০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
আমেরিকার নতুন কৌশল, আসিয়ানের কঠিন ভারসাম্য সাগরে ৩৬ দিন ধরে ভেসে থাকা শ্রীলঙ্কান বাবা-ছেলেকে উদ্ধার করল বাংলাদেশি জেলেরা মারধরের পর ছাত্রলীগ পরিচয়ে কারাগারে, যা ঘটেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে হবিগঞ্জে এনসিপি-ছাত্রদল সংঘর্ষ, ব্যাংকে অবরুদ্ধ পাটওয়ারী ও সারজিস সন্তানহীন হয়ে পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের বড় শহর, কমছে শিশুর সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রে ডাকযোগে ভোটে বিধিনিষেধ, সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চাইল ট্রাম্প প্রশাসন হংকংয়ের সাবেক বিরোধী নেতা উ চি-ওয়াইকে যুক্তরাজ্যে ছয় মাস থাকার অনুমতি ২১ বছর বয়সেই সাহিত্যজগতে ঝড় তুলেছিলেন ব্রেট ইস্টন এলিস, ‘লেস দ্যান জিরো’ নিয়ে মুখ খুললেন ত্বকের যত্নে নতুন চমক, একসঙ্গে আর্দ্রতা ও উজ্জ্বলতা দেবে টোনার প্যাড এইডস প্রতিরোধে অর্থসংকট, বিশ্বজুড়ে আবারও এইচআইভি সংক্রমণ বাড়ার শঙ্কা

আইএমএফের সঙ্গে তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সম্পর্ক নেই: অর্থমন্ত্রী

তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আইএমএফের সঙ্গে বৈঠকের আগেই দেশে জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

তেলের দাম বাড়ানোর কারণ কী
অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশও চাপের মুখে পড়েছে। অনেক দেশেই তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, এমনকি কিছু দেশে তা দ্বিগুণ হয়েছে। তুলনামূলকভাবে বাংলাদেশে এই বৃদ্ধি সীমিত রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেশের তহবিলের ওপর চাপ বাড়ছিল। বিভিন্ন মহল থেকেই সরকারকে তেলের দাম বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছিল। কারণ, ভর্তুকি অব্যাহত রাখলে রাষ্ট্রীয় অর্থনীতি সংকটে পড়তে পারত।

জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় সিদ্ধান্ত
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দীর্ঘ সময় তেলের দাম বাড়ায়নি। তবে পরিস্থিতির চাপে শেষ পর্যন্ত কিছুটা সমন্বয় করতে হয়েছে।

তার ভাষায়, দাম যতটা বাড়ানো হয়েছে তা খুবই সীমিত। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মূলত তহবিলের ওপর চাপ কমানো এবং সরকারের অন্যান্য কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার স্বার্থে।

আইএমএফ ও দাতা সংস্থার সঙ্গে আলোচনা
আইএমএফের সঙ্গে পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে হওয়া চুক্তির সব শর্ত বর্তমান সরকার মেনে নেবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, আইএমএফ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া।

সরকার একটি নির্বাচিত গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে কাজ করে—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাইরের কোনো সংস্থার সিদ্ধান্ত এককভাবে দেশের নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে না।

তিনি জানান, আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা আরও ১৫ থেকে ২০ দিন, এমনকি এক মাস পর্যন্ত চলতে পারে। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির সঙ্গে আলোচনায় ইতোমধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।

মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক নজর
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি বাড়তেও পারে আবার নিয়ন্ত্রণেও থাকতে পারে। সরকার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আন্তর্জাতিক সহায়তা নিয়ে আশাবাদ
অর্থমন্ত্রী আরও জানান, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলো বর্তমান সরকারকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। শিগগিরই বিশ্বব্যাংক ও এডিবির প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফরের সম্ভাবনাও রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আমেরিকার নতুন কৌশল, আসিয়ানের কঠিন ভারসাম্য

আইএমএফের সঙ্গে তেলের দাম বাড়ানোর কোনো সম্পর্ক নেই: অর্থমন্ত্রী

০৫:৫৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

তেলের দাম বাড়ানোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, আইএমএফের সঙ্গে বৈঠকের আগেই দেশে জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

তেলের দাম বাড়ানোর কারণ কী
অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে বাংলাদেশও চাপের মুখে পড়েছে। অনেক দেশেই তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে, এমনকি কিছু দেশে তা দ্বিগুণ হয়েছে। তুলনামূলকভাবে বাংলাদেশে এই বৃদ্ধি সীমিত রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেশের তহবিলের ওপর চাপ বাড়ছিল। বিভিন্ন মহল থেকেই সরকারকে তেলের দাম বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছিল। কারণ, ভর্তুকি অব্যাহত রাখলে রাষ্ট্রীয় অর্থনীতি সংকটে পড়তে পারত।

জনগণের স্বার্থ বিবেচনায় সিদ্ধান্ত
অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকার জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দীর্ঘ সময় তেলের দাম বাড়ায়নি। তবে পরিস্থিতির চাপে শেষ পর্যন্ত কিছুটা সমন্বয় করতে হয়েছে।

তার ভাষায়, দাম যতটা বাড়ানো হয়েছে তা খুবই সীমিত। এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মূলত তহবিলের ওপর চাপ কমানো এবং সরকারের অন্যান্য কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার স্বার্থে।

আইএমএফ ও দাতা সংস্থার সঙ্গে আলোচনা
আইএমএফের সঙ্গে পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে হওয়া চুক্তির সব শর্ত বর্তমান সরকার মেনে নেবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, আইএমএফ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা একটি চলমান প্রক্রিয়া।

সরকার একটি নির্বাচিত গণতান্ত্রিক কাঠামোর মধ্যে কাজ করে—এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাইরের কোনো সংস্থার সিদ্ধান্ত এককভাবে দেশের নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলতে পারে না।

তিনি জানান, আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা আরও ১৫ থেকে ২০ দিন, এমনকি এক মাস পর্যন্ত চলতে পারে। একই সঙ্গে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির সঙ্গে আলোচনায় ইতোমধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।

মূল্যস্ফীতি পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক নজর
মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, এটি বাড়তেও পারে আবার নিয়ন্ত্রণেও থাকতে পারে। সরকার বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আন্তর্জাতিক সহায়তা নিয়ে আশাবাদ
অর্থমন্ত্রী আরও জানান, আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলো বর্তমান সরকারকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। শিগগিরই বিশ্বব্যাংক ও এডিবির প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশ সফরের সম্ভাবনাও রয়েছে।