০১:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
রাশিয়ার ‘প্রতিবেশী আগে’ জ্বালানি নীতি: ইউরোপকে পিছনে ফেলে এশিয়ায় নতুন সমীকরণ ইরান যুদ্ধের ধাক্কা, ইউরোপে জ্বালানি সংকটের শঙ্কা—পরের মাসেই চাপ বাড়তে পারে ইরানের কড়া বার্তা: যুদ্ধবিরতি নয়, ‘কৌশলগত লক্ষ্য’ পূরণ না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চলবে চীনের চাপের মুখে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া: প্রবৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি থেকে সংকটের বাস্তবতা চীনে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী মনোভাব তীব্র, তাইওয়ান ইস্যুতে যুদ্ধসমর্থন বাড়ছে সালিশ বৈঠকে কুপিয়ে হত্যা, মাদারীপুরে উত্তেজনা—অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুন দৌলতদিয়ায় পদ্মায় বাস দুর্ঘটনা: ১৪ লাশ উদ্ধার, এখনও নিখোঁজ যাত্রীদের খোঁজ চলছে যশোরে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে প্রাণ গেল গৃহবধূর ৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে আকাশপথে বিপ্লব: ভারতের নতুন পরিকল্পনায় বাড়বে বিমান যোগাযোগ ভারতে ভুয়া অ্যাপ ঠেকাতে গুগলের নতুন পদক্ষেপ, বিনিয়োগ অ্যাপে আসছে যাচাইকৃত চিহ্ন

৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে আকাশপথে বিপ্লব: ভারতের নতুন পরিকল্পনায় বাড়বে বিমান যোগাযোগ

ভারতের দ্রুত বর্ধনশীল বিমান খাতকে আরও শক্তিশালী করতে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের বড় পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটির সরকার। মূল লক্ষ্য, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও কম সংযুক্ত অঞ্চলে বিমান যোগাযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে নতুন গতি আনা।

আঞ্চলিক সংযোগে জোর

নতুন পরিকল্পনার আওতায় দেশের বিভিন্ন অনুন্নত ও কম সেবা পাওয়া এলাকায় বিমান চলাচল বাড়ানো হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য বিমান ভ্রমণ আরও সহজলভ্য করার চেষ্টা করা হচ্ছে। “উড়ে দেশ কা আম নাগরিক” কর্মসূচির সংশোধিত সংস্করণে আরও বিস্তৃত পরিসরে সংযোগ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

'SemiconIndia 2023', India’s annual semiconductor conference, in Gandhinagar

নতুন বিমানবন্দর ও ভর্তুকি

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আরও ১০০টি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব রুট বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক নয়, সেসব রুটে বিমান চলাচল চালু রাখতে এয়ারলাইন্সগুলিকে ভর্তুকি দেওয়া হবে। মোট প্রায় ১.০৭ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে, যা এই খাতকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য

২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে শুরু হয়ে ২০৩৫-৩৬ পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। সরকারের বৃহৎ লক্ষ্য হলো ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশের বিমানবন্দরের সংখ্যা ৩৫০ থেকে ৪০০-তে উন্নীত করা, যেখানে ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ১৬৩।

India to invest around US$3bil to boost air connectivity | The Star

অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে প্রভাব

বিমান খাতে এই বড় বিনিয়োগকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, পর্যটন খাতের সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক উন্নয়নে এই উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। তবে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও কর-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ এখনও বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

রাশিয়ার ‘প্রতিবেশী আগে’ জ্বালানি নীতি: ইউরোপকে পিছনে ফেলে এশিয়ায় নতুন সমীকরণ

৩ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগে আকাশপথে বিপ্লব: ভারতের নতুন পরিকল্পনায় বাড়বে বিমান যোগাযোগ

১১:৪৮:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

ভারতের দ্রুত বর্ধনশীল বিমান খাতকে আরও শক্তিশালী করতে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের বড় পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটির সরকার। মূল লক্ষ্য, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও কম সংযুক্ত অঞ্চলে বিমান যোগাযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে নতুন গতি আনা।

আঞ্চলিক সংযোগে জোর

নতুন পরিকল্পনার আওতায় দেশের বিভিন্ন অনুন্নত ও কম সেবা পাওয়া এলাকায় বিমান চলাচল বাড়ানো হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য বিমান ভ্রমণ আরও সহজলভ্য করার চেষ্টা করা হচ্ছে। “উড়ে দেশ কা আম নাগরিক” কর্মসূচির সংশোধিত সংস্করণে আরও বিস্তৃত পরিসরে সংযোগ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

'SemiconIndia 2023', India’s annual semiconductor conference, in Gandhinagar

নতুন বিমানবন্দর ও ভর্তুকি

এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আরও ১০০টি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব রুট বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক নয়, সেসব রুটে বিমান চলাচল চালু রাখতে এয়ারলাইন্সগুলিকে ভর্তুকি দেওয়া হবে। মোট প্রায় ১.০৭ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে, যা এই খাতকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য

২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে শুরু হয়ে ২০৩৫-৩৬ পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। সরকারের বৃহৎ লক্ষ্য হলো ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশের বিমানবন্দরের সংখ্যা ৩৫০ থেকে ৪০০-তে উন্নীত করা, যেখানে ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ১৬৩।

India to invest around US$3bil to boost air connectivity | The Star

অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে প্রভাব

বিমান খাতে এই বড় বিনিয়োগকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, পর্যটন খাতের সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক উন্নয়নে এই উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। তবে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও কর-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ এখনও বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে।