১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
ওয়ার্শ যুগের সূচনা: এশিয়ার মুদ্রাগুলোর সামনে নতুন বাস্তবতার কঠিন পরীক্ষা ইরানের হামলায় হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা, তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি নতুন এশিয়ার ভ্রমণ মানচিত্র: বালির গল্পে দেখা যাচ্ছে আঞ্চলিক অর্থনীতির নতুন শক্তি বার্নিং ম্যান উৎসবের ইতিহাস নিয়ে আসছে এইচবিও ডকুসিরিজ সিনেমা হলকে নতুনভাবে সাজাচ্ছে সাংহাই মেলনের বৈশ্বিক কে-পপ তালিকায় আলোচনায় রাইজ ও বয় নেক্সট ডোর হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্টকে অপসারণে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ, রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে ট্রাম্পের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের রায়, যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থীদের ফেরানোর পথ খুলল রাশিয়ার যুব ফুটবল দলের ফেরার ইঙ্গিত, নতুন টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের পথ খুলছে ফিফা ডা. এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ

বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করলেন মুস্তাফিজের পাঁচ উইকেট, শান্তর সেঞ্চুরি

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে ৫৫ রানের জয় তুলে নিয়ে সিরিজ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের পাঁচ উইকেট এবং নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্দান্ত সেঞ্চুরি।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ২৬৬ রানের লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি। ৪৪.৫ ওভারে ২১০ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। শুরুতে কিছুটা স্থিরতা থাকলেও মাঝের সারিতে মুস্তাফিজের আঘাতে ভেঙে পড়ে তাদের ইনিংস। তিনি ৪৩ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন।

বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ম্যাচ শেষে বোলার ও ফিল্ডারদের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, দল আগে থেকেই বুঝেছিল উইকেটে স্পিন এবং পেসারদের জন্য অসম বাউন্স থাকবে। তাই শুরুতেই উইকেট নেওয়াই ছিল পরিকল্পনা।

এই ম্যাচে পেসার নাহিদ রানা দুই উইকেট নেন। তিন ম্যাচে মোট আট উইকেট নিয়ে তিনি সিরিজসেরা নির্বাচিত হন। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, অধিনায়কের নির্দেশ ছিল উইকেট নেওয়া, সেই লক্ষ্যেই তিনি বোলিং করেছেন।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে ডিন ফক্সক্রফট শেষ দিকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তিনি ৭২ বলে ৭৫ রান করেন, যেখানে ছিল সাতটি ছক্কা। তবে শেষ পর্যন্ত মিরাজের বলে আউট হয়ে তিনি বিদায় নেন। নিক কেলিও ৫৯ রান করেন, কিন্তু মুস্তাফিজের বলে আউট হন।

এর আগে টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়া নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ২৬৫ রান করে। শুরুতে দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দল। কিন্তু শান্ত ও লিটন দাস মিলে ইনিংস সামলে নেন।

৯ রানে দুই উইকেট পড়ার পর ক্রিজে নেমে শান্ত ১১৯ বলে ১০৫ রান করেন এবং ম্যাচসেরা হন। অন্যদিকে লিটন দাস ৯১ বলে ৭৬ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাদের ১৬০ রানের জুটি বাংলাদেশের সংগ্রহকে লড়াইযোগ্য করে তোলে।

ম্যাচ শেষে শান্ত জানান, শুরুতে নিউজিল্যান্ড বোলাররা ভালো বোলিং করলেও লিটনের সঙ্গে বড় জুটি গড়াই ছিল ম্যাচের মোড় ঘোরানোর মূল চাবিকাঠি। তিনি বলেন, উইকেটে ব্যাট করা সহজ ছিল না, তাই ধৈর্য ধরে বড় পার্টনারশিপ গড়ার দিকেই তারা মনোযোগ দেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ার্শ যুগের সূচনা: এশিয়ার মুদ্রাগুলোর সামনে নতুন বাস্তবতার কঠিন পরীক্ষা

বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করলেন মুস্তাফিজের পাঁচ উইকেট, শান্তর সেঞ্চুরি

০৮:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে ৫৫ রানের জয় তুলে নিয়ে সিরিজ জিতে নিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের পাঁচ উইকেট এবং নাজমুল হোসেন শান্তর দুর্দান্ত সেঞ্চুরি।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ২৬৬ রানের লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি। ৪৪.৫ ওভারে ২১০ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা। শুরুতে কিছুটা স্থিরতা থাকলেও মাঝের সারিতে মুস্তাফিজের আঘাতে ভেঙে পড়ে তাদের ইনিংস। তিনি ৪৩ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নিয়ে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন।

বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ ম্যাচ শেষে বোলার ও ফিল্ডারদের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, দল আগে থেকেই বুঝেছিল উইকেটে স্পিন এবং পেসারদের জন্য অসম বাউন্স থাকবে। তাই শুরুতেই উইকেট নেওয়াই ছিল পরিকল্পনা।

এই ম্যাচে পেসার নাহিদ রানা দুই উইকেট নেন। তিন ম্যাচে মোট আট উইকেট নিয়ে তিনি সিরিজসেরা নির্বাচিত হন। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, অধিনায়কের নির্দেশ ছিল উইকেট নেওয়া, সেই লক্ষ্যেই তিনি বোলিং করেছেন।

নিউজিল্যান্ডের হয়ে ডিন ফক্সক্রফট শেষ দিকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তিনি ৭২ বলে ৭৫ রান করেন, যেখানে ছিল সাতটি ছক্কা। তবে শেষ পর্যন্ত মিরাজের বলে আউট হয়ে তিনি বিদায় নেন। নিক কেলিও ৫৯ রান করেন, কিন্তু মুস্তাফিজের বলে আউট হন।

এর আগে টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়া নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৮ উইকেটে ২৬৫ রান করে। শুরুতে দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দল। কিন্তু শান্ত ও লিটন দাস মিলে ইনিংস সামলে নেন।

৯ রানে দুই উইকেট পড়ার পর ক্রিজে নেমে শান্ত ১১৯ বলে ১০৫ রান করেন এবং ম্যাচসেরা হন। অন্যদিকে লিটন দাস ৯১ বলে ৭৬ রান করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তাদের ১৬০ রানের জুটি বাংলাদেশের সংগ্রহকে লড়াইযোগ্য করে তোলে।

ম্যাচ শেষে শান্ত জানান, শুরুতে নিউজিল্যান্ড বোলাররা ভালো বোলিং করলেও লিটনের সঙ্গে বড় জুটি গড়াই ছিল ম্যাচের মোড় ঘোরানোর মূল চাবিকাঠি। তিনি বলেন, উইকেটে ব্যাট করা সহজ ছিল না, তাই ধৈর্য ধরে বড় পার্টনারশিপ গড়ার দিকেই তারা মনোযোগ দেন।