০৯:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
নতুন NCERT বইতে ভারত ভাগকে ‘অপরিহার্য’ বলে প্রকাশ, বিতর্কের ঝড় চীন বনাম পশ্চিমা দেশ? ওয়াং ই বললেন, কোনো দেশ ‘মানবাধিকার শিক্ষক’ নয় ঈদুল ফিতরে টানা চার দিনের ছুটি, সম্ভাব্য তারিখ জানাল বিশেষজ্ঞরা সারওয়ার আলম আবার রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব এনবিআর গঠন করল ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তুতি কমিটি ইরান উত্তেজনা চরমে, ভারতীয়দের দেশ ছাড়ার নির্দেশ; বৈরুতে মার্কিন দূতাবাসে কর্মী প্রত্যাহার ভারত ‘আইইএ’‑তে পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের পথে, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া আলোচনার কেন্দ্রে রাষ্ট্রপতির  বক্তব্যে অনেক কিছুই চেপে গেছেন: জামায়াত আমির মুকুল রায়ের মৃত্যু: বাংলার কৌশলী রাজনীতিকের শেষ অধ্যায় নগদকে ব্যক্তিখাতে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত সরকারের নীতির ওপর নির্ভর করবে

ভারত ‘আইইএ’‑তে পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের পথে, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া আলোচনার কেন্দ্রে

প্যারিসে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শক্তি এজেন্সির সাম্প্রতিক বার্ষিক মন্ত্রীসভায় ভারতের পূর্ণ সদস্যপদ প্রাপ্তির প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি স্বাগত জানানো হয়েছে। বর্তমানে ভারত আইইএ-তে সহযোগী সদস্য হিসেবে রয়েছে। তবে পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের জন্য সংস্থার প্রতিষ্ঠাবিধিতে পরিবর্তন আনতে হবে, কারণ এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (ওইসিডি) সদস্য দেশগুলিই পূর্ণ সদস্যপদ পেতে পারে।

আইইএ এবং তার মূল লক্ষ্য

আইইএ ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়েছিল বিশ্বব্যাপী তেলের সংকট মোকাবিলার জন্য। সংস্থার মূল লক্ষ্য ছিল তেলের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, ভবিষ্যতে সরবরাহ বিঘ্ন প্রতিরোধ করা এবং সদস্য দেশগুলিকে কৌশলগত তেল মজুদ বজায় রাখতে সাহায্য করা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আইইএ শুধু তেল বিষয়েই নয়, শক্তি নীতি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক শক্তি নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে শুরু করেছে।

IEA to start membership talks with India in major step forward for global  energy governance - News - IEA

ভারতের পূর্ণ সদস্যপদ প্রাপ্তির প্রচেষ্টা

ভারত কয়েক বছর ধরে পূর্ণ সদস্যপদ প্রাপ্তির চেষ্টা করছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে। ভারতের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো আইইএ-র নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া এবং বৈশ্বিক শক্তি নীতি নির্ধারণে ভূমিকা রাখা। সংস্থা ইতিমধ্যেই ভারতের LIFE (লাইফস্টাইল ফর এনভায়রনমেন্ট) উদ্যোগ সম্পর্কিত বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যা দেখিয়েছে সাধারণ জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক কার্বন নির্গমন দুই বিলিয়ন টন পর্যন্ত হ্রাস করা সম্ভব।

আইইএ-র পদক্ষেপ ও আলোচনা

ভারতের আবেদনকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে আইইএ। সংস্থার মূল কাঠামো সংশোধন করে ভারতকে পূর্ণ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়ার উপর আলোচনা চলছে। আইইএ-র বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওইসিডি সদস্য নয় এমন দেশগুলোর পূর্ণ সদস্যপদ দেওয়া সম্ভব নয়। তাই সংস্থা হয় সদস্যতার যোগ্যতার শর্ত পরিবর্তন করবে, অথবা ভারতের জন্য বিশেষ ব্যতিক্রম করে দেবে।

ভারতের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক শক্তি নীতির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। পূর্ণ সদস্যপদ পেলে ভারতের শক্তি চাহিদা এবং বৈশ্বিক শক্তি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রভাব আরও বৃদ্ধি পাবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন NCERT বইতে ভারত ভাগকে ‘অপরিহার্য’ বলে প্রকাশ, বিতর্কের ঝড়

ভারত ‘আইইএ’‑তে পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের পথে, সংবিধান সংশোধনের প্রক্রিয়া আলোচনার কেন্দ্রে

০৭:২৮:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্যারিসে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক শক্তি এজেন্সির সাম্প্রতিক বার্ষিক মন্ত্রীসভায় ভারতের পূর্ণ সদস্যপদ প্রাপ্তির প্রক্রিয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি স্বাগত জানানো হয়েছে। বর্তমানে ভারত আইইএ-তে সহযোগী সদস্য হিসেবে রয়েছে। তবে পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের জন্য সংস্থার প্রতিষ্ঠাবিধিতে পরিবর্তন আনতে হবে, কারণ এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (ওইসিডি) সদস্য দেশগুলিই পূর্ণ সদস্যপদ পেতে পারে।

আইইএ এবং তার মূল লক্ষ্য

আইইএ ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়েছিল বিশ্বব্যাপী তেলের সংকট মোকাবিলার জন্য। সংস্থার মূল লক্ষ্য ছিল তেলের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, ভবিষ্যতে সরবরাহ বিঘ্ন প্রতিরোধ করা এবং সদস্য দেশগুলিকে কৌশলগত তেল মজুদ বজায় রাখতে সাহায্য করা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আইইএ শুধু তেল বিষয়েই নয়, শক্তি নীতি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক শক্তি নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে শুরু করেছে।

IEA to start membership talks with India in major step forward for global  energy governance - News - IEA

ভারতের পূর্ণ সদস্যপদ প্রাপ্তির প্রচেষ্টা

ভারত কয়েক বছর ধরে পূর্ণ সদস্যপদ প্রাপ্তির চেষ্টা করছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে। ভারতের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো আইইএ-র নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া এবং বৈশ্বিক শক্তি নীতি নির্ধারণে ভূমিকা রাখা। সংস্থা ইতিমধ্যেই ভারতের LIFE (লাইফস্টাইল ফর এনভায়রনমেন্ট) উদ্যোগ সম্পর্কিত বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যা দেখিয়েছে সাধারণ জীবনধারার পরিবর্তনের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক কার্বন নির্গমন দুই বিলিয়ন টন পর্যন্ত হ্রাস করা সম্ভব।

আইইএ-র পদক্ষেপ ও আলোচনা

ভারতের আবেদনকে ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে আইইএ। সংস্থার মূল কাঠামো সংশোধন করে ভারতকে পূর্ণ সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়ার উপর আলোচনা চলছে। আইইএ-র বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওইসিডি সদস্য নয় এমন দেশগুলোর পূর্ণ সদস্যপদ দেওয়া সম্ভব নয়। তাই সংস্থা হয় সদস্যতার যোগ্যতার শর্ত পরিবর্তন করবে, অথবা ভারতের জন্য বিশেষ ব্যতিক্রম করে দেবে।

ভারতের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক শক্তি নীতির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। পূর্ণ সদস্যপদ পেলে ভারতের শক্তি চাহিদা এবং বৈশ্বিক শক্তি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে প্রভাব আরও বৃদ্ধি পাবে।