ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম এখন ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের কাছাকাছি, যা যুদ্ধ শুরুর আগে ছিল প্রায় ৭০ ডলার। যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর কিছুটা নেমে ৯৪-৯৫ ডলারে ঠেকলেও আবার বাড়তে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার প্রধান বলেছেন, এটি ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জ্বালানি নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ।
যুদ্ধবিরতিতে দাম কমেছিল, কিন্তু টেকেনি
৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর ব্রেন্ট তেলের দাম ১৩ শতাংশ কমে যায়। কিন্তু হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি না খোলা এবং আলোচনা থেকে কোনো স্থায়ী চুক্তি না হওয়ায় আবার দাম বাড়ছে। মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী বলেছেন, হরমুজে স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল না হওয়া পর্যন্ত দাম চড়াই থাকবে।
বাংলাদেশে তেলের দাম ও জ্বালানি রেশনিং
বিশ্ব বাজারে তেলের এই উচ্চমূল্য বাংলাদেশের আমদানি খরচ ব্যাপক বাড়িয়ে দিচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশে পেট্রোলপাম্পে লম্বা সারি পড়েছে এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন জ্বালানি পুনর্ভরণে সীমা আরোপ করেছে। শপিং মল সন্ধ্যা ৮টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















