মার্কিন নৌ-অবরোধ শুরুর খবরে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছুঁয়ে গেছে। ফেব্রুয়ারির শেষে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটি ৪০ শতাংশেরও বেশি বৃদ্ধি। বিশ্ব অর্থনীতিতে এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ইতিমধ্যে দৃশ্যমান।
কতদিন চলবে এই সংকট
মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেছেন, হরমুজ দিয়ে “অর্থবহ জাহাজ চলাচল” শুরু না হওয়া পর্যন্ত তেলের দাম উচ্চই থাকবে এবং আরও বাড়তে পারে। তিনি মনে করেন “কয়েক সপ্তাহের” মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. কারেন ইয়ং বলছেন, যুদ্ধ শেষ হলেও ক্ষতিগ্রস্ত তেলস্থাপনা মেরামত না হওয়া পর্যন্ত দাম কমবে না। তার মতে, ২০২৬ সালের শেষ পর্যন্ত উচ্চ জ্বালানিমূল্য অব্যাহত থাকতে পারে।

হরমুজে এখনও কোন জাহাজ চলছে না
ব্লুমবার্গের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার মাত্র চারটি জাহাজ হরমুজ দিয়ে যাতায়াত করেছে। অবরোধের ঠিক আগে ৫০০ থেকে ৭০০টি বড় জাহাজ পারস্য উপসাগরে আটকা পড়ে আছে।
বাংলাদেশে কী প্রভাব পড়বে
পরিবহন ও শিল্পে ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়বে। ইতিমধ্যে গত এক মাসে বিমানের জ্বালানি তিনবার বাড়ানো হয়েছে। সার আমদানি ব্যাহত হলে আসন্ন মৌসুমের কৃষিতে সংকট দেখা দিতে পারে। জার্মানি জ্বালানি করে ১৭ সেন্ট ছাড় দিয়েছে। বাংলাদেশেও সরকার অনুরূপ পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















