০৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
মালদ্বীপে ঋণঝড়: ৫০০ মিলিয়ন ডলারের সুকুক পরিশোধে চাপে অর্থনীতি ফিনল্যান্ডে ইউক্রেনীয় ড্রোন বিধ্বস্ত, সীমান্ত উত্তেজনায় নতুন শঙ্কা প্রতিদিন কফি পানেই মিলতে পারে উপকার, ১৪ দিনেই শরীরে ইতিবাচক পরিবর্তন সিলেটে হোটেল কক্ষে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার ল্যাবের গ্লাভসেই বাড়ছে মাইক্রোপ্লাস্টিক হিসাব? নতুন গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য সারাদেশে বৃষ্টি-বজ্রঝড়ের আভাস, কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের ভয়াল ভাঙন: গৃহহীন ৫০ পরিবার, ঝুঁকিতে আরও শতাধিক কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা গুলিবিদ্ধ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ সাতক্ষীরায় কালবৈশাখীর তাণ্ডব: শিলাবৃষ্টিতে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, অন্ধকারে বহু এলাকা এক-এগারোর ডিজিএফআই প্রধান আফজাল নাছের গ্রেপ্তার, জিজ্ঞাসাবাদ শুরু

ইরানের স্কুলে হামলা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি, প্রমাণে উঠে এলো ভিন্ন চিত্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার আবারও দাবি করেছেন, যুদ্ধের প্রথম দিনে ইরান নিজ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বোমা হামলা চালিয়ে ১৭৫ জন নাগরিককে হত্যা করেছে, যাদের মধ্যে অনেকেই শিশু ছিল। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

অন্যদিকে যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ঘটনার প্রকৃতি ভিন্ন ছিল। ভিডিও বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে যে একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বিদ্যালয়ের পাশের একটি নৌঘাঁটিতে আঘাত হানে।

স্কুলে হামলার জন্য ইরানকেই দায়ী করছেন ট্রাম্প

ঘটনার স্থান ও সময়

নিউ ইয়র্ক টাইমস যাচাই করা ভিডিও প্রমাণে দেখা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই একটি নৌঘাঁটি অবস্থিত ছিল।

ভিডিওতে দেখা যায়, একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি সেই নৌঘাঁটির ওপর আঘাত হানে। বিস্ফোরণের ধাক্কায় আশপাশের এলাকায়ও ক্ষয়ক্ষতি হয়, যার মধ্যে বিদ্যালয়টি ছিল।

ইরানের স্কুলে হামলার দায় সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের: প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট

বিতর্কিত দাবি

এই ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন যে ইরান নিজেই ওই বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। তার মতে, এই হামলায় ১৭৫ জন মানুষ নিহত হয়েছে এবং নিহতদের মধ্যে বহু শিশু ছিল।

তবে তার এই দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ভিডিও বিশ্লেষণে যা দেখা গেছে

নিউ ইয়র্ক টাইমসের যাচাই করা ভিডিওতে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি সরাসরি একটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। বিদ্যালয়টি সেই স্থাপনার খুব কাছাকাছি হওয়ায় বিস্ফোরণের প্রভাব সেখানে পৌঁছে যায়।

ভিডিও বিশ্লেষণ ও অবস্থান নির্ধারণের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে হামলার মূল লক্ষ্য ছিল নৌঘাঁটি, বিদ্যালয় নয়।

এই ঘটনার পর যুদ্ধের প্রাথমিক দিনগুলোর তথ্য ও দাবি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধের সময় বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য এবং বাস্তব ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মালদ্বীপে ঋণঝড়: ৫০০ মিলিয়ন ডলারের সুকুক পরিশোধে চাপে অর্থনীতি

ইরানের স্কুলে হামলা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি, প্রমাণে উঠে এলো ভিন্ন চিত্র

১২:২২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার আবারও দাবি করেছেন, যুদ্ধের প্রথম দিনে ইরান নিজ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বোমা হামলা চালিয়ে ১৭৫ জন নাগরিককে হত্যা করেছে, যাদের মধ্যে অনেকেই শিশু ছিল। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

অন্যদিকে যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ঘটনার প্রকৃতি ভিন্ন ছিল। ভিডিও বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে যে একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বিদ্যালয়ের পাশের একটি নৌঘাঁটিতে আঘাত হানে।

স্কুলে হামলার জন্য ইরানকেই দায়ী করছেন ট্রাম্প

ঘটনার স্থান ও সময়

নিউ ইয়র্ক টাইমস যাচাই করা ভিডিও প্রমাণে দেখা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই একটি নৌঘাঁটি অবস্থিত ছিল।

ভিডিওতে দেখা যায়, একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি সেই নৌঘাঁটির ওপর আঘাত হানে। বিস্ফোরণের ধাক্কায় আশপাশের এলাকায়ও ক্ষয়ক্ষতি হয়, যার মধ্যে বিদ্যালয়টি ছিল।

ইরানের স্কুলে হামলার দায় সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের: প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট

বিতর্কিত দাবি

এই ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন যে ইরান নিজেই ওই বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। তার মতে, এই হামলায় ১৭৫ জন মানুষ নিহত হয়েছে এবং নিহতদের মধ্যে বহু শিশু ছিল।

তবে তার এই দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ভিডিও বিশ্লেষণে যা দেখা গেছে

নিউ ইয়র্ক টাইমসের যাচাই করা ভিডিওতে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি সরাসরি একটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। বিদ্যালয়টি সেই স্থাপনার খুব কাছাকাছি হওয়ায় বিস্ফোরণের প্রভাব সেখানে পৌঁছে যায়।

ভিডিও বিশ্লেষণ ও অবস্থান নির্ধারণের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে হামলার মূল লক্ষ্য ছিল নৌঘাঁটি, বিদ্যালয় নয়।

এই ঘটনার পর যুদ্ধের প্রাথমিক দিনগুলোর তথ্য ও দাবি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধের সময় বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য এবং বাস্তব ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।