০১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা চীনা ব্যবসায়ীর ১ কোটি টাকা নিয়ে চালক উধাও, মেসেজে লিখলেন ‘আমি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছি’ কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩৮ বাংলাদেশি, ফেরার অপেক্ষায় আরও ১,৮০০ অস্ত্রের মুখে বিকাশকর্মীর ৩ লাখ টাকা ছিনতাই, পালাল ৬ দুর্বৃত্ত নেপালে বন্যার তাণ্ডব: ‘নিখোঁজদের দেয়ালে’ স্বজন খুঁজছেন হাজারো মানুষ ভারতের ৭.৮% জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে কেন উঠছে প্রশ্ন? নেপালের বন্যাবিধ্বস্ত উপত্যকায় ধ্বংসস্তূপ ছাড়া কিছুই নেই ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ নয়, প্রকৃত তথ্য জানাল পুলিশ সাভারে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু মিশেল কোগান: মিশেলিন তারকা পাওয়া রাঁধুনি, যাঁর পাই এখন নিউইয়র্কে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত

খুলনায় বিদ্যুৎ সংকট তীব্র, লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

খুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি বাড়তে থাকায় টানা লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন। তীব্র গরমের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শহর ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।

তীব্র গরমে বাড়ছে দুর্ভোগ

গরমের তাপমাত্রা যখন সবচেয়ে বেশি, ঠিক তখনই শুরু হচ্ছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। দিনের পাশাপাশি রাতেও নেই কোনো স্বস্তি। ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় অনেকেই ঠিকমতো ঘুমাতে পারছেন না। এতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়ছেন শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষরা।

হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ব্যাহত দৈনন্দিন জীবন

বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনেক সময় কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। এতে গৃহস্থালি কাজ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য—সব কিছুতেই বিঘ্ন ঘটছে। ছোট ব্যবসায়ী ও দোকানদাররা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

Severe load-shedding hits Khulna city | The Business Standard

চাহিদা ও সরবরাহে বড় ব্যবধান

বিদ্যুৎ বিতরণ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনায় বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হয়েছে। ১৬ এপ্রিল সকাল ১০টায় চাহিদা ছিল ৬৫৩ মেগাওয়াট, যেখানে সরবরাহ ছিল ৫৫০ মেগাওয়াট। ফলে ১০৩ মেগাওয়াট ঘাটতি দেখা দেয়।

এর আগের দিন দুপুর ১টায় চাহিদা দাঁড়ায় ৭৫০ মেগাওয়াট, বিপরীতে সরবরাহ ছিল ৫৭২ মেগাওয়াট। এতে ১৭৮ মেগাওয়াটের ঘাটতি তৈরি হয়। একই দিন রাত ৯টায় চাহিদা ছিল ৬৮৬ মেগাওয়াট, সরবরাহ ৫৪২ মেগাওয়াট হওয়ায় ঘাটতি দাঁড়ায় ১৪৪ মেগাওয়াটে।

বাসিন্দাদের ক্ষোভ বাড়ছে

শেখপাড়ার এক বাসিন্দা জানান, সারাদিনই লোডশেডিং চলছে। প্রায় প্রতি ঘণ্টায় বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে, গরমে শিশুদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক জীবনযাপন প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।

2.5hr power outage hits 21 districts

দ্রুত সমাধানের দাবি

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের মতে, এই তীব্র গরমে লোডশেডিং কমানো না গেলে জনজীবনের সংকট আরও বাড়বে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা

খুলনায় বিদ্যুৎ সংকট তীব্র, লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ জনজীবন

০৫:১৯:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

খুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি বাড়তে থাকায় টানা লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাপন। তীব্র গরমের মধ্যে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শহর ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।

তীব্র গরমে বাড়ছে দুর্ভোগ

গরমের তাপমাত্রা যখন সবচেয়ে বেশি, ঠিক তখনই শুরু হচ্ছে বিদ্যুৎ বিভ্রাট। দিনের পাশাপাশি রাতেও নেই কোনো স্বস্তি। ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় অনেকেই ঠিকমতো ঘুমাতে পারছেন না। এতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়ছেন শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষরা।

হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ব্যাহত দৈনন্দিন জীবন

বাসিন্দাদের অভিযোগ, অনেক সময় কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। এতে গৃহস্থালি কাজ থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য—সব কিছুতেই বিঘ্ন ঘটছে। ছোট ব্যবসায়ী ও দোকানদাররা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

Severe load-shedding hits Khulna city | The Business Standard

চাহিদা ও সরবরাহে বড় ব্যবধান

বিদ্যুৎ বিতরণ সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, খুলনায় বিদ্যুতের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান তৈরি হয়েছে। ১৬ এপ্রিল সকাল ১০টায় চাহিদা ছিল ৬৫৩ মেগাওয়াট, যেখানে সরবরাহ ছিল ৫৫০ মেগাওয়াট। ফলে ১০৩ মেগাওয়াট ঘাটতি দেখা দেয়।

এর আগের দিন দুপুর ১টায় চাহিদা দাঁড়ায় ৭৫০ মেগাওয়াট, বিপরীতে সরবরাহ ছিল ৫৭২ মেগাওয়াট। এতে ১৭৮ মেগাওয়াটের ঘাটতি তৈরি হয়। একই দিন রাত ৯টায় চাহিদা ছিল ৬৮৬ মেগাওয়াট, সরবরাহ ৫৪২ মেগাওয়াট হওয়ায় ঘাটতি দাঁড়ায় ১৪৪ মেগাওয়াটে।

বাসিন্দাদের ক্ষোভ বাড়ছে

শেখপাড়ার এক বাসিন্দা জানান, সারাদিনই লোডশেডিং চলছে। প্রায় প্রতি ঘণ্টায় বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে, গরমে শিশুদের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক জীবনযাপন প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।

2.5hr power outage hits 21 districts

দ্রুত সমাধানের দাবি

স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি পদক্ষেপ দাবি করেছেন। তাদের মতে, এই তীব্র গরমে লোডশেডিং কমানো না গেলে জনজীবনের সংকট আরও বাড়বে।