ভারতের দ্রুত বর্ধনশীল বিমান খাতকে আরও শক্তিশালী করতে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের বড় পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটির সরকার। মূল লক্ষ্য, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত ও কম সংযুক্ত অঞ্চলে বিমান যোগাযোগ বাড়িয়ে অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে নতুন গতি আনা।
আঞ্চলিক সংযোগে জোর
নতুন পরিকল্পনার আওতায় দেশের বিভিন্ন অনুন্নত ও কম সেবা পাওয়া এলাকায় বিমান চলাচল বাড়ানো হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য বিমান ভ্রমণ আরও সহজলভ্য করার চেষ্টা করা হচ্ছে। “উড়ে দেশ কা আম নাগরিক” কর্মসূচির সংশোধিত সংস্করণে আরও বিস্তৃত পরিসরে সংযোগ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন বিমানবন্দর ও ভর্তুকি
এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আরও ১০০টি নতুন বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যেসব রুট বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক নয়, সেসব রুটে বিমান চলাচল চালু রাখতে এয়ারলাইন্সগুলিকে ভর্তুকি দেওয়া হবে। মোট প্রায় ১.০৭ বিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে, যা এই খাতকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।
দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য
২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে শুরু হয়ে ২০৩৫-৩৬ পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। সরকারের বৃহৎ লক্ষ্য হলো ২০৪৭ সালের মধ্যে দেশের বিমানবন্দরের সংখ্যা ৩৫০ থেকে ৪০০-তে উন্নীত করা, যেখানে ২০২৫ সালে এই সংখ্যা ছিল ১৬৩।

অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানে প্রভাব
বিমান খাতে এই বড় বিনিয়োগকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, পর্যটন খাতের সম্প্রসারণ এবং আঞ্চলিক উন্নয়নে এই উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। তবে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও কর-সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ এখনও বড় বাধা হিসেবে রয়ে গেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















