে মোহন ভাগবতের অনুষ্ঠান আয়োজকদের এক্স অ্যাকাউন্ট স্থগিত ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ‘টুকু আসে, টুকু যায়’—সংসদে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে রুমিনের কড়া সমালোচনা কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, ৩ মাসে মৃত্যু ২,৫০০ ছাড়িয়েছে ‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’: সুস্থভাবে বার্ধক্য মাপার নতুন বৈজ্ঞানিক সূচক নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, কবির প্রেরণায় আন্দোলনের কথা স্মরণ কাদের গনি চৌধুরী হলেন বিএসএসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক

যুক্তরাষ্ট্র‑চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়: ট্রাম্পের এপ্রিল সফর কি বড় সমঝোতার সূচনা হতে পারবে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের চীন সফর আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও কূটনীতি বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন চায়না (AmCham China) এর চেয়ারম্যান জেমস জিমারম্যান বলেন, যদিও এই সফর ব্যবসা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে, তবুও এটি দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো এককভাবে সমাধান করবে এমন আশা করা ঠিক হবে না। তিনি বলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নিরাপত্তা, পূর্বানুমানযোগ্যতা ও নিয়ম‑বিধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও সময় ছাড়া কোনো বৃহৎ সমঝোতা গড়ে ওঠা কঠিন।

James M Zimmerman (@jmzbeijing) / Posts / X

জিমারম্যানের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতির পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সুসংহত ও পূর্বানুমানযোগ্য সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা সবচেয়ে জরুরি। তিনি সতর্ক করে বলেন, মাত্র একবারের শীর্ষ নেতা বৈঠক বিরল খনিজ, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, প্রযুক্তি বাজার ও বাণিজ্য বাধাসহ জটিল ইস্যুগুলো সম্পূর্ণ সমাধান করবে না। বৈঠক বাস্তবায়িত হলেও এটি ছোট অংশে ফল দিতে পারে, কিন্তু বৃহৎ মাত্রায় দ্বিপাক্ষিক ইস্যু সমাধানে পর্যাপ্ত নয়।

বিশ্লেষকেরা মনে করেন, আগামী এপ্রিল বৈঠকে শুল্ক সংক্রান্ত এবং বিরল খনিজসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক ইস্যুতে কিছু অগ্রগতি হতে পারে, কিন্তু সম্পূর্ণ “গ্র্যান্ড বার্গেইন” আশা করা অনিশ্চিত। এর পেছনে রয়েছে উভয় পক্ষের মূল কৌশলগত অবস্থান এবং প্রতিযোগিতার কাঠামো। চীন‑যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের এই জটিলতা শুধু বাণিজ্যই নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতি, প্রযুক্তি বাজার, নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক কূটনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সফলতা ধীরে ধীরে এবং ধাপে ধাপে অর্জিত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভবিষ্যতের ঠিকানা কি এখন চীনে?

যুক্তরাষ্ট্র‑চীন সম্পর্কের নতুন অধ্যায়: ট্রাম্পের এপ্রিল সফর কি বড় সমঝোতার সূচনা হতে পারবে

০৫:২৮:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসের চীন সফর আন্তর্জাতিক অর্থনীতি ও কূটনীতি বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন চায়না (AmCham China) এর চেয়ারম্যান জেমস জিমারম্যান বলেন, যদিও এই সফর ব্যবসা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে, তবুও এটি দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো এককভাবে সমাধান করবে এমন আশা করা ঠিক হবে না। তিনি বলেন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগে নিরাপত্তা, পূর্বানুমানযোগ্যতা ও নিয়ম‑বিধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও সময় ছাড়া কোনো বৃহৎ সমঝোতা গড়ে ওঠা কঠিন।

James M Zimmerman (@jmzbeijing) / Posts / X

জিমারম্যানের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বর্তমান বিশ্ব অর্থনীতির পরিপ্রেক্ষিতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সুসংহত ও পূর্বানুমানযোগ্য সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করা সবচেয়ে জরুরি। তিনি সতর্ক করে বলেন, মাত্র একবারের শীর্ষ নেতা বৈঠক বিরল খনিজ, রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ, প্রযুক্তি বাজার ও বাণিজ্য বাধাসহ জটিল ইস্যুগুলো সম্পূর্ণ সমাধান করবে না। বৈঠক বাস্তবায়িত হলেও এটি ছোট অংশে ফল দিতে পারে, কিন্তু বৃহৎ মাত্রায় দ্বিপাক্ষিক ইস্যু সমাধানে পর্যাপ্ত নয়।

বিশ্লেষকেরা মনে করেন, আগামী এপ্রিল বৈঠকে শুল্ক সংক্রান্ত এবং বিরল খনিজসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক ইস্যুতে কিছু অগ্রগতি হতে পারে, কিন্তু সম্পূর্ণ “গ্র্যান্ড বার্গেইন” আশা করা অনিশ্চিত। এর পেছনে রয়েছে উভয় পক্ষের মূল কৌশলগত অবস্থান এবং প্রতিযোগিতার কাঠামো। চীন‑যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের এই জটিলতা শুধু বাণিজ্যই নয়, বরং বিশ্ব অর্থনীতি, প্রযুক্তি বাজার, নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক কূটনীতিতে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, সফলতা ধীরে ধীরে এবং ধাপে ধাপে অর্জিত হবে।