০৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
মালদ্বীপে ঋণঝড়: ৫০০ মিলিয়ন ডলারের সুকুক পরিশোধে চাপে অর্থনীতি ফিনল্যান্ডে ইউক্রেনীয় ড্রোন বিধ্বস্ত, সীমান্ত উত্তেজনায় নতুন শঙ্কা প্রতিদিন কফি পানেই মিলতে পারে উপকার, ১৪ দিনেই শরীরে ইতিবাচক পরিবর্তন সিলেটে হোটেল কক্ষে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার ল্যাবের গ্লাভসেই বাড়ছে মাইক্রোপ্লাস্টিক হিসাব? নতুন গবেষণায় চমকপ্রদ তথ্য সারাদেশে বৃষ্টি-বজ্রঝড়ের আভাস, কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের ভয়াল ভাঙন: গৃহহীন ৫০ পরিবার, ঝুঁকিতে আরও শতাধিক কুষ্টিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা গুলিবিদ্ধ, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ সাতক্ষীরায় কালবৈশাখীর তাণ্ডব: শিলাবৃষ্টিতে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, অন্ধকারে বহু এলাকা এক-এগারোর ডিজিএফআই প্রধান আফজাল নাছের গ্রেপ্তার, জিজ্ঞাসাবাদ শুরু

মধ্যপ্রাচ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষায় নজরদারি বিমান পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করতে মধ্যপ্রাচ্যে একটি নজরদারি ও কমান্ড বিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুরোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তারা। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করা এবং আকাশসীমায় নজরদারি বাড়ানো।

উপসাগরীয় নিরাপত্তায় অস্ট্রেলিয়ার সহায়তা

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে মাঝারি পাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রও সরবরাহ করবে অস্ট্রেলিয়া। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, ইরানে স্থলবাহিনী মোতায়েন করার কোনো পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়ার নেই। অর্থাৎ এই সহায়তা মূলত প্রতিরক্ষা ও নজরদারি সক্ষমতা বাড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

আবারও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত আলবানিজ

ই–৭এ ‘ওয়েজটেইল’ নজরদারি বিমান

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস জানান, মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হবে একটি ই–৭এ ‘ওয়েজটেইল’ নজরদারি ও কমান্ড বিমান। এই উন্নত প্রযুক্তির বিমানটি আকাশপথে নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ এবং সমন্বিত প্রতিরক্ষা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি জানান, বিমানটির সঙ্গে প্রায় ৮৫ জন সামরিক সদস্যও মোতায়েন করা হবে। তাদের দায়িত্ব থাকবে বিমান পরিচালনা, নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা এবং মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে সহযোগিতা করতে চায় এবং আকাশপথে সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় মিত্র দেশগুলোর পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছে।

 

Richard Marles | Richard Marles said that the biggest worry is China -  Anandabazar
জনপ্রিয় সংবাদ

মালদ্বীপে ঋণঝড়: ৫০০ মিলিয়ন ডলারের সুকুক পরিশোধে চাপে অর্থনীতি

মধ্যপ্রাচ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষায় নজরদারি বিমান পাঠাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া

১২:২৭:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করতে মধ্যপ্রাচ্যে একটি নজরদারি ও কমান্ড বিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুরোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তারা। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করা এবং আকাশসীমায় নজরদারি বাড়ানো।

উপসাগরীয় নিরাপত্তায় অস্ট্রেলিয়ার সহায়তা

অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে মাঝারি পাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রও সরবরাহ করবে অস্ট্রেলিয়া। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, ইরানে স্থলবাহিনী মোতায়েন করার কোনো পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়ার নেই। অর্থাৎ এই সহায়তা মূলত প্রতিরক্ষা ও নজরদারি সক্ষমতা বাড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

আবারও অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত আলবানিজ

ই–৭এ ‘ওয়েজটেইল’ নজরদারি বিমান

অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস জানান, মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হবে একটি ই–৭এ ‘ওয়েজটেইল’ নজরদারি ও কমান্ড বিমান। এই উন্নত প্রযুক্তির বিমানটি আকাশপথে নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ এবং সমন্বিত প্রতিরক্ষা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি জানান, বিমানটির সঙ্গে প্রায় ৮৫ জন সামরিক সদস্যও মোতায়েন করা হবে। তাদের দায়িত্ব থাকবে বিমান পরিচালনা, নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা এবং মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে সহযোগিতা করতে চায় এবং আকাশপথে সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় মিত্র দেশগুলোর পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছে।

 

Richard Marles | Richard Marles said that the biggest worry is China -  Anandabazar