মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার
মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার প্রায় ২,৫০০ মেরিন সদস্য মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছেছেন। তাদের সঙ্গে রয়েছেন আরও ২,৫০০ জন মার্কিন নৌসেনা। এই বাহিনীটি ইউএসএস ট্রিপোলি অ্যাম্ফিবিয়াস রেডি গ্রুপের অংশ, যারা সাধারণত জাপানের ওকিনাওয়ায় অবস্থান করে।
হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার লক্ষ্য
এই মোতায়েনকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরানের হামলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি অনেকাংশে অচল হয়ে পড়েছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাব ফেলছে।
মেরিনদের ভূমিকা নিয়ে অনিশ্চয়তা
মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছানোর পর মেরিনদের সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব এখনো পরিষ্কার নয়। তবে সাম্প্রতিক মার্কিন বিমান হামলার কারণে ইরান তাদের বড় নৌযান ব্যবহার কমিয়ে দ্রুতগতির ছোট নৌকা ব্যবহার শুরু করেছে। এসব নৌকায় মাইন বহনের সক্ষমতা রয়েছে এবং এগুলো সহজেই বিমান নজরদারি এড়াতে পারে।
ইরানের নতুন কৌশল
ইরান এসব ছোট নৌকা কাছাকাছি দ্বীপপুঞ্জ থেকে পরিচালনা করছে, যা হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী হওয়ায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই পদ্ধতি মার্কিন বাহিনীর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।
সম্ভাব্য সামরিক অভিযান
মেরিনদের উপস্থিতির ফলে পেন্টাগন দ্রুত এসব দ্বীপে অভিযান চালাতে সক্ষম হবে বলে মনে করছেন সামরিক বিশ্লেষকরা। স্থলবাহিনী, সরবরাহ ব্যবস্থা এবং আকাশ সহায়তা নিয়ে এসব অভিযান পরিচালিত হতে পারে।
তবে পুরো দ্বীপপুঞ্জ দখল বা পরিষ্কার করা সময়সাপেক্ষ এবং জটিল হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















