১২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
বিএসটিআইতে নতুন মহাপরিচালক কাজী এমদাদুল হক: মাননিয়ন্ত্রণে নতুন গতি আসার প্রত্যাশা বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা চীনে বই পড়ার নতুন অভিযান: মোবাইল ছেড়ে পাঠে ফিরতে বলছে সরকার, কিন্তু স্বাধীনতা নিয়েই বড় প্রশ্ন চীনের ‘নিজস্ব পুলিশ কুকুর’ বিপ্লব: নিরাপত্তা থেকে জাতীয় গর্বে কুনমিংয়ের উত্থান হংকংয়ের অ্যান্টিক বাজারে লুকানো চীনের হারানো ঐতিহ্য, পাচারের অন্ধকার পথ উন্মোচন চীনের ক্ষমতার কেন্দ্রে কাই চি: শি জিনপিংয়ের ছায়াসঙ্গী নাকি ভবিষ্যতের উত্তরসূরি? আসাম ভোট ২০২৬: শুরুতেই চাপে বিরোধী শীর্ষ নেতারা, ফলাফলের আগে বাড়ছে জনমানসে উত্তেজনা আসামে ভোট গণনা শুরুতেই এগিয়ে বিজেপি, শর্মা ও গৌরব গগৈর লড়াইয়ে নজর কেরালায় ক্ষমতার পালাবদলের ইঙ্গিত, ১৪০ আসনের লড়াইয়ে এগিয়ে কংগ্রেস জোট কলকাতায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, শুরুতেই সমানে সমান তৃণমূল-বিজেপি

সমুদ্র ড্রোনে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নতুন মাত্রায়

ইরান-মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলে অন্তত দুটি
তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরকবাহী নৌ-ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো
হয়েছে বলে সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ ও বিশ্লেষকরা নিশ্চিত করেছেন।
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে কার্যকরভাবে ব্যবহৃত এই মানবহীন বিস্ফোরকবাহী
নৌযান বা ‘সী ড্রোন’য়ের প্রযুক্তি এখন হরমুজ প্রণালির জলপথে নতুন ও
বিপজ্জনক হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

প্রথম ঘটনা: এমকেডি ভ্যায়ম ট্যাংকারে হামলা

প্রথম নৌ-ড্রোন হামলাটি ঘটে ১ মার্চ। মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী
অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার ‘এমকেডি ভ্যায়ম’ ওমানের উপকূল থেকে প্রায়
৪৪ নটিক্যাল মাইল দূরে আঘাতের শিকার হয়। ব্রিটিশ সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ
ইউকেএমটিও জানায়, একটি মানবহীন সারফেস ভেসেল ওয়াটারলাইনের উপরে
ট্যাংকারে আঘাত করে, ফলে ইঞ্জিন কক্ষে বিস্ফোরণ ও আগুন লাগে। একজন
ভারতীয় নাবিক নিহত হন, বাকি ২০ জনকে উদ্ধার করা হয়। দ্বিতীয় ঘটনায়
বাহামা-পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘সোনাঙ্গোল নামিবে’ ইরাকের খোর আল-জুবেইর
বন্দরের কাছে নোঙরে থাকা অবস্থায় আঘাতের মুখে পড়ে, তবে ২৩ জন নাবিক
নিরাপদে রয়েছেন।

ওমানে তেলবাহী জাহাজে ভয়াবহ হামলা, নিহত ১ – খুলনা গেজেট | সবার আগে সঠিক খবর

সামুদ্রিক হুমকির নতুন মাত্রা

ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি ইরানের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয়, এটি হবে
ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথমবার বাণিজ্যিক জাহাজে সরাসরি নৌ-ড্রোন
ব্যবহারের নজির। মেরিটাইম নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান অ্যাম্ব্রের রবার্ট
পিটার্স বলেন, সমুদ্র ড্রোন আকাশ ড্রোনের চেয়ে বেশি বিস্ফোরক বহন করতে
পারে এবং সঠিক জায়গায় আঘাত করলে একটি জাহাজকে সম্পূর্ণ অচল করে দিতে
পারে। ইরান-সমর্থিত হুতিরা আগে লোহিত সাগরে এই কৌশল ব্যবহার করেছে,
কিন্তু ইরানের নিজেদের হাতে এই অস্ত্রের ব্যবহার পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ
করে তোলার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএসটিআইতে নতুন মহাপরিচালক কাজী এমদাদুল হক: মাননিয়ন্ত্রণে নতুন গতি আসার প্রত্যাশা

সমুদ্র ড্রোনে তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট নতুন মাত্রায়

০২:২৯:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ইরান-মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরুর পর থেকে উপসাগরীয় অঞ্চলে অন্তত দুটি
তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরকবাহী নৌ-ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানো
হয়েছে বলে সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ ও বিশ্লেষকরা নিশ্চিত করেছেন।
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে কার্যকরভাবে ব্যবহৃত এই মানবহীন বিস্ফোরকবাহী
নৌযান বা ‘সী ড্রোন’য়ের প্রযুক্তি এখন হরমুজ প্রণালির জলপথে নতুন ও
বিপজ্জনক হুমকি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

প্রথম ঘটনা: এমকেডি ভ্যায়ম ট্যাংকারে হামলা

প্রথম নৌ-ড্রোন হামলাটি ঘটে ১ মার্চ। মার্শাল আইল্যান্ডের পতাকাবাহী
অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকার ‘এমকেডি ভ্যায়ম’ ওমানের উপকূল থেকে প্রায়
৪৪ নটিক্যাল মাইল দূরে আঘাতের শিকার হয়। ব্রিটিশ সামুদ্রিক কর্তৃপক্ষ
ইউকেএমটিও জানায়, একটি মানবহীন সারফেস ভেসেল ওয়াটারলাইনের উপরে
ট্যাংকারে আঘাত করে, ফলে ইঞ্জিন কক্ষে বিস্ফোরণ ও আগুন লাগে। একজন
ভারতীয় নাবিক নিহত হন, বাকি ২০ জনকে উদ্ধার করা হয়। দ্বিতীয় ঘটনায়
বাহামা-পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘সোনাঙ্গোল নামিবে’ ইরাকের খোর আল-জুবেইর
বন্দরের কাছে নোঙরে থাকা অবস্থায় আঘাতের মুখে পড়ে, তবে ২৩ জন নাবিক
নিরাপদে রয়েছেন।

ওমানে তেলবাহী জাহাজে ভয়াবহ হামলা, নিহত ১ – খুলনা গেজেট | সবার আগে সঠিক খবর

সামুদ্রিক হুমকির নতুন মাত্রা

ব্রিটিশ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি ইরানের সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হয়, এটি হবে
ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথমবার বাণিজ্যিক জাহাজে সরাসরি নৌ-ড্রোন
ব্যবহারের নজির। মেরিটাইম নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান অ্যাম্ব্রের রবার্ট
পিটার্স বলেন, সমুদ্র ড্রোন আকাশ ড্রোনের চেয়ে বেশি বিস্ফোরক বহন করতে
পারে এবং সঠিক জায়গায় আঘাত করলে একটি জাহাজকে সম্পূর্ণ অচল করে দিতে
পারে। ইরান-সমর্থিত হুতিরা আগে লোহিত সাগরে এই কৌশল ব্যবহার করেছে,
কিন্তু ইরানের নিজেদের হাতে এই অস্ত্রের ব্যবহার পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ
করে তোলার ইঙ্গিত দিচ্ছে।