শনিবার বিকেলে আচমকা ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতে সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ, রংপুর ও হবিগঞ্জ, এই পাঁচ জেলায় কমপক্ষে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই মাঠে ধান কাটার কাজে নেমেছিলেন। হাওর অঞ্চলে বোরো মৌসুমের শেষ ভাগে কৃষকদের জন্য এই বিপর্যয় নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সুনামগঞ্জেই পাঁচ জনের মৃত্যু
শুধু সুনামগঞ্জেই চার উপজেলায় পাঁচজন কৃষক বজ্রপাতে প্রাণ হারিয়েছেন। তাহিরপুর উপজেলায় পাগনার হাওরে কাজ করছিলেন আবুল কালাম (২৫)। জামালগঞ্জে মারা গেছেন নাজমুল হোসেন (২৬)। ধর্মপাশায় হাবিবুর রহমান (২৪) ও রহমত উল্লাহ (১৩) এবং দিরাইতে লিটন মিয়া (৩৮) একই ভাবে বজ্রপাতে মারা যান। মাতিয়ান ও তোগার হাওরেও পৃথকভাবে ঘটনা ঘটে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্কবার্তা দিচ্ছেন
বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশে বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। দুর্যোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বজ্রপাতের তীব্রতা ও ঘনঘনতা বেড়েছে। হাওর এলাকায় উন্মুক্ত বিস্তৃত মাঠে কাজ করা কৃষকরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন, কারণ আশ্রয় নেওয়ার কোনো কাঠামো কাছে থাকে না। সরকার বজ্রপাত সতর্কতা অ্যাপ চালু করলেও প্রত্যন্ত হাওরাঞ্চলে তার কার্যকারিতা সীমিত বলে অভিযোগ রয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















