মহাবীর এ প্রসঙ্গে বলেছেন-
কর্ণকৃতৌ দ্বিগুণায়াং রজ্জর্ধকৃতিং বিশোধ্য তন্ম লম্।
রজ্জর্ধে সংক্রমণীরুতে ভুজা কোটিরপি ভবতি।
অর্থাৎ কোন আয়তক্ষেত্রের বাহুদ্বয় ৫ এবং b হলে
=কর্ণ হবেঃ এবং 2a + 2b = আয়তক্ষেত্রের পরিধি হবে।
তাহলে উপযুক্ত শ্লোকের মর্মার্থ হবে

লক্ষ্যণীয় যে মহাবীরের উদাহরণটি ক্ষেত্রফলের সঙ্গে জড়িত আছে।
এই চার জোড়া সমীকরণ ছাড়াও দ্বিঘাত সহ সমীকরণের আরও দুই ধরণের দ্বিঘাত সহ সমীকরণ দেখতে পাওয়া যায়। এগুলি নারায়ণ তাঁর গণিত কৌমুদীতে দিয়েছেন।
![]()
এই দুই জোড়া সমীকরণ গণিত কৌমুদীতে দেখতে পাওয়া যায়।
ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে বীজগণিতের কতকগুলি সমীকরণকে বিশেষ পদ্ধতির সাহায্যে সমাধান করা হয়েছে এবং এই পদ্ধতিকে ‘বিষম কর্ম’ বলে উল্লেখ করা করা হয়েছে।
![]()
এই দু জোড়া সমীকরণের সমাধান ভারতীয়রা করেছিলেন এবং এই সমাধানগুলি আধুনিক গণিতের ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়

ব্রহ্মগুপ্ত এই প্রসঙ্গে বলেছেন
যোগোহন্তর যুতহীনো দ্বিহৃতঃ সংক্রমণমন্তরবিভক্তং বা।
“বর্গান্তরমন্তরযুতহীনং দ্বিহৃতং বিষমকর্ম। “
অর্থাৎ “দুটি রাশির বর্গান্তরকে রূপান্তর দিয়ে ভাগ দিয়ে যে-লব্ধি পাওয়া যাবে তার সঙ্গে রাশ্যান্তর যোগ ও হীন করে অর্ধেক নিলে সংখ্যা দুটি পাওয়া যাবে।” এখানে x² – y ² = m কে বর্গান্তর বলা হচ্ছে এবং x-y-n কে রাশ্যান্তর বলা হচ্ছে।
(চলবে)
প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৪)
প্রদীপ কুমার মজুমদার 



















