০৩:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
মুখ ধোয়ার সময় পড়ে যাওয়ার উপক্রম, কিন্তু প্রতিদিন ৫ কিলোমিটার হাঁটেন—পেছনে লুকিয়ে ভিটামিন ঘাটতির সংকেত জাপানের বইপাড়ায় পর্যটনের ঢল: ভাষার বাধা, বদলাবে কি ঐতিহ্য? দক্ষিণ লেবাননে ‘বাফার জোন’ ধারণা ভ্রান্ত, শান্তির পথ নয় বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটে ভেঙে পড়ার শঙ্কায় মোবাইল নেটওয়ার্ক পশ্চিমবঙ্গ ভোট ২০২৬: প্রথম দফায় দুপুর ১টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ৬২.১৮%, সহিংসতা ও ইভিএম সমস্যায় উত্তেজনা ময়মনসিংহ-ঢাকা রুটে ট্রাক ভাড়া ৫ হাজার টাকা বেড়েছে, যাত্রাপিছু খরচ এখন ২২ হাজারের কাছাকাছি সিলেট-শেরপুর রুটে ট্রাক ভাড়া ৫ হাজার থেকে বেড়ে ৭ হাজার টাকা নিক্কি ২২৫ সূচক ইতিহাসে প্রথমবার ৬০ হাজার ছাড়াল রাজশাহীতে ট্রাক ভাড়া ৯ থেকে ১০ হাজার টাকা বেড়েছে, কৃষক-ব্যবসায়ীরা চাপে চট্টগ্রামে ট্রাক ভাড়া প্রতি ট্রিপে ভাড়া বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ৭৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ প্রায় ৭৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি সংসদে জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী সরকারের বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ৭৮,০৬৭ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলার।

মঙ্গলবার বিকেলে স্পিকারের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এই তথ্য তুলে ধরেন।

বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের প্রক্রিয়া

অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারের পক্ষে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব পালন করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ। প্রতি অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ করে একটি পরিকল্পনা করা হয় এবং সেই অনুযায়ী জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হয়।

তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সারা বছরজুড়ে বাজেট বরাদ্দ থেকে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা হচ্ছে।

সরকারের বৈদেশিক ঋণ ৭৮ বিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী | Campus Times

ঋণ গ্রহণ ও পরিশোধের চিত্র

সংসদের আরেক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশ মোট প্রায় ৮৫,৯৯২ দশমিক ৬৪ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ করেছে।

এই সময়ের মধ্যে সরকার আসল হিসেবে ২২,৩২৮ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন ডলার এবং সুদ হিসেবে ৮,৬৯৬ দশমিক ৮২ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে।

ঋণের পরিমাণের পরিবর্তন

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ৭৭,২৭৯ দশমিক ১২ মিলিয়ন ডলার।

অন্যদিকে, ২০০৭-০৮ অর্থবছর থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৮৭,৩৯৬ দশমিক ০৩ মিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়া হয়েছে এবং আসল হিসেবে পরিশোধ করা হয়েছে ২২,০৫০ দশমিক ৭৯ মিলিয়ন ডলার।

এই সময়ের মধ্যে বৈদেশিক ঋণের মোট পরিমাণ বেড়েছে ৬৫,৩৪৬ দশমিক ২৪ মিলিয়ন ডলার বলে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।

জনপ্রিয় সংবাদ

মুখ ধোয়ার সময় পড়ে যাওয়ার উপক্রম, কিন্তু প্রতিদিন ৫ কিলোমিটার হাঁটেন—পেছনে লুকিয়ে ভিটামিন ঘাটতির সংকেত

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণ ৭৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

০৮:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ প্রায় ৭৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি সংসদে জানান, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী সরকারের বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ৭৮,০৬৭ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলার।

মঙ্গলবার বিকেলে স্পিকারের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়। এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এই তথ্য তুলে ধরেন।

বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের প্রক্রিয়া

অর্থমন্ত্রী জানান, সরকারের পক্ষে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের দায়িত্ব পালন করে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ। প্রতি অর্থবছরে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের সম্ভাব্য ব্যয় নির্ধারণ করে একটি পরিকল্পনা করা হয় এবং সেই অনুযায়ী জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হয়।

তিনি আরও বলেন, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সারা বছরজুড়ে বাজেট বরাদ্দ থেকে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা হচ্ছে।

সরকারের বৈদেশিক ঋণ ৭৮ বিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী | Campus Times

ঋণ গ্রহণ ও পরিশোধের চিত্র

সংসদের আরেক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, ২০০৮-০৯ অর্থবছর থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত বাংলাদেশ মোট প্রায় ৮৫,৯৯২ দশমিক ৬৪ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ করেছে।

এই সময়ের মধ্যে সরকার আসল হিসেবে ২২,৩২৮ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন ডলার এবং সুদ হিসেবে ৮,৬৯৬ দশমিক ৮২ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছে।

ঋণের পরিমাণের পরিবর্তন

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ছিল ৭৭,২৭৯ দশমিক ১২ মিলিয়ন ডলার।

অন্যদিকে, ২০০৭-০৮ অর্থবছর থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৮৭,৩৯৬ দশমিক ০৩ মিলিয়ন ডলার ঋণ নেওয়া হয়েছে এবং আসল হিসেবে পরিশোধ করা হয়েছে ২২,০৫০ দশমিক ৭৯ মিলিয়ন ডলার।

এই সময়ের মধ্যে বৈদেশিক ঋণের মোট পরিমাণ বেড়েছে ৬৫,৩৪৬ দশমিক ২৪ মিলিয়ন ডলার বলে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।