রমজানের প্রথম সপ্তাহ শেষ হতেই সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হয়েছে ঈদুল ফিতরের ছুটি নিয়ে জোর আলোচনা। আধ্যাত্মিক আবহে দেশজুড়ে যখন ইবাদতে ব্যস্ত মানুষ, ঠিক তখনই অনেকে পরিকল্পনা করতে শুরু করেছেন বছরের অন্যতম বড় সরকারি ছুটি ঘিরে ভ্রমণ ও পারিবারিক আয়োজন। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে নির্ধারিত হবে ঈদুল ফিতরের দিন, তবে যেকোনো পরিস্থিতিতেই টানা চার দিনের ছুটি পাওয়ার জোর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
চাঁদ দেখার দিনই নির্ধারণ করবে ঈদ
হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী রমজান নবম মাস এবং এটি ২৯ অথবা ৩০ দিন হয়ে থাকে, যা নির্ভর করে চাঁদ দেখার ওপর। রমজানের পরের মাস শাওয়াল, আর শাওয়ালের প্রথম দিনই উদযাপিত হয় ঈদুল ফিতর। এ বছর রমজানের ২৯তম দিন পড়ছে ১৮ মার্চ, বুধবার। সেদিন আকাশে চাঁদ দেখা হলে পরদিনই হবে ঈদ। আর চাঁদ না দেখা গেলে রমজান পূর্ণ হবে ৩০ দিনে।
প্রথম পরিস্থিতি, ১৮ মার্চ চাঁদ দেখা গেলে
যদি ১৮ মার্চ সন্ধ্যায় শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়, তবে ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার হবে ঈদুল ফিতর। সে ক্ষেত্রে ১৯ থেকে ২১ মার্চ পর্যন্ত সরকারি ছুটি থাকবে। যাদের সাপ্তাহিক ছুটি শনিবার ও রবিবার, তাদের জন্য রবিবার যুক্ত হয়ে মোট চার দিনের টানা ছুটির সুযোগ তৈরি হবে।
দ্বিতীয় পরিস্থিতি, চাঁদ না দেখা গেলে
যদি ১৮ মার্চ চাঁদ দেখা না যায়, তাহলে রমজান পূর্ণ হবে ৩০ দিনে এবং ঈদুল ফিতর হবে ২০ মার্চ শুক্রবার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী রমজানের ৩০তম দিনও সরকারি ছুটির অন্তর্ভুক্ত। ফলে ১৯ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত চার দিনের সরকারি ছুটি কার্যকর হবে। এ ক্ষেত্রেও মোট ছুটি দাঁড়াবে চার দিন।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব কী বলছে
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এ বছর রমজান ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সে অনুযায়ী ঈদুল ফিতর পড়তে পারে ২০ মার্চ শুক্রবার। সরকারি নামাজের সময়সূচির ক্যালেন্ডারেও রমজান ৩০ দিন ধরে হিসাব প্রকাশ করা হয়েছে এবং শাওয়ালের প্রথম দিন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ২০ মার্চ।
সব মিলিয়ে চাঁদ দেখা যেদিনই হোক, সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাসিন্দাদের জন্য ঈদুল ফিতরে টানা চার দিনের ছুটির সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















