যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ তুলেছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি দাবি করেছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি স্থান ব্যবহার করে খার্গ দ্বীপ ও আবু মুসা দ্বীপে হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।
খার্গ হামলা নিয়ে ইরানের অভিযোগ
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির বক্তব্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল খাইমাহ এবং দুবাইয়ের খুব কাছাকাছি একটি স্থান থেকে হামলা চালায়। তার দাবি, ওই দুই জায়গা ব্যবহার করে খার্গ দ্বীপ এবং আবু মুসা দ্বীপে আঘাত হানা হয়েছে।
আরাঘচি এই পদক্ষেপকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ইরান পরিস্থিতি সামাল দিতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং জনবসতিপূর্ণ কোনো এলাকায় হামলা এড়ানোর চেষ্টা করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া
মার্কিন সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড এই অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থার বরাতে জানা গেছে, তারা বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান জানাতে রাজি হয়নি।
আমিরাতের অবস্থান
এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের এক কূটনৈতিক উপদেষ্টা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, দেশটির আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তারা যুক্তি ও সংযমকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সতর্কতা বজায় রাখছে।

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে উত্তেজনা বৃদ্ধি
গত দুই সপ্তাহ ধরে চলমান সংঘাতে ইরান উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে শত শত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। ইরানের দাবি, এসব হামলার লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সম্পদ ও ঘাঁটি।
তবে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই হামলার কিছু অংশ বেসামরিক স্থাপনাকেও স্পর্শ করেছে অথবা করার চেষ্টা হয়েছে। এর মধ্যে বিমানবন্দর ও তেলক্ষেত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















