১২:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
১৩০ বছরের ঐতিহাসিক ঘড়ির নতুন জীবন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর উদযাপনে বিশেষ আয়োজন তুরস্ককে ৭০ কোটি ডলারের জেট ইঞ্জিন বিক্রিতে এগোচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র দুর্যোগের দিনে টিকে থাকার পাঠ: কেন বাড়ছে জরুরি প্রস্তুতির গুরুত্ব বিশ্বকাপের বল নিয়ে গোলরক্ষকদের দুশ্চিন্তা, প্রশ্নের উত্তর দিলেন জো হার্ট ২০৩৮ বিশ্বকাপ আয়োজনেও আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র, জানালেন ট্রাম্পের উপদেষ্টা সিয়াটলে ইরান-মিসর ম্যাচ ঘিরে বিতর্ক, রংধনু পতাকা নিয়ে ফিফার সিদ্ধান্তে উত্তেজনা মোজার্টের অজানা সুরের খাতা আবিষ্কার, মিলল সাতটি নতুন সংগীতকর্ম ত্যাগ চাই মর্সিয়া ক্রন্দন চাই না টেনেসি উইলিয়ামসের নাটক থেকে অপেরা: পাখি, অন্ধকার রহস্য আর গথিক আবহে নতুন রূপ ইউরোপে রেকর্ডভাঙা তাপপ্রবাহ, জলবায়ু পরিবর্তন ছাড়া ‘প্রায় অসম্ভব’ বলছেন বিজ্ঞানীরা

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম কোলম্বোতে ভারত‑পাক ম্যাচে উপস্থিত থাকছেন না

আজ কোলম্বোতে অনুষ্ঠিতব্য টি২০ বিশ্বকাপের ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের মুখোমুখি ম্যাচে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল উপস্থিত থাকবেন না। বাংলাদেশ দলের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ না করার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম সম্প্রতি কুয়েতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভা শেষে গতকাল সকালে ঢাকায় ফিরে আসেন এবং দেশের ভেতরে অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নেন। তাকে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি তার সফরের পরিকল্পনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

অংশগ্রহণ না করার পেছনের কারণ
বিসিবি সভাপতির এই সিদ্ধান্ত মূলত বাংলাদেশের দলের অনুপস্থিতির কারণে নেওয়া হয়েছে। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পাঁচটি এশীয় টেস্ট খেলা দেশের বোর্ড সভাপতিদের একত্রিত করে ম্যাচটি দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, সেই আমন্ত্রণ পাওয়ার পরও তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে দেশে থাকাই সমীচীন মনে করেছেন। তার মতে, যখন বাংলাদেশের দলই খেলায় নেই, তখন দর্শক হিসেবে উপস্থিত হওয়া যৌক্তিক নয়।

দূতস্ত কূটনৈতিক ভূমিকা এবং লাহোর আলোচনার স্মৃতি
সম্প্রতি আমিনুল ইসলাম লাহোরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও আইসিসির সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেই বৈঠকে তিনি পাকিস্তানকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত করেছিলেন। পাকিস্তান তখন বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার প্রতি প্রতিক্রিয়াস্বরূপ খেলায় অংশগ্রহণ না করার হুমকি দিয়েছিল। এই আলোচনায় তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের সেতুবন্ধন গড়ার চেষ্টা করেছিলেন।

মাঠের উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক মনোভাব
ভারত এবং পাকিস্তানের ক্রিকেট দ্বৈরথ সবসময়ই উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। আজকের ম্যাচে দর্শকরা যেমন উত্তেজনার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন, তেমনি মাঠের বাইরেও কূটনৈতিক এবং ক্রীড়া সম্পর্কের দিকগুলো চোখে পড়ার মতো। বাংলাদেশ দলের অনুপস্থিতি এবং বিসিবি সভাপতির অনুপস্থিতি এই ম্যাচকে আরও আলোচিত করেছে। ক্রিকেটের মাঠে উত্তেজনা থাকলেও প্রশাসনিক এবং কূটনৈতিক দিক থেকেও এই ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

১৩০ বছরের ঐতিহাসিক ঘড়ির নতুন জীবন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছর উদযাপনে বিশেষ আয়োজন

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম কোলম্বোতে ভারত‑পাক ম্যাচে উপস্থিত থাকছেন না

০৫:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আজ কোলম্বোতে অনুষ্ঠিতব্য টি২০ বিশ্বকাপের ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের মুখোমুখি ম্যাচে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল উপস্থিত থাকবেন না। বাংলাদেশ দলের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ না করার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম সম্প্রতি কুয়েতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভা শেষে গতকাল সকালে ঢাকায় ফিরে আসেন এবং দেশের ভেতরে অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নেন। তাকে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি তার সফরের পরিকল্পনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

অংশগ্রহণ না করার পেছনের কারণ
বিসিবি সভাপতির এই সিদ্ধান্ত মূলত বাংলাদেশের দলের অনুপস্থিতির কারণে নেওয়া হয়েছে। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পাঁচটি এশীয় টেস্ট খেলা দেশের বোর্ড সভাপতিদের একত্রিত করে ম্যাচটি দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, সেই আমন্ত্রণ পাওয়ার পরও তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে দেশে থাকাই সমীচীন মনে করেছেন। তার মতে, যখন বাংলাদেশের দলই খেলায় নেই, তখন দর্শক হিসেবে উপস্থিত হওয়া যৌক্তিক নয়।

দূতস্ত কূটনৈতিক ভূমিকা এবং লাহোর আলোচনার স্মৃতি
সম্প্রতি আমিনুল ইসলাম লাহোরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও আইসিসির সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেই বৈঠকে তিনি পাকিস্তানকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত করেছিলেন। পাকিস্তান তখন বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার প্রতি প্রতিক্রিয়াস্বরূপ খেলায় অংশগ্রহণ না করার হুমকি দিয়েছিল। এই আলোচনায় তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের সেতুবন্ধন গড়ার চেষ্টা করেছিলেন।

মাঠের উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক মনোভাব
ভারত এবং পাকিস্তানের ক্রিকেট দ্বৈরথ সবসময়ই উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। আজকের ম্যাচে দর্শকরা যেমন উত্তেজনার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন, তেমনি মাঠের বাইরেও কূটনৈতিক এবং ক্রীড়া সম্পর্কের দিকগুলো চোখে পড়ার মতো। বাংলাদেশ দলের অনুপস্থিতি এবং বিসিবি সভাপতির অনুপস্থিতি এই ম্যাচকে আরও আলোচিত করেছে। ক্রিকেটের মাঠে উত্তেজনা থাকলেও প্রশাসনিক এবং কূটনৈতিক দিক থেকেও এই ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।