০৬:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
বাংলাদেশ ব্যাংক ঈদ উপলক্ষে নগদ সংকটে পড়া পোশাক রপ্তানিকারকদের সমর্থনের অঙ্গীকার করল ঢাবি শিক্ষার্থীরা শাহবাগ থানার সামনে বিক্ষোভ, পুলিশি হামলার প্রতিবাদ বাংলাদেশ আবারও নিশ্চিত করল সার্ক প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবনের প্রতিশ্রুতি চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ডিএসইতে পতনের মধ্যেও ডিএস৩০ বেড়ে গেছে; সিএসই সীমিত লাভে বন্ধ ট্রাম্পের শুল্ক নীতি বন্ধ! সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বিভাজন শক্তির জয় আলী হোসেন ফকির বাংলাদেশ পুলিশ প্রধান হিসেবে নিযুক্ত সৌদি আরবের রমজান খাদ্য সহায়তা পৌঁছালো বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বীমা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক উত্তেজনা নগাদের সম্ভাব্য বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে এমপি আরমানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের সঙ্গে সাক্ষাৎ

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৫)

মহাবীর এ প্রসঙ্গে বলেছেন-

কর্ণকৃতৌ দ্বিগুণায়াং রজ্জর্ধকৃতিং বিশোধ্য তন্ম লম্।
রজ্জর্ধে সংক্রমণীরুতে ভুজা কোটিরপি ভবতি।

অর্থাৎ কোন আয়তক্ষেত্রের বাহুদ্বয় ৫ এবং b হলে =কর্ণ হবেঃ এবং 2a + 2b = আয়তক্ষেত্রের পরিধি হবে।

তাহলে উপযুক্ত শ্লোকের মর্মার্থ হবে

লক্ষ্যণীয় যে মহাবীরের উদাহরণটি ক্ষেত্রফলের সঙ্গে জড়িত আছে।

এই চার জোড়া সমীকরণ ছাড়াও দ্বিঘাত সহ সমীকরণের আরও দুই ধরণের দ্বিঘাত সহ সমীকরণ দেখতে পাওয়া যায়। এগুলি নারায়ণ তাঁর গণিত কৌমুদীতে দিয়েছেন।

এই দুই জোড়া সমীকরণ গণিত কৌমুদীতে দেখতে পাওয়া যায়।

ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে বীজগণিতের কতকগুলি সমীকরণকে বিশেষ পদ্ধতির সাহায্যে সমাধান করা হয়েছে এবং এই পদ্ধতিকে ‘বিষম কর্ম’ বলে উল্লেখ করা করা হয়েছে।

এই দু জোড়া সমীকরণের সমাধান ভারতীয়রা করেছিলেন এবং এই সমাধানগুলি আধুনিক গণিতের ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়

ব্রহ্মগুপ্ত এই প্রসঙ্গে বলেছেন

যোগোহন্তর যুতহীনো দ্বিহৃতঃ সংক্রমণমন্তরবিভক্তং বা।
“বর্গান্তরমন্তরযুতহীনং দ্বিহৃতং বিষমকর্ম। “

অর্থাৎ “দুটি রাশির বর্গান্তরকে রূপান্তর দিয়ে ভাগ দিয়ে যে-লব্ধি পাওয়া যাবে তার সঙ্গে রাশ্যান্তর যোগ ও হীন করে অর্ধেক নিলে সংখ্যা দুটি পাওয়া যাবে।” এখানে x²  – y ²  = m কে বর্গান্তর বলা হচ্ছে এবং x-y-n কে রাশ্যান্তর বলা হচ্ছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৪)

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ ব্যাংক ঈদ উপলক্ষে নগদ সংকটে পড়া পোশাক রপ্তানিকারকদের সমর্থনের অঙ্গীকার করল

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৫)

০৪:৫৩:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মহাবীর এ প্রসঙ্গে বলেছেন-

কর্ণকৃতৌ দ্বিগুণায়াং রজ্জর্ধকৃতিং বিশোধ্য তন্ম লম্।
রজ্জর্ধে সংক্রমণীরুতে ভুজা কোটিরপি ভবতি।

অর্থাৎ কোন আয়তক্ষেত্রের বাহুদ্বয় ৫ এবং b হলে =কর্ণ হবেঃ এবং 2a + 2b = আয়তক্ষেত্রের পরিধি হবে।

তাহলে উপযুক্ত শ্লোকের মর্মার্থ হবে

লক্ষ্যণীয় যে মহাবীরের উদাহরণটি ক্ষেত্রফলের সঙ্গে জড়িত আছে।

এই চার জোড়া সমীকরণ ছাড়াও দ্বিঘাত সহ সমীকরণের আরও দুই ধরণের দ্বিঘাত সহ সমীকরণ দেখতে পাওয়া যায়। এগুলি নারায়ণ তাঁর গণিত কৌমুদীতে দিয়েছেন।

এই দুই জোড়া সমীকরণ গণিত কৌমুদীতে দেখতে পাওয়া যায়।

ভারতীয় গণিতশাস্ত্রে বীজগণিতের কতকগুলি সমীকরণকে বিশেষ পদ্ধতির সাহায্যে সমাধান করা হয়েছে এবং এই পদ্ধতিকে ‘বিষম কর্ম’ বলে উল্লেখ করা করা হয়েছে।

এই দু জোড়া সমীকরণের সমাধান ভারতীয়রা করেছিলেন এবং এই সমাধানগুলি আধুনিক গণিতের ভাষায় লিখলে দাঁড়ায়

ব্রহ্মগুপ্ত এই প্রসঙ্গে বলেছেন

যোগোহন্তর যুতহীনো দ্বিহৃতঃ সংক্রমণমন্তরবিভক্তং বা।
“বর্গান্তরমন্তরযুতহীনং দ্বিহৃতং বিষমকর্ম। “

অর্থাৎ “দুটি রাশির বর্গান্তরকে রূপান্তর দিয়ে ভাগ দিয়ে যে-লব্ধি পাওয়া যাবে তার সঙ্গে রাশ্যান্তর যোগ ও হীন করে অর্ধেক নিলে সংখ্যা দুটি পাওয়া যাবে।” এখানে x²  – y ²  = m কে বর্গান্তর বলা হচ্ছে এবং x-y-n কে রাশ্যান্তর বলা হচ্ছে।

(চলবে)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৪)

প্রাচীন ভারতে গণিতচর্চা (পর্ব-৩৫৪)