পাকিস্তানে মার্কিন-ইরান শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরদিনই গতকাল সোমবার সকাল ১০টা (নিউইয়র্ক সময়) থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ কার্যকর হয়েছে। ইরানের বন্দরে প্রবেশ বা বের হওয়া সব জাহাজ আটকানো হবে বলে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে।
ট্রাম্পের ঘোষণা ও হুঁশিয়ারি
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “এখন থেকে অবরোধ শুরু।” যে জাহাজগুলো ইরানকে “অবৈধ টোল” দিয়ে হরমুজ পার হয়েছে, সেগুলোও আটকানো হবে। ইরানের যে কোনো জাহাজ আন্তর্জাতিক জলসীমায় এলে তা “নিষ্ক্রিয়” করা হবে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

ইরানের পাল্টা হুমকি
ইরানের সেনাবাহিনী এই অবরোধকে “অবৈধ ও সমুদ্র-ডাকাতি” বলে আখ্যায়িত করেছে। ইরানের কেন্দ্রীয় কমান্ড বলেছে, যদি পারস্য উপসাগর ও আরব সাগরে ইরানের কোনো বন্দরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, তাহলে ওই অঞ্চলের কোনো বন্দরই নিরাপদ থাকবে না।
তেলের বাজারে ধাক্কা
অবরোধের খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছুঁই ছুঁই করছে। ফেব্রুয়ারির শেষে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেলের দাম ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।

বাংলাদেশে প্রভাব
তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি ব্যয় আরও বাড়বে। পরিবহন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও কৃষিতে সরাসরি প্রভাব পড়বে। ইউনাইটেড কিংডম ও ফ্রান্স এই অবরোধে যোগ না দিলেও হরমুজে মাইন অপসারণে সহযোগিতা করবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















