বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকট এখন ‘সহনীয় সীমা ছাড়িয়ে গেছে’ বলে স্বীকার করেছে সরকারের বিদ্যুৎ বিভাগ। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব উম্মে রেহানা জানান, সেদিন দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল প্রায় ১৭ হাজার মেগাওয়াট, কিন্তু জ্বালানি সংকটের কারণে উৎপাদন সম্ভব হয়েছে মাত্র ১৪ হাজার মেগাওয়াট — ঘাটতি প্রায় তিন হাজার মেগাওয়াট।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সরাসরি প্রভাব
উম্মে রেহানা বলেন, প্রতি বছর গ্রীষ্মে লোডশেডিং হয়, তবে এবার সংকট কিছুটা বেশি কারণ মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে জ্বালানি আমদানিতে বিঘ্ন ঘটছে। গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এয়ার কন্ডিশনার ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের ব্যবহার বেড়ে যাওয়াও চাহিদা বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
পরিস্থিতি আরও কতটা খারাপ হতে পারে
ইতোমধ্যে বারাপুকুরিয়া পাওয়ার প্ল্যান্টে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং আগামী ২৮ এপ্রিল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও উৎপাদন শুরু হতে জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত সময় লাগবে। বিরোধীদলীয় সাংসদেরা শক্তি পরিস্থিতি নিয়ে যৌথ কমিটিতে পাঁচজন সংসদ সদস্যকে মনোনীত করেছেন।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















