১১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
কিশোরদের মানসিক আশ্রয় যখন এআই: সহায়ক প্রযুক্তি নাকি নতুন ঝুঁকি? নেপালের মরদেহ শনাক্ত সংকট: এখনো নিখোঁজ ২,৪২৬ জন; ৫১৭ বিদেশি নাগরিক রাজধানীতে গ্যাস সংকট তীব্র, ৪০-৫০ টাকার গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা রংপুরে অটোরিকশাচালককে গলা কেটে হত্যা, নিখোঁজ গাড়ি উদ্ধারে অভিযান ঢাকার যানজট কমাতে ৪ মাসের সময়সীমা, করওয়ান বাজারের কাঁচাবাজার যাবে গাবতলীতে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে এখন থেকেই মানুন ৫টি সহজ অভ্যাস নিজ দলের কর্মীর সঙ্গে বিরোধ, মারধরের পর যুবদল নেতার মৃত্যু একই দিনে মনপুরার ৩ শিশু নিখোঁজ, উৎকণ্ঠায় পরিবার সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত, লড়াই হবে ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে নেপাল-তিব্বত সীমান্তের বন্যায় নিখোঁজ বন্ধু, ভেসে গেল গ্ল্যান্সির পরিচিত গ্রাম

ইরানের স্কুলে হামলা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি, প্রমাণে উঠে এলো ভিন্ন চিত্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার আবারও দাবি করেছেন, যুদ্ধের প্রথম দিনে ইরান নিজ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বোমা হামলা চালিয়ে ১৭৫ জন নাগরিককে হত্যা করেছে, যাদের মধ্যে অনেকেই শিশু ছিল। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

অন্যদিকে যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ঘটনার প্রকৃতি ভিন্ন ছিল। ভিডিও বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে যে একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বিদ্যালয়ের পাশের একটি নৌঘাঁটিতে আঘাত হানে।

স্কুলে হামলার জন্য ইরানকেই দায়ী করছেন ট্রাম্প

ঘটনার স্থান ও সময়

নিউ ইয়র্ক টাইমস যাচাই করা ভিডিও প্রমাণে দেখা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই একটি নৌঘাঁটি অবস্থিত ছিল।

ভিডিওতে দেখা যায়, একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি সেই নৌঘাঁটির ওপর আঘাত হানে। বিস্ফোরণের ধাক্কায় আশপাশের এলাকায়ও ক্ষয়ক্ষতি হয়, যার মধ্যে বিদ্যালয়টি ছিল।

ইরানের স্কুলে হামলার দায় সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের: প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট

বিতর্কিত দাবি

এই ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন যে ইরান নিজেই ওই বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। তার মতে, এই হামলায় ১৭৫ জন মানুষ নিহত হয়েছে এবং নিহতদের মধ্যে বহু শিশু ছিল।

তবে তার এই দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ভিডিও বিশ্লেষণে যা দেখা গেছে

নিউ ইয়র্ক টাইমসের যাচাই করা ভিডিওতে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি সরাসরি একটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। বিদ্যালয়টি সেই স্থাপনার খুব কাছাকাছি হওয়ায় বিস্ফোরণের প্রভাব সেখানে পৌঁছে যায়।

ভিডিও বিশ্লেষণ ও অবস্থান নির্ধারণের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে হামলার মূল লক্ষ্য ছিল নৌঘাঁটি, বিদ্যালয় নয়।

এই ঘটনার পর যুদ্ধের প্রাথমিক দিনগুলোর তথ্য ও দাবি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধের সময় বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য এবং বাস্তব ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরদের মানসিক আশ্রয় যখন এআই: সহায়ক প্রযুক্তি নাকি নতুন ঝুঁকি?

ইরানের স্কুলে হামলা নিয়ে ট্রাম্পের দাবি, প্রমাণে উঠে এলো ভিন্ন চিত্র

১২:২২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার আবারও দাবি করেছেন, যুদ্ধের প্রথম দিনে ইরান নিজ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বোমা হামলা চালিয়ে ১৭৫ জন নাগরিককে হত্যা করেছে, যাদের মধ্যে অনেকেই শিশু ছিল। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি।

অন্যদিকে যাচাই করা ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ঘটনার প্রকৃতি ভিন্ন ছিল। ভিডিও বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে যে একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বিদ্যালয়ের পাশের একটি নৌঘাঁটিতে আঘাত হানে।

স্কুলে হামলার জন্য ইরানকেই দায়ী করছেন ট্রাম্প

ঘটনার স্থান ও সময়

নিউ ইয়র্ক টাইমস যাচাই করা ভিডিও প্রমাণে দেখা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের মিনাব শহরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। সেখানে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই একটি নৌঘাঁটি অবস্থিত ছিল।

ভিডিওতে দেখা যায়, একটি টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি সেই নৌঘাঁটির ওপর আঘাত হানে। বিস্ফোরণের ধাক্কায় আশপাশের এলাকায়ও ক্ষয়ক্ষতি হয়, যার মধ্যে বিদ্যালয়টি ছিল।

ইরানের স্কুলে হামলার দায় সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের: প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট

বিতর্কিত দাবি

এই ঘটনার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন যে ইরান নিজেই ওই বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছে। তার মতে, এই হামলায় ১৭৫ জন মানুষ নিহত হয়েছে এবং নিহতদের মধ্যে বহু শিশু ছিল।

তবে তার এই দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো স্বাধীন বা যাচাইযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ভিডিও বিশ্লেষণে যা দেখা গেছে

নিউ ইয়র্ক টাইমসের যাচাই করা ভিডিওতে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি সরাসরি একটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। বিদ্যালয়টি সেই স্থাপনার খুব কাছাকাছি হওয়ায় বিস্ফোরণের প্রভাব সেখানে পৌঁছে যায়।

ভিডিও বিশ্লেষণ ও অবস্থান নির্ধারণের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে হামলার মূল লক্ষ্য ছিল নৌঘাঁটি, বিদ্যালয় নয়।

এই ঘটনার পর যুদ্ধের প্রাথমিক দিনগুলোর তথ্য ও দাবি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধের সময় বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য এবং বাস্তব ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে পার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।