১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগে ঘরবাড়ি পুড়ল, আহত অন্তত ২০

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ময়েন্দিয়া বাজার। শনিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই সহিংসতায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে একাধিক ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে, এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার পর পুলিশ ও সেনাসদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় দেশীয় অস্ত্রসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ৪ ঘণ্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ২৫

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মান্নান মাতুব্বর এবং সালথা উপজেলার তুহু মিয়া ও জিহাদ মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। সেই দ্বন্দ্বই শনিবার প্রকাশ্য সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সকাল প্রায় ১০টার দিকে সালথা ও বোয়ালমারী উপজেলার মাঝামাঝি অবস্থিত ময়েন্দিয়া বাজারে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা দ্রুত সহিংস আকার ধারণ করে।

অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি হামলা

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একপর্যায়ে দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর চড়াও হয়। ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে বহু পরিবার আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়।

ফরিদপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

পুলিশ ও সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ

সংবাদ পেয়ে পুলিশ ও সেনাসদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে নতুন করে উত্তেজনা না ছড়ায়।

পুলিশ জানিয়েছে, দেশীয় অস্ত্রসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ ঘটনার পর পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত স্থায়ী সমাধান ও শান্তি ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগে ঘরবাড়ি পুড়ল, আহত অন্তত ২০

০৫:২৪:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ময়েন্দিয়া বাজার। শনিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই সহিংসতায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে একাধিক ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে, এতে এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ঘটনার পর পুলিশ ও সেনাসদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় দেশীয় অস্ত্রসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ফরিদপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ৪ ঘণ্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ২৫

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্ব

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বোয়ালমারী উপজেলার পরমেশ্বরী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মান্নান মাতুব্বর এবং সালথা উপজেলার তুহু মিয়া ও জিহাদ মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় প্রভাব বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। সেই দ্বন্দ্বই শনিবার প্রকাশ্য সংঘর্ষে রূপ নেয়।

সকাল প্রায় ১০টার দিকে সালথা ও বোয়ালমারী উপজেলার মাঝামাঝি অবস্থিত ময়েন্দিয়া বাজারে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা দ্রুত সহিংস আকার ধারণ করে।

অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি হামলা

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একপর্যায়ে দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর চড়াও হয়। ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।

সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এতে বহু পরিবার আতঙ্কে বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়।

ফরিদপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ২০

পুলিশ ও সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ

সংবাদ পেয়ে পুলিশ ও সেনাসদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে নতুন করে উত্তেজনা না ছড়ায়।

পুলিশ জানিয়েছে, দেশীয় অস্ত্রসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

এ ঘটনার পর পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত স্থায়ী সমাধান ও শান্তি ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।