০৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
স্থানীয় নির্বাচন সময়মতো হবে: ফখরুলের আশ্বাস প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সামাজিক মাধ্যম নিষেধাজ্ঞা বিরোধী লবি কার্যক্রম জোরালো হলো এআই প্রযুক্তিতে জনমতের আস্থা কমেছে, ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে চট্টগ্রামের হালিশহরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৯ আহত ট্রাম্পের আগাছানাশক সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ‘মাহা মমস’, ভেঙে যাচ্ছে সমর্থনের জোট চুয়াডাঙ্গায় যুবদলের নেতা ছুরিকাঘাতে আহত শিরিয়ায় ক্ষমতার পালাবদলে আইএস কারাগার ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার শঙ্কা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর হলেন আমিনুল ইসলাম অপেরা জগতের কিংবদন্তি জোসে ভ্যান ড্যামের মৃত্যু, সুরের এক যুগের অবসান মাহদী হাসানের সঙ্গে দিল্লিতে ঠিক কী হয়েছিল?

এশিয়ায় সতর্কতা, ট্রাম্পের শুল্ক ক্ষমতা সীমিত হলেও রূপকাঠামো অটুট

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের “লিবারেশন ডে” শুল্ক ব্যবস্থা বাতিল হয়েছে। তবে এশিয়ার দেশগুলো আনন্দ উদযাপনে ব্যস্ত নয়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি পুনঃস্থাপন বা তার বাণিজ্য নীতির মৌলিক পরিবর্তন হিসেবে দেখা যায় না। দীর্ঘদিনের মুক্ত বাণিজ্যের নিয়মে প্রভাব থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের এশিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি এখনো অটুট।

ফেব্রুয়ারি ২০ তারিখে সুপ্রিম কোর্ট রায়ে বলেছে যে ১৯৭৭ সালের আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন ট্রাম্পকে শুল্ক আরোপের অনুমতি দেয় না। গত বছর এপ্রিল মাসে ট্রাম্প এই আইনের আওতায় চীনের পাশাপাশি মেক্সিকো ও কানাডার উপর বিস্তৃত শুল্ক আরোপ করেছিলেন। রায়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ট্রাম্প ১৯৭৪ সালের ট্রেড আইন এর ১২২ ধারার আওতায় ১০ শতাংশ গ্লোবাল শুল্ক আরোপ করেন। এটি সর্বাধিক ১৫০ দিনের জন্য থাকবে, যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সম্প্রসারণের অনুমতি দেয়।

Will Trump's tariff chaos be China's gain in global trade wars? | Trump  tariffs | The Guardian

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প শুল্ক ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন আইনি পথ অব্যাহত রাখতে পারেন। এই কারণে এশিয়ার দেশগুলো এখনো সতর্ক। চীনের সরকারি প্রতিক্রিয়া ধীর এবং সরাসরি বক্তব্য এড়ানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আদালতের রায় ট্রাম্পের হাত দুর্বল করেছে, কিন্তু চীনের অবস্থান শক্তিশালী হওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না।

দক্ষিণ কোরিয়ায় রাষ্ট্রপতির কার্যালয় জানিয়েছে, রায় এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অবস্থান “সর্বাত্মকভাবে” পর্যালোচনা করা হবে। ম্যালয়েশিয়ার বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, দেশটি সতর্কভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং নতুন শুল্কের প্রভাব অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। তাই এশিয়ার রাজধানীগুলো ট্রাম্পকে প্ররোচিত করার ঝুঁকি এড়াতে সচেতন।

李 “캄보디아 등 초국가범죄가 국민 삶 파괴”…특별대응본부 설치한다|동아일보

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের শুল্কের লঙ্ঘন এখনো এশিয়ার জন্য একটি বড় ঝুঁকি। দেশগুলোকে তার প্রতিশোধী প্রবণতা মাথায় রেখে কৌশল নির্ধারণ করতে হবে। বাণিজ্যিক চুক্তি এবং আইনি পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে ট্রাম্পের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখাই এখনো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

স্থানীয় নির্বাচন সময়মতো হবে: ফখরুলের আশ্বাস

এশিয়ায় সতর্কতা, ট্রাম্পের শুল্ক ক্ষমতা সীমিত হলেও রূপকাঠামো অটুট

০২:৩৩:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের “লিবারেশন ডে” শুল্ক ব্যবস্থা বাতিল হয়েছে। তবে এশিয়ার দেশগুলো আনন্দ উদযাপনে ব্যস্ত নয়। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি পুনঃস্থাপন বা তার বাণিজ্য নীতির মৌলিক পরিবর্তন হিসেবে দেখা যায় না। দীর্ঘদিনের মুক্ত বাণিজ্যের নিয়মে প্রভাব থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের এশিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি এখনো অটুট।

ফেব্রুয়ারি ২০ তারিখে সুপ্রিম কোর্ট রায়ে বলেছে যে ১৯৭৭ সালের আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইন ট্রাম্পকে শুল্ক আরোপের অনুমতি দেয় না। গত বছর এপ্রিল মাসে ট্রাম্প এই আইনের আওতায় চীনের পাশাপাশি মেক্সিকো ও কানাডার উপর বিস্তৃত শুল্ক আরোপ করেছিলেন। রায়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ট্রাম্প ১৯৭৪ সালের ট্রেড আইন এর ১২২ ধারার আওতায় ১০ শতাংশ গ্লোবাল শুল্ক আরোপ করেন। এটি সর্বাধিক ১৫০ দিনের জন্য থাকবে, যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সম্প্রসারণের অনুমতি দেয়।

Will Trump's tariff chaos be China's gain in global trade wars? | Trump  tariffs | The Guardian

বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প শুল্ক ব্যবহারের জন্য বিভিন্ন আইনি পথ অব্যাহত রাখতে পারেন। এই কারণে এশিয়ার দেশগুলো এখনো সতর্ক। চীনের সরকারি প্রতিক্রিয়া ধীর এবং সরাসরি বক্তব্য এড়ানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আদালতের রায় ট্রাম্পের হাত দুর্বল করেছে, কিন্তু চীনের অবস্থান শক্তিশালী হওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না।

দক্ষিণ কোরিয়ায় রাষ্ট্রপতির কার্যালয় জানিয়েছে, রায় এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের অবস্থান “সর্বাত্মকভাবে” পর্যালোচনা করা হবে। ম্যালয়েশিয়ার বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, দেশটি সতর্কভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং নতুন শুল্কের প্রভাব অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। তাই এশিয়ার রাজধানীগুলো ট্রাম্পকে প্ররোচিত করার ঝুঁকি এড়াতে সচেতন।

李 “캄보디아 등 초국가범죄가 국민 삶 파괴”…특별대응본부 설치한다|동아일보

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের শুল্কের লঙ্ঘন এখনো এশিয়ার জন্য একটি বড় ঝুঁকি। দেশগুলোকে তার প্রতিশোধী প্রবণতা মাথায় রেখে কৌশল নির্ধারণ করতে হবে। বাণিজ্যিক চুক্তি এবং আইনি পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে ট্রাম্পের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখাই এখনো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।