সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে দেশের শেয়ারবাজারে বড় ধরনের পতন দেখা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)—উভয় বাজারের প্রধান সূচক উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে, অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে এবং লেনদেনও কমে গেছে।
শেষ দিনেও ঘুরে দাঁড়াতে ব্যর্থ বাজার
বৃহস্পতিবার টানা তিন কার্যদিবসের পতনের পরও বাজারে কোনো ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যায়নি। দিনভর লাল অবস্থায় থাকার পর ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫৩ পয়েন্ট কমে লেনদেন শেষ হয়।
শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ১০ পয়েন্ট হারিয়েছে। পাশাপাশি ব্লু-চিপ সূচক ডিএস৩০ কমেছে ১২ পয়েন্ট।
বেশিরভাগ কোম্পানির দরপতন
ডিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দরপতনের আধিক্য ছিল স্পষ্ট। মোট ৩১৩টি কোম্পানির শেয়ারদর কমেছে, বিপরীতে বেড়েছে মাত্র ৪৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩৩টি কোম্পানি।
লেনদেন কমেছে উল্লেখযোগ্যভাবে
ডিএসইতে মোট লেনদেন কমে দাঁড়িয়েছে ৫৫৯ কোটি টাকা, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ৯৩৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক দিনে লেনদেন কমেছে ৩৭৬ কোটি টাকা।
ব্লক মার্কেটে ২৪টি কোম্পানির প্রায় ২৯ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংক পিএলসি সর্বোচ্চ ৬ কোটি টাকার ব্লক লেনদেন করেছে।
শীর্ষ লাভ ও ক্ষতি
ডিএসইতে রহিমা ফুড করপোরেশন লিমিটেড প্রায় ৬ শতাংশ দর বেড়ে শীর্ষ লাভকারী হয়েছে। অন্যদিকে ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড ১০ শতাংশ দর হারিয়ে দিনের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত কোম্পানি হয়েছে।
সিএসইতেও পতনের ধারাবাহিকতা
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও একই চিত্র দেখা গেছে। সেখানে প্রধান সূচক সিএএসপিআই ৭৯ পয়েন্ট কমেছে।
বন্দরনগরীর এই বাজারে লেনদেন হওয়া শেয়ারগুলোর মধ্যে ১১৩টির দর কমেছে, বেড়েছে ৪৬টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৩টি।
সিএসইতে লেনদেন কমে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩ কোটি টাকা, যা আগের দিন ছিল ২১ কোটি টাকা।
এ বাজারে প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড প্রায় ৮ শতাংশ দর বেড়ে শীর্ষে উঠেছে। বিপরীতে এনআরবি ব্যাংক পিএলসি ১০ শতাংশ দর হারিয়ে সবচেয়ে বেশি পতনের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















