মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সৌদি আরবের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক গোয়েন্দা বিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। এই ঘটনার পর আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
কী ঘটেছে সৌদি ঘাঁটিতে
ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান এয়ার বেসে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়। রাজধানী রিয়াদের কাছাকাছি অবস্থিত এই ঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ বিমান মোতায়েন ছিল। ইরানের দাবি, এই হামলায় একটি ই-থ্রি সেন্ট্রি ধরনের গোয়েন্দা ও নিয়ন্ত্রণ বিমান সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।
হামলার মাত্রা ও ক্ষয়ক্ষতি
প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হামলায় একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রায় ত্রিশটি ড্রোন ব্যবহার করা হয়। এতে অন্তত পনেরো মার্কিন সেনা আহত হয়েছে বলে জানা গেছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি সামরিক বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

কেন এই হামলা
ইরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এই হামলা চালানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন উপস্থিতি বাড়ানো এবং বিভিন্ন পদক্ষেপের জবাব দিতেই এই আঘাত বলে তাদের বক্তব্য।
গোয়েন্দা বিমানের গুরুত্ব
ই-থ্রি সেন্ট্রি বিমানকে আকাশে থাকা একটি মোবাইল কমান্ড সেন্টার বলা হয়। এটি সব ধরনের আবহাওয়ায় নজরদারি, যোগাযোগ ও যুদ্ধ পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বহু বছর পুরোনো হলেও এই ধরনের বিমান এখনো মার্কিন সামরিক কৌশলের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়া ও নীরবতা
ঘটনার পর মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। তবে বিভিন্ন সূত্রে এই ধরনের একটি বিমানের ক্ষতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। একই সময়ে আঞ্চলিক দেশগুলো উত্তেজনা কমাতে উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে।
বাড়ছে উত্তেজনা
গত এক সপ্তাহে একই ঘাঁটিতে একাধিকবার হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ক্রমেই তীব্র আকার নিচ্ছে এবং বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা বাড়ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















