০৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
জামায়াতে ইসলামি ও জামিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম ফাজল সরকারের কাছে গাজার শান্তি বোর্ড বৈঠক এড়াতে আহ্বান শারজাহ চেম্বার অব কমার্সের বছরব্যাপী সাফল্য উদযাপন: উদ্বোধন হলো শারজাহ চেম্বার মিউজিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইরান নীতি: মধ্যপ্রাচ্যে ‘ভয়ঙ্কর শক্তি’ মোতায়েন ভারতের স্বাগত বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকারের ক্ষমতায় যাত্রায়: তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়ের সূচনা জাতীয় সংসদের সাউথ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভা শপথ অনুষ্ঠান: ইতিহাসের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে নির্বাচিত জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি: ৩২ আসনে পুনঃগণনা আবশ্যক আমর একুশে বইমেলা ২০২৬: রমজানে শুরু নিয়ে প্রকাশকদের বিতর্ক রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হামলার মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ: আইসিটি ১ মার্চ ৪-এ রায় দেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা হত্যার হুমকির অভিযোগ চাপাইনবাবগঞ্জে বোমা তৈরির ঘটনায় মামলা: পাঁচজন গ্রেপ্তার

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম কোলম্বোতে ভারত‑পাক ম্যাচে উপস্থিত থাকছেন না

আজ কোলম্বোতে অনুষ্ঠিতব্য টি২০ বিশ্বকাপের ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের মুখোমুখি ম্যাচে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল উপস্থিত থাকবেন না। বাংলাদেশ দলের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ না করার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম সম্প্রতি কুয়েতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভা শেষে গতকাল সকালে ঢাকায় ফিরে আসেন এবং দেশের ভেতরে অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নেন। তাকে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি তার সফরের পরিকল্পনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

অংশগ্রহণ না করার পেছনের কারণ
বিসিবি সভাপতির এই সিদ্ধান্ত মূলত বাংলাদেশের দলের অনুপস্থিতির কারণে নেওয়া হয়েছে। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পাঁচটি এশীয় টেস্ট খেলা দেশের বোর্ড সভাপতিদের একত্রিত করে ম্যাচটি দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, সেই আমন্ত্রণ পাওয়ার পরও তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে দেশে থাকাই সমীচীন মনে করেছেন। তার মতে, যখন বাংলাদেশের দলই খেলায় নেই, তখন দর্শক হিসেবে উপস্থিত হওয়া যৌক্তিক নয়।

দূতস্ত কূটনৈতিক ভূমিকা এবং লাহোর আলোচনার স্মৃতি
সম্প্রতি আমিনুল ইসলাম লাহোরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও আইসিসির সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেই বৈঠকে তিনি পাকিস্তানকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত করেছিলেন। পাকিস্তান তখন বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার প্রতি প্রতিক্রিয়াস্বরূপ খেলায় অংশগ্রহণ না করার হুমকি দিয়েছিল। এই আলোচনায় তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের সেতুবন্ধন গড়ার চেষ্টা করেছিলেন।

মাঠের উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক মনোভাব
ভারত এবং পাকিস্তানের ক্রিকেট দ্বৈরথ সবসময়ই উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। আজকের ম্যাচে দর্শকরা যেমন উত্তেজনার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন, তেমনি মাঠের বাইরেও কূটনৈতিক এবং ক্রীড়া সম্পর্কের দিকগুলো চোখে পড়ার মতো। বাংলাদেশ দলের অনুপস্থিতি এবং বিসিবি সভাপতির অনুপস্থিতি এই ম্যাচকে আরও আলোচিত করেছে। ক্রিকেটের মাঠে উত্তেজনা থাকলেও প্রশাসনিক এবং কূটনৈতিক দিক থেকেও এই ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামায়াতে ইসলামি ও জামিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম ফাজল সরকারের কাছে গাজার শান্তি বোর্ড বৈঠক এড়াতে আহ্বান

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম কোলম্বোতে ভারত‑পাক ম্যাচে উপস্থিত থাকছেন না

০৫:৪৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আজ কোলম্বোতে অনুষ্ঠিতব্য টি২০ বিশ্বকাপের ভারতের সঙ্গে পাকিস্তানের মুখোমুখি ম্যাচে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল উপস্থিত থাকবেন না। বাংলাদেশ দলের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ না করার কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম সম্প্রতি কুয়েতে অনুষ্ঠিত এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভা শেষে গতকাল সকালে ঢাকায় ফিরে আসেন এবং দেশের ভেতরে অবস্থান করার সিদ্ধান্ত নেন। তাকে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি তার সফরের পরিকল্পনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

অংশগ্রহণ না করার পেছনের কারণ
বিসিবি সভাপতির এই সিদ্ধান্ত মূলত বাংলাদেশের দলের অনুপস্থিতির কারণে নেওয়া হয়েছে। যদিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পাঁচটি এশীয় টেস্ট খেলা দেশের বোর্ড সভাপতিদের একত্রিত করে ম্যাচটি দেখতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল, সেই আমন্ত্রণ পাওয়ার পরও তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে দেশে থাকাই সমীচীন মনে করেছেন। তার মতে, যখন বাংলাদেশের দলই খেলায় নেই, তখন দর্শক হিসেবে উপস্থিত হওয়া যৌক্তিক নয়।

দূতস্ত কূটনৈতিক ভূমিকা এবং লাহোর আলোচনার স্মৃতি
সম্প্রতি আমিনুল ইসলাম লাহোরে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও আইসিসির সঙ্গে বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেই বৈঠকে তিনি পাকিস্তানকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে অংশগ্রহণ করতে উৎসাহিত করেছিলেন। পাকিস্তান তখন বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার প্রতি প্রতিক্রিয়াস্বরূপ খেলায় অংশগ্রহণ না করার হুমকি দিয়েছিল। এই আলোচনায় তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কূটনৈতিকভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের সেতুবন্ধন গড়ার চেষ্টা করেছিলেন।

মাঠের উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক মনোভাব
ভারত এবং পাকিস্তানের ক্রিকেট দ্বৈরথ সবসময়ই উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু। আজকের ম্যাচে দর্শকরা যেমন উত্তেজনার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন, তেমনি মাঠের বাইরেও কূটনৈতিক এবং ক্রীড়া সম্পর্কের দিকগুলো চোখে পড়ার মতো। বাংলাদেশ দলের অনুপস্থিতি এবং বিসিবি সভাপতির অনুপস্থিতি এই ম্যাচকে আরও আলোচিত করেছে। ক্রিকেটের মাঠে উত্তেজনা থাকলেও প্রশাসনিক এবং কূটনৈতিক দিক থেকেও এই ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।