১১:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা চীনা ব্যবসায়ীর ১ কোটি টাকা নিয়ে চালক উধাও, মেসেজে লিখলেন ‘আমি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছি’ কম্বোডিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩৮ বাংলাদেশি, ফেরার অপেক্ষায় আরও ১,৮০০ অস্ত্রের মুখে বিকাশকর্মীর ৩ লাখ টাকা ছিনতাই, পালাল ৬ দুর্বৃত্ত নেপালে বন্যার তাণ্ডব: ‘নিখোঁজদের দেয়ালে’ স্বজন খুঁজছেন হাজারো মানুষ ভারতের ৭.৮% জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে কেন উঠছে প্রশ্ন? নেপালের বন্যাবিধ্বস্ত উপত্যকায় ধ্বংসস্তূপ ছাড়া কিছুই নেই ১৫ হাজারের বেশি শিশু নিখোঁজ নয়, প্রকৃত তথ্য জানাল পুলিশ সাভারে নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু মিশেল কোগান: মিশেলিন তারকা পাওয়া রাঁধুনি, যাঁর পাই এখন নিউইয়র্কে সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত

বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডের দুই বছর পর চাঞ্চল্যকর তথ্য, রেস্তোরাঁ নাকি আগুনের মধ্যেও বের হওয়ার পথ বন্ধ করে রেখেছিল

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারির বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর দুই বছর পরে তদন্তে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ তথ্য। তদন্তকারীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডের সময় রেস্তোরাঁটি বিল না মেটানো গ্রাহকদের বের হয়ে যেতে না দেওয়ার জন্য বাইরে বের হওয়ার পথ বন্ধ করে রেখেছিল।

[সম্পাদকীয় নোট: এই তথ্য প্রাথমিকভাবে তদন্ত প্রতিবেদনের সূত্রে পাওয়া গেছে। প্রকাশের আগে প্রাথমিক সূত্র যাচাই করুন।]

যে রাতে জ্বলে উঠেছিল গ্রিন কোজি কটেজ
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে নয়টার দিকে বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ শপিং মলের প্রথম তলার কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁয় আগুন লাগে। সাত তলার ভবনটিতে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং আটকে পড়া মানুষজন বের হওয়ার পথ না পেয়ে মর্মান্তিক পরিণতির শিকার হন।

৪৬ মৃত্যুর পেছনে কি এই অপরাধ
তদন্তের এই নতুন তথ্য যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে এই ঘটনাকে আর শুধু অবহেলাজনিত দুর্ঘটনা বলার সুযোগ থাকবে না। এটি হবে সরাসরি মানুষের জীবন বিপন্ন করার অপরাধ। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো বছরের পর বছর ধরে বিচারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক বিপ্লবের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষা

বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডের দুই বছর পর চাঞ্চল্যকর তথ্য, রেস্তোরাঁ নাকি আগুনের মধ্যেও বের হওয়ার পথ বন্ধ করে রেখেছিল

০৭:২৩:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারির বেইলি রোড অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জনের মর্মান্তিক মৃত্যুর দুই বছর পরে তদন্তে উঠে এসেছে এক ভয়াবহ তথ্য। তদন্তকারীদের দাবি, অগ্নিকাণ্ডের সময় রেস্তোরাঁটি বিল না মেটানো গ্রাহকদের বের হয়ে যেতে না দেওয়ার জন্য বাইরে বের হওয়ার পথ বন্ধ করে রেখেছিল।

[সম্পাদকীয় নোট: এই তথ্য প্রাথমিকভাবে তদন্ত প্রতিবেদনের সূত্রে পাওয়া গেছে। প্রকাশের আগে প্রাথমিক সূত্র যাচাই করুন।]

যে রাতে জ্বলে উঠেছিল গ্রিন কোজি কটেজ
২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে নয়টার দিকে বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ শপিং মলের প্রথম তলার কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁয় আগুন লাগে। সাত তলার ভবনটিতে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং আটকে পড়া মানুষজন বের হওয়ার পথ না পেয়ে মর্মান্তিক পরিণতির শিকার হন।

৪৬ মৃত্যুর পেছনে কি এই অপরাধ
তদন্তের এই নতুন তথ্য যদি প্রমাণিত হয়, তাহলে এই ঘটনাকে আর শুধু অবহেলাজনিত দুর্ঘটনা বলার সুযোগ থাকবে না। এটি হবে সরাসরি মানুষের জীবন বিপন্ন করার অপরাধ। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো বছরের পর বছর ধরে বিচারের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন।