বরিশাল শহরের কেন্দ্রস্থলে শুক্রবার জুমার নামাজের পর হঠাৎ করে একটি মিছিল বের করে নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর কর্মীরা। দলীয় কার্যক্রমের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং নিহত পুলিশ সদস্যদের বিচার দাবি করে তারা এ কর্মসূচি পালন করে।
আকস্মিক মিছিল ও উত্তেজনা
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ২টার দিকে বিবিরপুকুর এলাকা থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে সদর রোডের কাকলী মোড় ট্রাফিক পুলিশ বক্স পর্যন্ত অগ্রসর হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আওয়ামী লীগের কর্মীরা মিছিল চলাকালে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এই আকস্মিক কর্মসূচিকে ঘিরে কিছু সময়ের জন্য এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে।

মুখ ঢেকে অংশগ্রহণ
মিছিলে অংশ নেওয়া প্রায় ৩০ জনের অধিকাংশই নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে সার্জিক্যাল মাস্ক, কালো কাপড় বা সানগ্লাস ব্যবহার করেন। তারা অল্প সময়ের জন্য সড়ক দখল করে স্লোগান দিয়ে দ্রুত আশপাশের গলিতে ছড়িয়ে পড়েন।
ব্যানারে দাবি
মিছিলকারীদের হাতে থাকা ব্যানারে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং পুলিশ হত্যার বিচার দাবি করা হয়। ব্যানারে দলের শীর্ষ নেতাদের ছবিও ছিল।
সংগঠনের পেছনের তথ্য
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাবেক সিটি করপোরেশন কাউন্সিলর রাজিব খানের উদ্যোগে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। তবে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান
ঘটনার সময় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আল মামুন-উল ইসলাম জানান, জুমার নামাজের পর কিছু অজ্ঞাত আওয়ামী লীগ কর্মী হঠাৎ করে কাকলী মোড় এলাকায় মিছিল করে।
তিনি বলেন, পুলিশ পৌঁছানোর আগেই তারা দ্রুত সরে যায়। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে।
স্বল্পস্থায়ী উদ্বেগ
এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ দেখা দিলেও বড় ধরনের কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়নি। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসে এবং স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















