সিঙ্গাপুরে যুব রক্তদাতাদের হার অব্যাহতভাবে কমছে। স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান কর্তৃপক্ষের জানুয়ারি ২০২৬ সালের তথ্যানুসারে, ২০২৫ সালে ১৬ থেকে ২৫ বছর বয়সী যুব রক্তদাতার সংখ্যা ৯,৬০০-এর বেশি, যা মোট রক্তদাতার মাত্র ১২ শতাংশ। ২০১৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ২৮ শতাংশ।
বৃদ্ধ জনসংখ্যা ও রক্তের চাহিদা বৃদ্ধি
জনসংখ্যার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রক্তের চাহিদাও বাড়বে, বিশেষ করে ৬০ বছরের ঊর্ধ্ব জনগোষ্ঠীর চিকিৎসার জন্য। এই জনসংখ্যাগত পরিবর্তন জাতীয় রক্ত কর্মসূচির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। ২০২৩ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ৬০ বছরের ঊর্ধ্ব রক্তপ্রয়োজনের প্রায় ৬০ শতাংশ চাহিদা পূরণ করে।
যুবদের উদ্বুদ্ধ করতে উদ্যোগ
চারমেইন টান, ১৮ বছর বয়সী এক যুবক, তিনবার রক্তদান করেছেন এবং তাঁর লক্ষ্য হলো সহকর্মী ও বন্ধুবৃন্দকেও উৎসাহিত করা। তিনি সিঙ্গাপুর রেড ক্রসের যুব রক্তদাতা উদ্যোগ “ইউথইনস্পায়ার”-এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে যুবদের মধ্যে রক্তদান সচেতনতা বাড়াচ্ছেন। ২০২৫ সালে হ্যালোইন থিমড ও গ্রীসি অ্যাব্রামস ফ্যান ক্লাবের রক্তদান প্রচারণায় তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন, যেখানে অংশগ্রহণকারীদের প্রায় ২০ শতাংশই রক্তদানে এগিয়ে আসে।

অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের লিনা লিম প্রফেসর বলেন, “প্রথমবার রক্তদানের পর কেন কিছু যুবক নিয়মিত রক্তদান চালায় না তা বিশ্লেষণ করে লক্ষ্যভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।” সিঙ্গাপুর রেড ক্রসও মনে করিয়ে দেয়, “দাতা অভ্যাস গড়ে তোলা সময়সাপেক্ষ, তবে এটি ভবিষ্যতের রক্ত সরবরাহকে টেকসই করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
চলতি সময়ে রক্ত সরবরাহ যথেষ্ট থাকলেও, যুবক দাতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা দীর্ঘমেয়াদী রক্ত নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















