০১:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
বৈরুতে নতুন দফায় ইসরায়েলের ভয়াবহ বোমা হামলা, নিহত অন্তত ৭ নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি, তবে প্রকাশ্যে নীরবতা কেন পারস্য উপসাগরে মার্কিন ও ইসরায়েলি ব্যাংককে লক্ষ্য করার হুমকি, অফিস বন্ধ করল বড় আন্তর্জাতিক ব্যাংক ট্রাম্পের দাবি—১১ দিনের যুদ্ধেই ইরানের শক্তি প্রায় ধ্বংস জ্বালানি বাজারে চাপ কমাতে মজুত তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত হরমুজ প্রণালির কাছে তিনটি কার্গো জাহাজে হামলা, উত্তেজনা বাড়ছে উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানে মৃতের সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা, জাতিসংঘে দাবি ১,৩৪৮ বেসামরিক নিহত যুদ্ধের আশঙ্কায় তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়াল পারস্য উপসাগরের কয়েক দেশে ইরানের হামলা , তেহরানে ড্রোন আক্রমণে আতঙ্ক লেবাননে একের পর এক ইসরায়েলি হামলা, নিহত অন্তত ৭

হরমুজ প্রণালি বন্ধ: বিশ্ব তেল সরবরাহে বিপর্যয়, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। এই সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল ও তরলীকৃত গ্যাসের সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। প্রতিদিন বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে প্রণালিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব কেন এত বেশি

ইরান ও ওমানের মাঝখানে অবস্থিত হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত। মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরব, ইরাক ও কুয়েতের অধিকাংশ তেল রপ্তানি এই পথ দিয়েই বিশ্ববাজারে পৌঁছায়।

সংঘাতের কারণে প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই দেশগুলো তাদের তেলক্ষেত্রে উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে। কারণ জাহাজে তেল লোড করা সম্ভব না হওয়ায় উৎপাদিত তেল সংরক্ষণাগারে জমা রাখতে হচ্ছে এবং কয়েকদিনের মধ্যেই সেই সংরক্ষণাগারগুলো প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে।

হরমুজ প্রণালী বন্ধে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী

বিশ্ব জ্বালানি ব্যবস্থায় বড় ধাক্কা

বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া বৈশ্বিক জ্বালানি ব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতিগুলোর একটি। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বের অন্য কোথাও পর্যাপ্ত অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা নেই যা এই ঘাটতি পূরণ করতে পারে।

ফলে বিশ্বজুড়ে অনেক শোধনাগার তাদের মজুত তেল ব্যবহার করে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হিসেবে প্রায় চল্লিশ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার সুপারিশ করার পরিকল্পনা করছে।

তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে

সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার প্রভাব ইতিমধ্যে জ্বালানি বাজারে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি একশ ঊনিশ ডলারে পৌঁছে যায়, যা সাম্প্রতিক কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়। যদিও পরে কিছুটা কমেছে, তবুও সরবরাহ সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শুধু তেল নয়, পেট্রোল, ডিজেল, জেট জ্বালানি, প্রাকৃতিক গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার—সব ধরনের জ্বালানির দামই দ্রুত বাড়ছে।

বৈশ্বিক জ্বালানি অর্থনীতি ও তেলের মজুত: শীর্ষ চার দেশের একক আধিপত্য

বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে

জ্বালানির দাম বাড়ার ফলে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ ভোক্তা থেকে শুরু করে শিল্প ও কৃষি খাতেও। উত্তর গোলার্ধে বর্তমানে কৃষকেরা নতুন ফসল রোপণের সময় অতিরিক্ত জ্বালানি ও সার খরচের মুখে পড়ছেন।

ফলে খাদ্যদ্রব্যের দামও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য নতুন চাপ তৈরি করছে।

এশিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি

মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ও গ্যাস আমদানির ওপর এশিয়ার নির্ভরতা সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলই সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ জরুরি পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।

চীন তাদের শোধনাগারগুলোকে জ্বালানি রপ্তানি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া তিন দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো জ্বালানির দামের ওপর সীমা নির্ধারণ করেছে। অন্যদিকে জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিকল্প পথের সীমাবদ্ধতা

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিকল্প পথ হিসেবে কিছু পাইপলাইনের ব্যবহার বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। সৌদি আরব তাদের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে পাঠাচ্ছে। তবে এই পথের সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় পুরো ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব নয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি পাইপলাইনও ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহ বন্দরে তেল পাঠাতে পারে। কিন্তু সেটিও মোট রপ্তানির তুলনায় খুবই সীমিত ক্ষমতার।

লোহিত সাগরের বন্দরে লাখ লাখ ব্যারেল তেল পাঠাচ্ছে সৌদি

তেল অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্য

সংঘাতের কারণে শুধু জাহাজ চলাচলই বন্ধ হয়নি, অনেক তেল শোধনাগার ও অবকাঠামোও হামলার শিকার হয়েছে। বাহরাইনের একটি বড় শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সৌদি আরবের একটি বড় শোধনাগারও ড্রোন হামলার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এই অবকাঠামোগুলো আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শত শত জাহাজ অপেক্ষায়

