বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় একই পরিবারের সদস্যরা ভিন্ন ভিন্ন জনপরিসরে কাজ করতে পারেন—তবে পেশাগত সততা ও স্বাধীনতা সবসময় অটুট থাকতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের সভাপতি জিল্লুর রহমান। তিনি মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তার স্ত্রী ফাহমিদা হকের বিএনপির নারী সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হওয়া নিয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন।
পেশাগত স্বাধীনতা বজায় রাখার অঙ্গীকার
জিল্লুর রহমান বলেন, তার দীর্ঘদিনের কাজের মূল ভিত্তি হচ্ছে বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা, নিরপেক্ষতা এবং উন্মুক্ত আলোচনার প্রতি অঙ্গীকার। ভবিষ্যতেও তিনি এই নীতিগুলো মেনে চলবেন। একই সঙ্গে তিনি তার স্ত্রীকে নতুন দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার শুভকামনা জানান।
তিনি উল্লেখ করেন, এ বিষয়ে অনেক সহকর্মী, বন্ধু ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিরা তার মতামত জানতে চেয়েছিলেন।

ফাহমিদার দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততা
জিল্লুর রহমান বলেন, ফাহমিদা হকের জনসম্পৃক্ততা নতুন নয়। বহু বছর ধরে তিনি লেখালেখি, সামাজিক উদ্যোগ এবং নীতিনির্ধারণী আলোচনায় যুক্ত ছিলেন। দেশ-বিদেশে ভ্রমণের মাধ্যমে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলেছেন এবং নিজের লেখনী ও নাগরিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনপরিসরে অবদান রেখেছেন।
এই অভিজ্ঞতা এবং জনসেবার প্রতি তার নিজস্ব বিশ্বাস থেকেই ধীরে ধীরে তার রাজনৈতিক আগ্রহ তৈরি হয়েছে বলে জানান তিনি।

এমপি হওয়া সেই ধারাবাহিকতারই অংশ
তার মতে, ফাহমিদার সংসদ সদস্য হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া তার দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততারই একটি স্বাভাবিক ধারাবাহিকতা। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ফাহমিদা সততা বজায় রেখে সংসদীয় কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবেন এবং দেশের গণতান্ত্রিক আলোচনাকে সমৃদ্ধ করবেন।
নিজস্ব পেশাগত অবস্থান অপরিবর্তিত
জিল্লুর রহমান স্পষ্ট করে বলেন, তার পেশাগত জীবন—সাংবাদিকতা, কলাম লেখা, টকশো উপস্থাপনা এবং নীতিনির্ধারণী গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব—সবই বহু বছরের স্বাধীন কাজের ফল। এই পেশাগত দায়িত্ব ও অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসবে না।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















