০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভারতের কৌশলগত স্বাধীনতার পরের পরীক্ষা: নেতৃত্ব কি নির্ভরতার বদলে পারস্পরিক সমৃদ্ধি আনবে? তারেক রহমানকে ট্রাম্পের চিঠি: কিছু কথা রাজনীতির নতুন সূত্র: ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের মাংসের জোগান বইয়ের পাতার মতোই মুগ্ধতা ছড়ায় বিশ্বের ৭ অপূর্ব গ্রন্থাগার লুলুলেমন আনল ‘বিগ-অ্যাস ব্যাগ’, ৮০ লিটারের বিশাল টোট ব্যাগে ঢুকবে যেন পুরো সংসার শিশুদের মুখে নতুন হাসি, মিশিগানে ম্যাগির উইগস ৪ কিডস-এর ২৩তম বার্ষিক গালা নাসার রোমান টেলিস্কোপের নতুন ঠিকানার পথে তিন মাসের মহাকাশযাত্রা মাত্র ১০ সেন্টিমিটার উচ্চতার ‘কিউটি পাই’ গোলাপ, ছোট বাগান সাজাতে দারুণ প্রাপ্তবয়স্ক সন্তানকে স্বনির্ভর করতে অভিভাবকের যে ৬টি পদক্ষেপ জরুরি বাড়িতে প্রাপ্তবয়স্ক সন্তান থাকলে সম্পর্ক ভালো রাখার উপায়

দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়া এলাকায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডায়ামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সার কারখানায় উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। মূল কাঁচামাল অ্যামোনিয়ার তীব্র সংকটের কারণে শনিবার রাত প্রায় ৮টার দিকে এই উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

অ্যামোনিয়া সংকটে উৎপাদন বন্ধ

কারখানার প্রশাসনিক প্রধান আলমগীর জলিল জানান, অ্যামোনিয়া সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, ডিএপি কারখানাটি মূলত চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি থেকে অ্যামোনিয়া পেয়ে থাকে। কিন্তু এই দুটি কারখানাই বর্তমানে বন্ধ থাকায় কাঁচামাল সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বাধ্য হয়েই ডিএপি কারখানার কার্যক্রম স্থগিত রাখতে হচ্ছে।

গ্যাস সংকটে বন্ধ প্রধান দুটি কারখানা

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্যাস সংকটের কারণে গত ৪ মার্চ থেকে চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি—এই দুটি বড় সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এই দুই কারখানা বন্ধ থাকায় অ্যামোনিয়ার সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে ডিএপি কারখানার উৎপাদনে।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনে চাকরি

ডিএপি কারখানার গুরুত্ব ও সক্ষমতা

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত এই ডিএপি কারখানাটি দেশের কৃষিখাতে সুষম সার ব্যবহারের লক্ষ্য নিয়ে গড়ে তোলা হয়। নাইট্রোজেন ও ফসফরাস সমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে ২০০৬ সালে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে।

কারখানাটিতে দুটি ইউনিট রয়েছে—ডিএপি-১ ও ডিএপি-২—যার সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা প্রতিদিন প্রায় ৮০০ টন। তবে স্বাভাবিক সময়ে কারখানাটি দৈনিক গড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ টন সার উৎপাদন করে আসছিল।

কৃষিখাতে সম্ভাব্য প্রভাব

এই কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের কৃষিখাতে সারের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বোরো মৌসুমে সারের চাহিদা বেশি থাকায় এই সংকট পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অ্যামোনিয়া সংকটে দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের কৌশলগত স্বাধীনতার পরের পরীক্ষা: নেতৃত্ব কি নির্ভরতার বদলে পারস্পরিক সমৃদ্ধি আনবে?

দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ

০২:৪৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়া এলাকায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডায়ামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি) সার কারখানায় উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। মূল কাঁচামাল অ্যামোনিয়ার তীব্র সংকটের কারণে শনিবার রাত প্রায় ৮টার দিকে এই উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

অ্যামোনিয়া সংকটে উৎপাদন বন্ধ

কারখানার প্রশাসনিক প্রধান আলমগীর জলিল জানান, অ্যামোনিয়া সরবরাহ না থাকায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, ডিএপি কারখানাটি মূলত চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি থেকে অ্যামোনিয়া পেয়ে থাকে। কিন্তু এই দুটি কারখানাই বর্তমানে বন্ধ থাকায় কাঁচামাল সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বাধ্য হয়েই ডিএপি কারখানার কার্যক্রম স্থগিত রাখতে হচ্ছে।

গ্যাস সংকটে বন্ধ প্রধান দুটি কারখানা

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্যাস সংকটের কারণে গত ৪ মার্চ থেকে চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি—এই দুটি বড় সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এই দুই কারখানা বন্ধ থাকায় অ্যামোনিয়ার সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়েছে ডিএপি কারখানার উৎপাদনে।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনে চাকরি

ডিএপি কারখানার গুরুত্ব ও সক্ষমতা

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের অধীনে প্রতিষ্ঠিত এই ডিএপি কারখানাটি দেশের কৃষিখাতে সুষম সার ব্যবহারের লক্ষ্য নিয়ে গড়ে তোলা হয়। নাইট্রোজেন ও ফসফরাস সমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে ২০০৬ সালে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে।

কারখানাটিতে দুটি ইউনিট রয়েছে—ডিএপি-১ ও ডিএপি-২—যার সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা প্রতিদিন প্রায় ৮০০ টন। তবে স্বাভাবিক সময়ে কারখানাটি দৈনিক গড়ে ৬০০ থেকে ৭০০ টন সার উৎপাদন করে আসছিল।

কৃষিখাতে সম্ভাব্য প্রভাব

এই কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দেশের কৃষিখাতে সারের সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে বোরো মৌসুমে সারের চাহিদা বেশি থাকায় এই সংকট পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অ্যামোনিয়া সংকটে দেশের একমাত্র ডিএপি সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