বর্তমানে হরমুজ প্রণালির দুই পাশে শত শত জাহাজ নোঙর করে অপেক্ষা করছে। জ্বালানি কোম্পানি ও শিপিং সংস্থাগুলো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনো ইঙ্গিতের অপেক্ষায় রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘাত দ্রুত শেষ হলেও জাহাজ চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। পাশাপাশি ড্রোন বা অন্যান্য হামলার ঝুঁকি থাকায় ভবিষ্যতেও পরিবহন খরচ বাড়তি থাকতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বৈরুতে নতুন দফায় ইসরায়েলের ভয়াবহ বোমা হামলা, নিহত অন্তত ৭

হরমুজ প্রণালি বন্ধ: বিশ্ব তেল সরবরাহে বিপর্যয়, জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে

১১:৫০:১৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। এই সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে তেল ও তরলীকৃত গ্যাসের সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। প্রতিদিন বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে প্রণালিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

হরমুজ প্রণালির গুরুত্ব কেন এত বেশি

ইরান ও ওমানের মাঝখানে অবস্থিত হরমুজ প্রণালি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত। মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরব, ইরাক ও কুয়েতের অধিকাংশ তেল রপ্তানি এই পথ দিয়েই বিশ্ববাজারে পৌঁছায়।

সংঘাতের কারণে প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এই দেশগুলো তাদের তেলক্ষেত্রে উৎপাদন কমাতে বাধ্য হয়েছে। কারণ জাহাজে তেল লোড করা সম্ভব না হওয়ায় উৎপাদিত তেল সংরক্ষণাগারে জমা রাখতে হচ্ছে এবং কয়েকদিনের মধ্যেই সেই সংরক্ষণাগারগুলো প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে।

হরমুজ প্রণালী বন্ধে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী

বিশ্ব জ্বালানি ব্যবস্থায় বড় ধাক্কা

বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া বৈশ্বিক জ্বালানি ব্যবস্থার জন্য সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতিগুলোর একটি। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্বের অন্য কোথাও পর্যাপ্ত অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা নেই যা এই ঘাটতি পূরণ করতে পারে।

ফলে বিশ্বজুড়ে অনেক শোধনাগার তাদের মজুত তেল ব্যবহার করে উৎপাদন চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ হিসেবে প্রায় চল্লিশ কোটি ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার সুপারিশ করার পরিকল্পনা করছে।

তেলের দাম দ্রুত বেড়েছে

সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার প্রভাব ইতিমধ্যে জ্বালানি বাজারে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি একশ ঊনিশ ডলারে পৌঁছে যায়, যা সাম্প্রতিক কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়। যদিও পরে কিছুটা কমেছে, তবুও সরবরাহ সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে দাম আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শুধু তেল নয়, পেট্রোল, ডিজেল, জেট জ্বালানি, প্রাকৃতিক গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার—সব ধরনের জ্বালানির দামই দ্রুত বাড়ছে।

বৈশ্বিক জ্বালানি অর্থনীতি ও তেলের মজুত: শীর্ষ চার দেশের একক আধিপত্য

বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে

জ্বালানির দাম বাড়ার ফলে বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতির চাপ বাড়ছে। এর প্রভাব পড়ছে সাধারণ ভোক্তা থেকে শুরু করে শিল্প ও কৃষি খাতেও। উত্তর গোলার্ধে বর্তমানে কৃষকেরা নতুন ফসল রোপণের সময় অতিরিক্ত জ্বালানি ও সার খরচের মুখে পড়ছেন।

ফলে খাদ্যদ্রব্যের দামও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে, যা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য নতুন চাপ তৈরি করছে।

এশিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় ঝুঁকি

মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল ও গ্যাস আমদানির ওপর এশিয়ার নির্ভরতা সবচেয়ে বেশি হওয়ায় এই অঞ্চলই সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশ জরুরি পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে।

চীন তাদের শোধনাগারগুলোকে জ্বালানি রপ্তানি বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া তিন দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো জ্বালানির দামের ওপর সীমা নির্ধারণ করেছে। অন্যদিকে জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিকল্প পথের সীমাবদ্ধতা

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিকল্প পথ হিসেবে কিছু পাইপলাইনের ব্যবহার বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। সৌদি আরব তাদের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে পাঠাচ্ছে। তবে এই পথের সক্ষমতা সীমিত হওয়ায় পুরো ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব নয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি পাইপলাইনও ওমান উপসাগরের ফুজাইরাহ বন্দরে তেল পাঠাতে পারে। কিন্তু সেটিও মোট রপ্তানির তুলনায় খুবই সীমিত ক্ষমতার।

লোহিত সাগরের বন্দরে লাখ লাখ ব্যারেল তেল পাঠাচ্ছে সৌদি

তেল অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্য

সংঘাতের কারণে শুধু জাহাজ চলাচলই বন্ধ হয়নি, অনেক তেল শোধনাগার ও অবকাঠামোও হামলার শিকার হয়েছে। বাহরাইনের একটি বড় শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সৌদি আরবের একটি বড় শোধনাগারও ড্রোন হামলার পর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এই অবকাঠামোগুলো আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শত শত জাহাজ অপেক্ষায়

বর্তমানে হরমুজ প্রণালির দুই পাশে শত শত জাহাজ নোঙর করে অপেক্ষা করছে। জ্বালানি কোম্পানি ও শিপিং সংস্থাগুলো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কোনো ইঙ্গিতের অপেক্ষায় রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সংঘাত দ্রুত শেষ হলেও জাহাজ চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে। পাশাপাশি ড্রোন বা অন্যান্য হামলার ঝুঁকি থাকায় ভবিষ্যতেও পরিবহন খরচ বাড়তি থাকতে পারে।