উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করতে মধ্যপ্রাচ্যে একটি নজরদারি ও কমান্ড বিমান পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুরোধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তারা। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষা সক্ষমতা শক্তিশালী করা এবং আকাশসীমায় নজরদারি বাড়ানো।
উপসাগরীয় নিরাপত্তায় অস্ট্রেলিয়ার সহায়তা
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতকে মাঝারি পাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রও সরবরাহ করবে অস্ট্রেলিয়া। এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উপসাগরীয় দেশগুলোর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে ব্যবহৃত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, ইরানে স্থলবাহিনী মোতায়েন করার কোনো পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়ার নেই। অর্থাৎ এই সহায়তা মূলত প্রতিরক্ষা ও নজরদারি সক্ষমতা বাড়ানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।

ই–৭এ ‘ওয়েজটেইল’ নজরদারি বিমান
অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস জানান, মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হবে একটি ই–৭এ ‘ওয়েজটেইল’ নজরদারি ও কমান্ড বিমান। এই উন্নত প্রযুক্তির বিমানটি আকাশপথে নজরদারি, তথ্য সংগ্রহ এবং সমন্বিত প্রতিরক্ষা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
তিনি জানান, বিমানটির সঙ্গে প্রায় ৮৫ জন সামরিক সদস্যও মোতায়েন করা হবে। তাদের দায়িত্ব থাকবে বিমান পরিচালনা, নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনা এবং মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদারে সহযোগিতা করতে চায় এবং আকাশপথে সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় মিত্র দেশগুলোর পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















