মধ্যপ্রাচ্যের জলপথে আবারও উত্তেজনা বেড়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে প্রতিশোধমূলক অবস্থান স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ইরানের একজন শীর্ষ আইনপ্রণেতা সরাসরি জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের পদক্ষেপের জবাব একইভাবে দিচ্ছে তেহরান।
পাল্টা জবাবের বার্তা
বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ইরানের পার্লামেন্ট সদস্য এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্র নীতি কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি বলেন, “চোখের বদলে চোখ, ট্যাংকারের বদলে ট্যাংকার।” তার এই মন্তব্য স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয়, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় ইরানও পাল্টা ব্যবস্থা নিচ্ছে।
হরমুজ প্রণালীর উত্তেজনা
তবে রেজায়ির বক্তব্য সরাসরি কোন ঘটনার দিকে ইঙ্গিত করছে, তা পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। এর আগে রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর নৌ শাখা হরমুজ প্রণালীর আশপাশে দুটি কার্গো জাহাজ জব্দ করার দাবি করেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ
এর কয়েক দিন আগে আরব সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী একটি ইরানি পতাকাবাহী জাহাজ জব্দ করে। এরপর মঙ্গলবার মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, ভারত মহাসাগরে তারা একটি তেলবাহী ট্যাংকারে অভিযান চালিয়ে সেটিতে ওঠে, যা ইরান থেকে তেল বহন করছিল।
ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রভাব
বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই দেশের এই পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী—যেখানে বিশ্বের বড় অংশের জ্বালানি পরিবহন হয়—সেখানে এমন উত্তেজনা বৈশ্বিক বাজারেও প্রভাব ফেলতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















