কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র, তবে গবেষকরা মনে করছেন এটি নিয়ন্ত্রণ ও বৈশ্বিক শাসন নিয়ে সংলাপ এবং সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে। হংকং এবং সিঙ্গাপুরের গবেষক দলটি স্থানীয় স্তরে AI নীতির ‘সঙ্গতি’ বা convergence এর ওপর আলোকপাত করেছে এবং চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের নীতি মডেল নিয়ে প্রচলিত “দ্বৈতধর্মী ও стেরিওটাইপ” ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছে।
সাবহেডিং: নীতিগত সঙ্গতির গুরুত্ব
গবেষকরা বলেন, “দুই AI মহাশক্তির মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা থাকা সত্ত্বেও নীতিগত সঙ্গতি ভবিষ্যতে সহযোগিতা এবং আলোচনার সম্ভাবনা খোলা রাখে, বিশেষ করে বৈশ্বিক প্রাসঙ্গিকতার বিষয়গুলোতে, যেমন AI শাসন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা।” এই গবেষণা Journal of Comparative Policy Analysis-এ নভেম্বর মাসে প্রকাশিত হয়।

সাবহেডিং: গবেষণায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ
গবেষণায় অংশ নেয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি, চায়নিজ ইউনিভার্সিটি অফ হংকং, হ্যাং সেনগ ইউনিভার্সিটি অফ হংকং এবং ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর।
সাবহেডিং: প্রতিযোগিতা ও প্রভাব
চীন এবং যুক্তরাষ্ট্র AI-কে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জড়িত, যা সমাজে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এই প্রতিযোগিতা শুধুমাত্র প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং অর্থনৈতিক শক্তি, জাতীয় নিরাপত্তা, সামরিক সক্ষমতা এবং বৈশ্বিক প্রভাবের ক্ষেত্রেও বিস্তৃত।

সাবহেডিং: নীতি মডেলের ধারণা
গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, AI নীতি মডেল নিয়ে একটি প্রাধান্যপ্রাপ্ত “একপাক্ষিক দৃষ্টিভঙ্গি” প্রায়ই চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের নীতিকে “কঠোর দ্বৈত” হিসাবে চিত্রিত করে। তবে এই গবেষণা দেখায় যে স্থানীয় স্তরে নীতিগত সঙ্গতির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য সহযোগিতা এবং আলোচনা চালু রাখা যেতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 









