০১:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
শি: বাংলাদেশের সঙ্গে উচ্চমানের বিআরআই সহযোগিতায় প্রস্তুত চীন গুদগুদিতে হাসে মানুষ ও বনমানুষ, মিলল হাসির বিবর্তনের ছন্দময় সূত্র ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে লণ্ডভণ্ড জনজীবন, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা বাগেরহাটে ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার: দুই মাসে হাসপাতালে ২০০-এর বেশি রোগী, রেড জোন ঘোষণা শেষ মুহূর্তের গোলে যুক্তরাষ্ট্রকে হারাল তুরস্ক, তবু গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন মার্কিনিরাই ওয়ার্শ যুগের সূচনা: এশিয়ার মুদ্রাগুলোর সামনে নতুন বাস্তবতার কঠিন পরীক্ষা ইরানের হামলায় হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা, তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি নতুন এশিয়ার ভ্রমণ মানচিত্র: বালির গল্পে দেখা যাচ্ছে আঞ্চলিক অর্থনীতির নতুন শক্তি বার্নিং ম্যান উৎসবের ইতিহাস নিয়ে আসছে এইচবিও ডকুসিরিজ সিনেমা হলকে নতুনভাবে সাজাচ্ছে সাংহাই

কোয়ালাদের ‘বিবর্তনের অভিশাপ’ ভাঙল দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া অঞ্চলের কোয়ালারা একসময় গুরুতর জিনগত সংকটে পড়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে তারা সেই সংকট কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে। গবেষকদের মতে, এই দ্রুত বিস্তার কোয়ালাদের ডিএনএ-তে নতুন পরিবর্তন এনে দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে প্রজাতিটির অভিযোজন ক্ষমতাকে শক্তিশালী করতে পারে।

জিনগত সংকট কাটিয়ে ওঠার নতুন পথ
বিজ্ঞানীরা জানান, একসময় কোয়ালাদের সংখ্যা হঠাৎ কমে যাওয়ায় তাদের জিনগত বৈচিত্র্যও সীমিত হয়ে পড়েছিল। এ ধরনের পরিস্থিতিকে জিনগত সংকট বা ‘বটলনেক’ বলা হয়। সাধারণত এই অবস্থায় কোনো প্রজাতির টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদে তা বিবর্তনের পথে বাধা সৃষ্টি করে।

কিন্তু ভিক্টোরিয়ার কোয়ালাদের ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি তাদের ডিএনএ-র ভেতরে নতুন মিউটেশন বা পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করেছে। এর ফলে জিনগত বৈচিত্র্য বাড়ছে এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাও শক্তিশালী হচ্ছে।

Koalas Nearly Lost Their Genetic Diversity But Their Comeback Is Rewriting  the Story

ডিএনএ পরিবর্তনে নতুন সম্ভাবনা
গবেষণায় দেখা গেছে, দ্রুত বিস্তার কোয়ালাদের জিনগত গঠনকে নতুনভাবে সাজিয়ে দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় নতুন জিনগত বৈশিষ্ট্য তৈরি হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে প্রজাতিটির টিকে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই উদাহরণ প্রমাণ করে যে জিনগত সংকট মানেই কোনো প্রজাতির বিবর্তনের শেষ নয়। সঠিক পরিস্থিতিতে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি সেই সংকট কাটিয়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

সব অঞ্চলে একই চিত্র নয়
তবে অস্ট্রেলিয়ার সব অঞ্চলে কোয়ালাদের অবস্থা একই রকম নয়। কুইন্সল্যান্ড এবং নিউ সাউথ ওয়েলস অঞ্চলে কোয়ালাদের সংখ্যা এখনো কমছে। এসব অঞ্চলের কোয়ালাদের জিনগত গঠনে ক্ষতিকর পরিবর্তনের মাত্রা বেশি দেখা যাচ্ছে, যা তাদের টিকে থাকার সম্ভাবনাকে আরও ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।

বিজ্ঞানীদের মতে, তাই কোয়ালাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় অঞ্চলভিত্তিক সংরক্ষণ পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জনপ্রিয় সংবাদ

শি: বাংলাদেশের সঙ্গে উচ্চমানের বিআরআই সহযোগিতায় প্রস্তুত চীন

কোয়ালাদের ‘বিবর্তনের অভিশাপ’ ভাঙল দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি

০৬:০৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া অঞ্চলের কোয়ালারা একসময় গুরুতর জিনগত সংকটে পড়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে তারা সেই সংকট কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছে। গবেষকদের মতে, এই দ্রুত বিস্তার কোয়ালাদের ডিএনএ-তে নতুন পরিবর্তন এনে দিয়েছে, যা ভবিষ্যতে প্রজাতিটির অভিযোজন ক্ষমতাকে শক্তিশালী করতে পারে।

জিনগত সংকট কাটিয়ে ওঠার নতুন পথ
বিজ্ঞানীরা জানান, একসময় কোয়ালাদের সংখ্যা হঠাৎ কমে যাওয়ায় তাদের জিনগত বৈচিত্র্যও সীমিত হয়ে পড়েছিল। এ ধরনের পরিস্থিতিকে জিনগত সংকট বা ‘বটলনেক’ বলা হয়। সাধারণত এই অবস্থায় কোনো প্রজাতির টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে এবং দীর্ঘমেয়াদে তা বিবর্তনের পথে বাধা সৃষ্টি করে।

কিন্তু ভিক্টোরিয়ার কোয়ালাদের ক্ষেত্রে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি তাদের ডিএনএ-র ভেতরে নতুন মিউটেশন বা পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করেছে। এর ফলে জিনগত বৈচিত্র্য বাড়ছে এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাও শক্তিশালী হচ্ছে।

Koalas Nearly Lost Their Genetic Diversity But Their Comeback Is Rewriting  the Story

ডিএনএ পরিবর্তনে নতুন সম্ভাবনা
গবেষণায় দেখা গেছে, দ্রুত বিস্তার কোয়ালাদের জিনগত গঠনকে নতুনভাবে সাজিয়ে দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় নতুন জিনগত বৈশিষ্ট্য তৈরি হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে প্রজাতিটির টিকে থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই উদাহরণ প্রমাণ করে যে জিনগত সংকট মানেই কোনো প্রজাতির বিবর্তনের শেষ নয়। সঠিক পরিস্থিতিতে দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি সেই সংকট কাটিয়ে ওঠার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

সব অঞ্চলে একই চিত্র নয়
তবে অস্ট্রেলিয়ার সব অঞ্চলে কোয়ালাদের অবস্থা একই রকম নয়। কুইন্সল্যান্ড এবং নিউ সাউথ ওয়েলস অঞ্চলে কোয়ালাদের সংখ্যা এখনো কমছে। এসব অঞ্চলের কোয়ালাদের জিনগত গঠনে ক্ষতিকর পরিবর্তনের মাত্রা বেশি দেখা যাচ্ছে, যা তাদের টিকে থাকার সম্ভাবনাকে আরও ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে।

বিজ্ঞানীদের মতে, তাই কোয়ালাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় অঞ্চলভিত্তিক সংরক্ষণ পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।